বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা বলছে, জনশক্তি রফতানির
সবচেয়ে বড় বাজার, সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করে
দিয়েছে।
তারা বলছেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে সে দেশের কর্মকর্তারা বায়রার সদস্যদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে আপাতত আর নতুন কর্মী নেয়া হবে না।
তবে বাংলাদেশ সরকার বলছে, এরকম কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
এখনো পঞ্চাশ হাজার নতুন কর্মীর পাঠানোর অনুরোধ রয়েছে জনশক্তি রফতানিকারকদের কাছে। কিন্তু এদের ভিসা দেয়া হচ্ছে না বলে তারা জানিয়েছেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে তিন থেকে চার লাখ কর্মী আরব আমিরাতে পাঠানো হলেও জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা বলছে, সেখানে নতুন করে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
দেশটির কর্মকর্তারা তাদের এমনটাই জানিয়েছেন বলে বলছেন বায়রার মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী।
“গত দুদিনে আমরা যতটুকু জেনেছি, তা হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে আর শ্রমিক নেবে না বলে আমাদের সদস্যদের জানিয়েছে”, আলী হায়দার চৌধুরী বলেন।
“ওখানকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং দূতাবাসের মাধ্যমেও আমরা জানতে পেরেছি, তারা যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি, তবে এটা আসলে অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে যে, তারা আর বাংলাদেশ থেকে লোক নেবে না। তারা নতুন ভিসা দিচ্ছে না। পাসপোর্ট এবং অন্যান্য কাগজপত্রও গ্রহণ করছে না।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একেকটি রাজ্যে এখন পনের লাখের বেশি বাংলাদেশী কর্মী কাজ করছেন। বায়রা বলছে, এই কর্মীদের ভিসার নবায়নও করা হচ্ছে না।
এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বাংলাদেশে সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট খোয়া যাওয়া, রোহিঙ্গা ইস্যু আর সেখানে কিছু বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে এই ঘটনা ঘটছে।
সৌদি আরবের বাজার সীমিত হয়ে যাবার পর আরব আমিরাত বিদেশগামী কর্মীদের একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। কিন্তু সেখানেও কর্মী নিয়োগ বন্ধ হলে তা বাংলাদেশের জন্যে অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে উঠবে বলে বলছেন বায়রার কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার ছিল সৌদি আরব। তারা এখন মোট শ্রমিক চাহিদার মাত্র ২/৩ ভাগ বাংলাদেশ থেকে নিচ্ছে, আলী হায়দার চৌধুরী বলেন।
তিনি বলেন, “এখন সবচেয়ে বড় বাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেটা বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশের জন্যে বড় ক্ষতির কারণ হবে। তাহলে দেশের বাইরে শ্রমিক রফতানি অনেক কমে আসবে।”
তবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন, বাংলাদেশ থেকে যে আরব আমিরাতে আর কর্মী নেয়া হবে না, এরকম কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
তিনি বলছেন, যেকোনো দেশেই তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে কর্মী নিয়োগের কমবেশি হতে পারে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
“আমি এখনো এই বিষয়ে কোনো কিছু জানি না। আমাদের কাছে সরকারিভাবে কোনো খবর আসেনি”, মন্ত্রী বলেন।
তিনি বলেন, “আরব আমিরাতেরও আমাদের দেশ থেকে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করার কোনো কারণ নেই। তাদের সঙ্গে তো আমাদের কোনো মন কষাকষি নেই।”
মন্ত্রী বলছেন, কোনো কোনো সময়ে বিদেশে কর্মী নিয়োগ অনেক বেড়ে যায়। আবার কখনো এটা কমে আসে। তিনি মনে করেন না, এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার দরকার আছে।
ভিসার নবায়ন প্রসঙ্গে বায়রার মহাসচিব বলেন‚ অনেকে বলেন ভিসা নবায়ন করা হচ্ছে না। কিন্তু এদের অনেকেই সেখানে গিয়েছেন স্বল্পমেয়াদী ভিসায়। সেটা তো নবায়ন করা না করা সেই দেশের ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কিছু করার নেই।
তবে জনশক্তি রফতানিকারকরা বলছেন, কারণ যাই হোক না কেন, এই বাজারটি বন্ধ হয়ে গেলে তা দেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক আয়ের উৎস এই খাতের জন্যে অনেক বড় সমস্যার তৈরি করবে।
