Pages

Monday, August 27, 2012

৪১ শতাংশ শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


৪১ শতাংশ শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রহুল হক বলেন, “শিশু পুষ্টি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ সমুহে একটি মারাত্মক সমস্যা। বৈশ্ব্যিক প্রেক্ষাপটে এ অঞ্চলের  শিশুরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ অঞ্চলে ৪১ শতাংশ শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে।”

রোববার মহাখালিস্থ আইসিডিডিআরবি মিলনায়তনে সাউথ এশিয়ান ইনফ্যান্ট রির্সাচ নেটওর্য়াক (এসএআইএফআরএন)’র পাঁচদিন ব্যাপী ৭ম আঞ্চলিক বৈঠকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এসএআইএফআরএন কয়েক দফায় বাংলাদেশ নেপাল, শ্রীলংকা ও ভারতের জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্য জরিপ স্বাস্থ্য জরিপ পরিচালনা করেছে। এতে দেখা যায়, এই চারটি দেশ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সুষম খাদ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় লক্ষ্য মাত্রায় পৌছাতে পারেনি। যা সহস্রাব্দের উন্নয় লক্ষ্য মাত্রা অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এজন্য এসএআইএফআরএন  ক্যাপাসিটি বিল্ডিং উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাতে সম্ভাবনার ক্ষেত্র উন্মোচন হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার মাতৃবান্ধব হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে ছয়’শ হাসপাতালের চার’শ ৯৯টি উন্নত চিকিৎসা সেবার আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনার জন্য ৫০লাখ মার্কিন ডলার বরাব্ধ দেয়া হয়েছে । তিনি দক্ষিণ এশিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণারত সংস্থাগুলোর উদ্দেশ্য বলেন, শিশু স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক গবেষণালব্ধ জ্ঞান নিজ নিজ দেশের সরকার ও অন্যদেশে বিজ্ঞানীদের সঙ্গে শেয়ার করতে হবে। 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজে ভর্তি ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের অপেক্ষা রয়েছি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রবনতা আশাতীত হারে বাড়ছে। এটা একটি সুখবর। ২০০৭ সালে ৪৩শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১১সালে ৬৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটা ক্রমেই বেড়ে চলছে। পুষ্টিহীনতা সর্ম্পকে বলা হয়, ২০০৭ সালের ৪৩ শতাংশ থেকে কিছুটা হ্রাস পেয়ে ২০১১ সালে ৩৯ শতাংশে নেমেছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা.মজিবুর রহমান ফকির ও ঢাকায় নিযুক্ত অষ্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার গ্রেগ উইলকক। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলংকার বিজ্ঞানী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

No comments:

Post a Comment