Pages

Sunday, January 13, 2013

তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল, আখেরি মুনাজাত আজ

তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল, আখেরি মুনাজাত আজ


লাখো মুসল্লির আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ধ্বনি, জিকির-আসকার ও ইজতেমার মুরব্বিদের বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হয়েছে। শনিবার বাদ ফজর তাবলীগের মুরব্বি মাওলানা শওকত হোসেনের বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কার্যসূচি। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌ ধ্বনিতে তুরাগ নদী তীরবর্তী বিশাল এলাকা যেন পুণ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। সর্বত্র এক অভূতপূর্ব ভাবগম্ভীর পরিবেশ। দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লির ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আসকার, কোরআন-হাদিস গুরুত্বপূর্ণ বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হয়। রোববার আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার ১ম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা। শীতার্ত আবহাওয়া সত্ত্বেও ইজতেমা অভিমুখে মুসল্লিদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। বাস-ট্র্রাক, নৌকা ও অন্যান্য যানবাহন ছাড়াও অনেকেই পায়ে হেঁটে ইজতেমাস্থলে পৌঁছেছেন। অগণিত মুসল্লির ভিড়ে অশীতিপর বৃদ্ধ যেমন রয়েছেন তেমনি তরুণ ও কিশোরের সংখ্যাও কম নয়। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস, তীব্র শীত, ধূলি- সব কিছুই তাদের কাছে সহনীয় হয়ে উঠেছে। এতটুকু বিরক্তি নেই কারও মধ্যে। গোটা টঙ্গী শহর এখন ধর্মীয় উৎসবের নগরে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি বাড়ি ও শিল্প-কারখানা সারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মেহমানে ভরে গেছে। মহাসড়ক থেকে শুরু করে প্রতিটি অলি-গলিতে এখন শুধুই মুসল্লিদের পদচারণা।
আখেরি মুনাজাত আজ: রোববার বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মুনাজাত। ইজতেমার আয়োজকদের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১২টার পর যে কোন সময় ইজতেমার এ মুনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এবারও তাবলীগ জামাতের শূরা সদস্যদের মাশয়ার ভিত্তিতে দিল্লির মারকাজের শূরা সদস্য মাওলানা যোবায়েরুল হাসান আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিজ নিজ গুনাহ্‌ মাফের জন্য মহান আল্লাহতায়ালার রহমত কামনা করে এ মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার ১ম পর্ব।
প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী: প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আখেরি মুনাজাতে শামিল হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মূল বয়ান ও দোয়া মঞ্চের পাশে বসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানের, বাটা শু ফাক্টরির ছাদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র এবং এটলাস হোন্ডা কারখানার ছাদে বিশেষভাবে তৈরী মঞ্চে বসে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র আখেরি মুনাজাতে অংশ নেয়ার জন্যে প্রস্তুতি রয়েছে প্রশাসনের। তবে শেষ পর্যন্ত মুসল্লিদের দুর্ভোগ এড়াতে টঙ্গীর বাটা শু ফ্যাক্টরির ভেতরে প্রধানমন্ত্রীর না আসার সম্ভাবনাই রয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের ছাদে কিংবা উত্তরার পলওয়েল মার্কেটের ৯ তলার ছাদে বসে কিছুক্ষণ বয়ান শোনা এবং আখেরি মোনাজাতে শরিক হওয়ার জন্যও তার প্রস্তুতি রয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে ।
