শেষ পর্যন্ত ইনিংস ব্যবধানেই ভারতের কাছে দুই টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে হারল
সফরকারী নিউজিল্যান্ড। কেবলমাত্র বৃষ্টি অথবা কিউই ব্যাটসম্যানদের
অতিমানবীয় ইনিংসই এই টেস্টে পরাজয়ের লজ্জা থেকে বাঁচাতে পারত সফরকারীদের।
কিন্তু এর কোনোটাই ঘটেনি। কিউইদের বিপক্ষে রবিচন্দ্রন অশ্বিন করেছেন
ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। প্রথম ইনিংসে ছয় উইকেট নেবার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও
নিউজিল্যান্ডের ছয়জন ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান এই স্পিনার। তার
ঘূর্ণিবলে ইনিংস এবং ১১৫ রানের জয় নিয়ে দুই টেস্ট সিরিজে ভারত এগিয়ে গেল
১-০ ব্যবধানে।
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামে। মাত্র ২৬ রানে শেষ সাতটি উইকেটের পতন ঘটলে সফরকারীদের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় ১৬৪ রানে। চা বিরতির সামান্য পরেই একদিনেরও বেশি সময় বাকি থাকতে জয় পায় ভারত।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অশ্বিনের বোলিংটাই একজন ভারতীয়র সেরা রেকর্ড। তিনি ৮৫ রানের বিনিময়ে ১২টি উইকেট শিকার করেন। তার আগের সেরা বোলিং ফিগার ছিল এস ভেংকটরাঘবনের। তিনি ১৪০ রানে সমসংখ্যক উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন।
প্রথম ইনিংসে ৩১ রানে ছয় উইকেট শিকার করা তামিলনাড়ুর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে শিকার করেন ছয় উইকেট। আরেক স্পিনার প্রজ্ঞান ওঝাও প্রথম ইনিংসে শিকারের সমানসংখ্যক উইকেট দ্বিতীয় ইনিংসে শিকার করেন।
স্পিনারদের বিপক্ষে কিউই ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতাটা প্রকটভাবে প্রমাণিত হলেও দিনের প্রথম সেশনটায় স্বাগতিক বোলারদের হতাশ করেছিলেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককালাম এবং কেন উইলিয়ামসন।
উমেশ যাদব ভাঙেন ৭২ রানের এই জুটি। এরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে কিউই ব্যাটিং লাইনআপ। টেস্ট ম্যাচের একদিনেরও বেশি সময় বাকি থাকতেই ৩৪.৪ ওভারে নয়টি উইকেটের পতন ঘটে।
চা বিরতির সময়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ছয় উইকেটে ১৪৬ রান। বিরতির পর ২৫ মিনিটের মধ্যে কিউই ব্যাটিং লাইনআপের লেজটা গুটিয়ে দেন দুই স্পিনার।
অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-০ ব্যবধানে পরাজয় এবং রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্মনের অবসরের পর নয় মাসের মধ্যে এটাই ভারতের প্রথম টেস্ট জয়।
ভারতের এই বিশাল জয়ে আম্পায়ারের ভূমিকাও কম নয়। দিনের প্রথম সেশনে কোনো সাফল্য না পাওয়া ভারতীয় শিবির মধ্যাহ্ন বিরতির পর আম্পায়ার স্টিভ ডেভিসের একটা বাজে সিদ্ধান্তে প্রথম সাফল্য পায়। উমেশ যাদবের বল ম্যাককালামের প্যাডে আঘাত করার আগে ব্যাটের কানায় লাগলেও ভারতীয় ফিল্ডারদের আবেদনে সাড়া দেন স্টিভ ডেভিস। প্যাভিলিয়নে ফিরে আসার সময় রাগে এবং অবিশ্বাসে ম্যাককালামকে মাথা নাড়তে দেখা গেছে। ম্যাককালাম এবং উইলিয়ামসন এই দুজনে ৩০.৩ ওভার পর্যন্ত ভারতীয় বোলারদের ঠেকিয়ে রেখেছিলেন।
ম্যাককালামের পর সাত রান করা অধিনায়ক রস টেলর দ্বিতীয় ইনিংসে অশ্বিনের প্রথম শিকারে পরিণত হন। আহমেদাবাদে দুই বছর আগে অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকানো উইলিয়ামসন এবং ফ্লিন একটা বড় পার্টনারশিপ গড়ার পথে এগোচ্ছিলেন। উইলিয়ামসন হাফ সেঞ্চুরি করার পর ধৈর্যহারা হয়ে প্রজ্ঞান ওঝার দ্বিতীয় শিকার হিসেবে বীরেন্দর শেবাগের তালুবন্দি হন।
পরপর দুই ওভারে ফ্লিন এবং জেমস ফ্রাংকলিনকে অশ্বিন ক্রিজছাড়া করলে ভারতের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়াটা হয়ে দাড়ায় সময়ের ব্যাপারমাত্র। অশ্বিনকে খেলাটা ক্রমেই দুঃসাধ্য হয়ে উঠছিল। তিনি ম্যাচে নিজের দশম উইকেট হিসাবে শিকার করেন ভ্যান উইককে।
