Pages

Saturday, November 3, 2012

পরকীয়াগ্রস্ত এসআই লতিফের কাণ্ড

পরকীয়াগ্রস্ত এসআই লতিফের কাণ্ড

ভাষানটেক থানার পরকীয়াগ্রস্ত এসআই আব্দুল লতিফ তার প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে তার প্রাক্তন স্বামী আমানুর রহমানকে ফাঁসানের জন্য তিনিও তার স্বজনদের নামে একের পর এক মামলা দিচ্ছেন। প্রত্যেকটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থাকছেন তিনিই। এমনকি যে থানায় বদলি হয়ে যাচ্ছেন সে থানায়ই মামলা করা হচ্ছে।

মিরপুর মডেল থানা ও ভাষানটেক থানা সূত্রে জানা যায়,  আমানুর রহমানের সঙ্গে মনোয়ারা বেগম লাভলীর ২০০৬ সালে বিয়ে হয়। তারা মিরপুর মডেল থানা এলাকার কল্যাণপুরে থাকতেন। এর মধ্যে লাভলীর সঙ্গে এসআই লতিফর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এর জের ধরে  চলতি বছরের মে মাসে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। এর পর আমানুরের পরিবার ও তার নামে দুটি মামলা করেন লাভলী। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসাই লতিফ। প্রায় দুইমাস আগে এসআই লতিফ ভাষানটেক থানায় বদলি হন। সেখানে ১৫ অক্টবর আমানুর ও তার স্বজনদের নামে মামলা করেন লাভলী। এ মামলারও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লতিফ।

এ ব্যাপারে এসআই লতিফ জানায়, পরকীয়ার ঘটনা মিথ্যা। মামলা তদন্ত করে দেখছি। আপনি যে থানায় বদলি হচ্ছেন সে থানয় মামলা হওয়া এবং এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও আপনি থাকার কারণ কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দেন নি।

মিরপুর মডেল থানা সূত্রে আরো জানা যায়, লাভলি কুসঙ্গে মিশে ও প্রেমিক পুলিশ অফিসারের সহায়তায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পরেন। তার পিতা আব্দুর রউফ মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পেরে ২০০৮ সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর মডেল থানায় মেয়ের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

আরো জান যায়, এসআই আব্দুল লতিফ এর আগে মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা পড়েন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে উপরমহলকে ম্যানেজ করে আবার চাকরিতে যোগদেন তিনি।

No comments:

Post a Comment