শনিবার বয়ান করেন যারা: বিশ্ব ইজতেমা মাঠে শনিবার সমবেত মুসল্লিদের উদ্দেশে দেশী-বিদেশী ইজতেমার শীর্ষ মুরব্বিরা বয়ান করেছেন। শনিবার বাদ ফজর বয়ান করেন দিল্লির মাওলানা শওকত হোসেন, বাদ জোহর বয়ান পেশ করেন মাওলানা মিয়াজী আজমত। বয়ানে দ্বীন ও দুনিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। বাদ আসর বয়ান করেন দিল্লির মাওলানা যোবায়েরুল হাসান। শুক্রবার বাদ আছর বয়ান করেন দিল্লির মাওলানা যোবায়েরুল হাসান, বাদ মাগরিব দিল্লির মাওলানা সা’দ। আর শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত একটানা বয়ান চলে। এরপর এশার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
শতাধিক যৌতুকবিহীন বিয়ে: আখেরি মুনাজাতের আগের দিন বিকালে শতাধিক যৌতুকবিহীন বিয়ে হয় বিশ্ব ইজতেমায়। ইজতেমার রেওয়াজ অনুসারে এখানে প্রতি বছর দ্বিতীয় দিন বাদ আসর বিয়ের আসর বসে। অভিভাবকরা আগেই নবদম্পতিদের নাম তালিকাভুক্ত করেন। প্রতিবারের মতো ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে শনিবার বিকালে ইজতেমাস্থলে হযরত ফাতেমা (রাঃ) ও হযরত আলীর (রাঃ) বিয়ের দেনমোহর অনুসারে যৌতুকবিহীন বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে বাদ আসর দিল্লির মাওলানা যোবায়েরুল হাসান বয়ান করেন। বয়ান শেষে এই সব বর-কনের অভিভাবকদের সম্মতিতে বরের উপস্থিতিতে বিয়ে পড়ানো হয়। বিয়ের পর মূল মঞ্চ থেকে মোনাজাতের মাধ্যমে নব দম্পতিদের সুখী সংসার কামনা করা হয়। বিয়ে শেষে উপস্থিত দম্পতিদের স্বজন ও মুসল্লিদের মধ্যে খোরমা-খেজুর বিতরণ করা হয়। বিয়েতে মোহর ধার্য করা হয় ‘মোহর ফাতেমী’র নিয়মানুযায়ী।
আরও এক মুসল্লির মৃত্যু: ইজতেমায় আগত আর এক মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। শামসুল হক (৬০) নামের ওই মুসল্লির বাড়ি নরসিংদীর বড়চর গ্রামে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সামছুল হক হঠাৎ করে ঠাণ্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তার সহকর্মীরা তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে গত দুই দিনে চার মুসল্লি মারা গেলেন। এদিকে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবায় প্রতিবারের ন্যায় এবারও ৪৫টি অস্থায়ী স্বাস্থ্য ক্যাম্প মুসল্লিদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। হামদর্দ, ইব্‌নে সিনাসহ বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুসল্লিরা সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করছেন। বিশ্ব ইজতেমায় এসে শনিবার দুপুর পর্যন্ত ডায়রিয়া, আমাশয়, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, সর্দিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ২৯ জন মুসল্লি ভর্তি রয়েছেন। টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ইসমাইল হোসেন সিরাজী জানান, ইজতেমা উপলক্ষে এ পর্যন্ত ৮৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার নতুন করে আরও ১২জন রোগী ভর্তি হন। তিনি আরও জানান, শনিবার পর্যন্ত ৩৫৮৫ জন রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ইজতেমা ময়দানে পানির সঙ্কট: বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আগত মুসল্লিদের ওজু-গোসল, রান্না-বান্নাসহ নানা প্রয়োজন মেটাতে পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে । টয়লেট, ওজুুখানা ও গোসলখানা নির্মাণ করা হয়েছে। এসব