তাই তারা মনে করেন সে দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশ সরকারের ব্যবস্থা নেয়া দরকার। সূত্র: বিবিসি
তারা বলছেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে সে দেশের কর্মকর্তারা বায়রার সদস্যদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে আপাতত আর নতুন কর্মী নেয়া হবে না।
তবে বাংলাদেশ সরকার বলছে, এরকম কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
এখনো পঞ্চাশ হাজার নতুন কর্মীর পাঠানোর অনুরোধ রয়েছে জনশক্তি রফতানিকারকদের কাছে। কিন্তু এদের ভিসা দেয়া হচ্ছে না বলে তারা জানিয়েছেন।
প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে তিন থেকে চার লাখ কর্মী আরব আমিরাতে পাঠানো হলেও জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রা বলছে, সেখানে নতুন করে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
দেশটির কর্মকর্তারা তাদের এমনটাই জানিয়েছেন বলে বলছেন বায়রার মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী।
“গত দুদিনে আমরা যতটুকু জেনেছি, তা হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশ থেকে আর শ্রমিক নেবে না বলে আমাদের সদস্যদের জানিয়েছে”, আলী হায়দার চৌধুরী বলেন।
“ওখানকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং দূতাবাসের মাধ্যমেও আমরা জানতে পেরেছি, তারা যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি, তবে এটা আসলে অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে যে, তারা আর বাংলাদেশ থেকে লোক নেবে না। তারা নতুন ভিসা দিচ্ছে না। পাসপোর্ট এবং অন্যান্য কাগজপত্রও গ্রহণ করছে না।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একেকটি রাজ্যে এখন পনের লাখের বেশি বাংলাদেশী কর্মী কাজ করছেন। বায়রা বলছে, এই কর্মীদের ভিসার নবায়নও করা হচ্ছে না।
এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বাংলাদেশে সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট খোয়া যাওয়া, রোহিঙ্গা ইস্যু আর সেখানে কিছু বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে এই ঘটনা ঘটছে।
সৌদি আরবের বাজার সীমিত হয়ে যাবার পর আরব আমিরাত বিদেশগামী কর্মীদের একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। কিন্তু সেখানেও কর্মী নিয়োগ বন্ধ হলে তা বাংলাদেশের জন্যে অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে উঠবে বলে বলছেন বায়রার কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার ছিল সৌদি আরব। তারা এখন মোট শ্রমিক চাহিদার মাত্র ২/৩ ভাগ বাংলাদেশ থেকে নিচ্ছে, আলী হায়দার চৌধুরী বলেন।
তিনি বলেন, “এখন সবচেয়ে বড় বাজার সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেটা বন্ধ হয়ে গেলে বাংলাদেশের জন্যে বড় ক্ষতির কারণ হবে। তাহলে দেশের বাইরে শ্রমিক রফতানি অনেক কমে আসবে।”
তবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলছেন, বাংলাদেশ থেকে যে আরব আমিরাতে আর কর্মী নেয়া হবে না, এরকম কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
তিনি বলছেন, যেকোনো দেশেই তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে কর্মী নিয়োগের কমবেশি হতে পারে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
“আমি এখনো এই বিষয়ে কোনো কিছু জানি না। আমাদের কাছে সরকারিভাবে কোনো খবর আসেনি”, মন্ত্রী বলেন।
তিনি বলেন, “আরব আমিরাতেরও আমাদের দেশ থেকে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করার কোনো কারণ নেই। তাদের সঙ্গে তো আমাদের কোনো মন কষাকষি নেই।”
মন্ত্রী বলছেন, কোনো কোনো সময়ে বিদেশে কর্মী নিয়োগ অনেক বেড়ে যায়। আবার কখনো এটা কমে আসে। তিনি মনে করেন না, এটা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার দরকার আছে।
ভিসার নবায়ন প্রসঙ্গে বায়রার মহাসচিব বলেন‚ অনেকে বলেন ভিসা নবায়ন করা হচ্ছে না। কিন্তু এদের অনেকেই সেখানে গিয়েছেন স্বল্পমেয়াদী ভিসায়। সেটা তো নবায়ন করা না করা সেই দেশের ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কিছু করার নেই।
তবে জনশক্তি রফতানিকারকরা বলছেন, কারণ যাই হোক না কেন, এই বাজারটি বন্ধ হয়ে গেলে তা দেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক আয়ের উৎস এই খাতের জন্যে অনেক বড় সমস্যার তৈরি করবে।
তাই তারা মনে করেন সে দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশ সরকারের ব্যবস্থা নেয়া দরকার। সূত্র: বিবিসি

No comments:
Post a Comment