ম্যাচ জিতলেও ভারতের জন্য একটা দুঃসংবাদ আছে। এই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান চেতেশ্বর পূজারা ফিল্ডিং করার সময়ে ডান হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন। একই স্থানে গত বছর লন্ডনে তার একটা অপারেশন হয়। ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে পূজারা মাঠ ছাড়েন। তিনি আর ফিল্ডিং করতে না নামলেও ইনজুরিটা খুব বড় কিছু নয় বলে জানানো হয়েছে।
প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামে। মাত্র ২৬ রানে শেষ সাতটি উইকেটের পতন ঘটলে সফরকারীদের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় ১৬৪ রানে। চা বিরতির সামান্য পরেই একদিনেরও বেশি সময় বাকি থাকতে জয় পায় ভারত।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অশ্বিনের বোলিংটাই একজন ভারতীয়র সেরা রেকর্ড। তিনি ৮৫ রানের বিনিময়ে ১২টি উইকেট শিকার করেন। তার আগের সেরা বোলিং ফিগার ছিল এস ভেংকটরাঘবনের। তিনি ১৪০ রানে সমসংখ্যক উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন।
প্রথম ইনিংসে ৩১ রানে ছয় উইকেট শিকার করা তামিলনাড়ুর স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে শিকার করেন ছয় উইকেট। আরেক স্পিনার প্রজ্ঞান ওঝাও প্রথম ইনিংসে শিকারের সমানসংখ্যক উইকেট দ্বিতীয় ইনিংসে শিকার করেন।
স্পিনারদের বিপক্ষে কিউই ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতাটা প্রকটভাবে প্রমাণিত হলেও দিনের প্রথম সেশনটায় স্বাগতিক বোলারদের হতাশ করেছিলেন আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন ম্যাককালাম এবং কেন উইলিয়ামসন।
উমেশ যাদব ভাঙেন ৭২ রানের এই জুটি। এরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে কিউই ব্যাটিং লাইনআপ। টেস্ট ম্যাচের একদিনেরও বেশি সময় বাকি থাকতেই ৩৪.৪ ওভারে নয়টি উইকেটের পতন ঘটে।
চা বিরতির সময়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ছয় উইকেটে ১৪৬ রান। বিরতির পর ২৫ মিনিটের মধ্যে কিউই ব্যাটিং লাইনআপের লেজটা গুটিয়ে দেন দুই স্পিনার।
অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-০ ব্যবধানে পরাজয় এবং রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্মনের অবসরের পর নয় মাসের মধ্যে এটাই ভারতের প্রথম টেস্ট জয়।
ভারতের এই বিশাল জয়ে আম্পায়ারের ভূমিকাও কম নয়। দিনের প্রথম সেশনে কোনো সাফল্য না পাওয়া ভারতীয় শিবির মধ্যাহ্ন বিরতির পর আম্পায়ার স্টিভ ডেভিসের একটা বাজে সিদ্ধান্তে প্রথম সাফল্য পায়। উমেশ যাদবের বল ম্যাককালামের প্যাডে আঘাত করার আগে ব্যাটের কানায় লাগলেও ভারতীয় ফিল্ডারদের আবেদনে সাড়া দেন স্টিভ ডেভিস। প্যাভিলিয়নে ফিরে আসার সময় রাগে এবং অবিশ্বাসে ম্যাককালামকে মাথা নাড়তে দেখা গেছে। ম্যাককালাম এবং উইলিয়ামসন এই দুজনে ৩০.৩ ওভার পর্যন্ত ভারতীয় বোলারদের ঠেকিয়ে রেখেছিলেন।
ম্যাককালামের পর সাত রান করা অধিনায়ক রস টেলর দ্বিতীয় ইনিংসে অশ্বিনের প্রথম শিকারে পরিণত হন। আহমেদাবাদে দুই বছর আগে অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকানো উইলিয়ামসন এবং ফ্লিন একটা বড় পার্টনারশিপ গড়ার পথে এগোচ্ছিলেন। উইলিয়ামসন হাফ সেঞ্চুরি করার পর ধৈর্যহারা হয়ে প্রজ্ঞান ওঝার দ্বিতীয় শিকার হিসেবে বীরেন্দর শেবাগের তালুবন্দি হন।
পরপর দুই ওভারে ফ্লিন এবং জেমস ফ্রাংকলিনকে অশ্বিন ক্রিজছাড়া করলে ভারতের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়াটা হয়ে দাড়ায় সময়ের ব্যাপারমাত্র। অশ্বিনকে খেলাটা ক্রমেই দুঃসাধ্য হয়ে উঠছিল। তিনি ম্যাচে নিজের দশম উইকেট হিসাবে শিকার করেন ভ্যান উইককে।
ম্যাচ জিতলেও ভারতের জন্য একটা দুঃসংবাদ আছে। এই ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান চেতেশ্বর পূজারা ফিল্ডিং করার সময়ে ডান হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন। একই স্থানে গত বছর লন্ডনে তার একটা অপারেশন হয়। ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে পূজারা মাঠ ছাড়েন। তিনি আর ফিল্ডিং করতে না নামলেও ইনজুরিটা খুব বড় কিছু নয় বলে জানানো হয়েছে।

No comments:
Post a Comment