সুবিধা বাড়ানো হলেও পানিসহ নানা সঙ্কটে পড়ছেন মুসল্লিরা। তাই তারা বাইরে থেকে পানি কিনে তাদের দৈনন্দিন কাজ-কর্ম সারছেন। অনেকেই গোসল না করে থাকছেন। আবার কেউ বাইরে থেকে টাকা খরচ করে প্রয়োজন মেটাচ্ছেন। অনেকেই ময়লা পানি দিয়েও রান্না-বান্না সারছেন বলে মুসল্লিরা জানান। জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. নূরুজ্জামান জানান, এবার পানি উৎপাদন ও সরবরাহ আরও বাড়ানো হয়েছে। এক সঙ্গে মুসল্লিরা গোসল করতে গেলে হয়তো চাপ বেড়ে যাচ্ছে। হিসাবের চেয়ে ইজতেমার মুসল্লির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিন ওজুু-গোসলসহ দৈনন্দিন কাজের জন্য যে পরিমাণ পানি উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে তা দিয়ে তাদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোস্তফা জানান, এবার ইজতেমা মাঠে ১২টি উৎপাদক নলকূপের মাধ্যমে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ কোটি লিটার পানি উৎপাদন ও সরবরাহ করছে। এছাড়া পানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও বিগত বছরে নির্মাণ করা দোতলা টয়লেটগুলো এবার সম্প্রসারণ করে তেতলা করা হয়েছে। বর্তমানে ১৩টি টয়লেট বিল্ডিংএ টয়লেটের সংখ্যা ২৮৩৪টি। বিদেশী মেহমানদের জন্য গোসলখানার সংখ্যা ১২৪টি। প্রতিটিতে একসঙ্গে গোসল করতে পারবে ১০০ জন। ওজুু খানা রয়েছে ৩২টি। যেগুলোতে একসঙ্গে ওযু করতে পারবেন ১০০ জন মুসল্লি। এত সব আয়োজনের পর পানির সঙ্কট রয়েছে তা মানতে নারাজ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: গাজীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের বিভিন্ন হোটেল রেস্তরাঁ ও হাইওয়েতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। গত দুই দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ভেজাল বিরোধী আইন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২৬টি মামলা ও ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫শ’ টাকা জরিমানা করেন। এতে ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পালাক্রমে দায়িত্বপালন করছেন।
মহিলাদের ভিড়: বিশ্ব ইজতেমায় মহিলাদের অংশগ্রহণ ও অবস্থানের কোন সুযোগ নেই। ইজতেমায় আসার ব্যাপারে আয়োজক কর্তৃপক্ষের নিষেধ রয়েছে। তারপরও আখেরি মুনাজাতে অংশ নিতে ইজতেমা মাঠের বাইরে বিশেষ করে তুরাগ নদীর পশ্চিম পাড়ে দূর-দূরান্ত থেকে এসে হাজার হাজার মহিলা অবস্থান নিয়েছেন। তাদের অনেকেই ঠাঁই নিয়েছেন খোলা আকাশের নিচে ।
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে ৬ মুসল্লি: টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় এসে অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন ৬ মুসল্লি। নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ও পান করিয়ে এদের নগদ টাকা ও মোবাইলসহ অন্যান্য মালামাল হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। পথচারীরা এদেরকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল ও উত্তরার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
অস্থায়ী দোকানপাট: ইজতেমায় আগত বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সুবিধার্থে ইজতেমা ময়দান ও আশেপাশের এলাকায় বসেছে অস্থায়ী দোকান। এসব মওসুমি দোকানে বিক্রি হচ্ছে টুপি, জায়নামাজ, তসবিহ্‌সহ নানা ধর্মীয় উপকরণ। রয়েছে সারি সারি ধর্মীয় বইয়ের দোকান। জায়নামাজ ব্যবসায়ী রশিদ জানালেন, বিপুল লোক সমাগমের কারণে তাদের বেচা বিক্রি ভাল। গড়ে প্রতিটি জায়নামাজ ৫৫০ টাকা থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি জানান. ইজতেমায় লোকসমাগম বেশি হওয়ায় তারা পাইকারি দামেই এসব বিক্রি করছেন। এমদাদিয়া লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষসহ বেশ কয়েকটি বইয়ের স্টল বসেছে ইজতেমার আশেপাশে। এখানেও বিভিন্ন বয়সী লোকজনের বেশ ভিড় দেখা গেছে। এছাড়া বদনায় করে বিক্রি হচ্ছে ওজুু ও গোসলের পানি। প্রতি বদনা পানির দাম নেয়া হচ্ছে ২-৩ টাকা।
কম্বলের দাম চড়া: এবারের ইজতেমার মাঠে সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয়েছে শীতের কম্বল। এ বছর শীত আর ঘন কুয়াশা বেশি থাকায় এ বেচাকেনা বেশ ভাল হয়েছে। তবে অন্যান্য বছরের চেয়ে কয়েক গুণ দাম বেশি। মুসল্লিরা জানান, গত বছর যে কম্বলের দাম ছিল ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা সেটি এ বছর ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে।
গাড়ি পার্কিং: বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে মুসল্লিদের নিরাপদ যাতায়াত এবং সুষ্ঠু যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে ১১ই জানুয়ারি থেকে ১৩ই জানুয়ারি ১ম পর্বের আখেরি মুনাজাতের দিন পর্যন্ত এবং ১৮ই জানুয়ারি থেকে ২০শে জানুয়ারি ২য় পর্বের আখেরি মুনাজাতের দিন পর্যন্ত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ট্রাফিক পুলিশ বিভাগ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। উল্লিখিত সময়ে সুষ্ঠু যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জন্য ধৌর ব্রিজ হতে আবদুল্লাহপুর হয়ে প্রগতি সরণি ও টঙ্গী ব্রিজ থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত বিমান যাত্রী, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও এম্বুলেন্স ছাড়া সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এ সময় নরসিংদীর ঘোড়াশাল থেকে কালীগঞ্জ-পুবাইল হয়ে আগত যানবাহন টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনের পূর্বে মরকুন (কে-২) পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকে ঘোড়াশালগামী যানবাহন ওই রাস্তার পরিবর্তে কাঁচপুর-যাত্রাবাড়ী সড়কে চলাচল করতে পারবে। ইজতেমায় আগত মুসল্লি ও উত্তরার অধিবাসীদের গাড়ি ছাড়া অন্য সকল যানবাহন বিমান বন্দর সড়কের পরিবর্তে মিরপুর-সাভার সড়ক দিয়ে চলাচল করবে। ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের যানবাহন সাধারণ পার্কিংয়ের জন্য নিকুঞ্জ-১ আবাসিক এলাকা, উত্তরা ৬নং সেক্টর ও রাজউক কলেজের আশপাশের খালি জায়গা, বরিশাল বিভাগের গাড়ি ধৌর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ও উত্তরার ১৮নং সেক্টর, সিলেট বিভাগের গাড়ি উত্তরা ১২ নং সেক্টর, ঢাকা বিভাগের গাড়ি সোনারগাঁও সড়ক ও জনপথ সড়কের পূর্ব-পশ্চিম প্রান্ত, খুলনা বিভাগ উত্তরা ১০, ১১ ও ১৮নং সেক্টর, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ প্রত্যাশা হাউজিং, চট্টগ্রাম বিভাগ উত্তরার ১৩ নং সেক্টর, রাজশাহী বিভাগ কামারপাড়া হাউজিং মাঠ এবং উত্তরার ১০ নং সেক্টরের খালি জায়গায় যানবাহন পার্কিং করা যাবে। এছাড়া গাজীপুর জেলায় কে-২ ফ্যাক্টরি, কাদেরিয়া টেক্সটাইল মিল ও সংলগ্ন এলাকা, মেঘনা টেক্সটাইল মিল সংলগ্ন রাস্তা, সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী মাঠ, চান্দনা চৌরাস্তা ট্রাক টার্মিনাল, চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ মাঠ এবং ঢাকা জেলার গাড়ি আশুলিয়া কলেজ ও স্কুল মাঠে পার্কিং করা যাবে।

No comments:

Post a Comment