আজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে দ্বিতীয় ইন্টারনেট ব্যাকআপ সংযোগ
আজ সোমবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে নেটিজেনদের আরাধ্য দ্বিতীয়
ইন্টারনেট ব্যাকআপ সংযোগ। সমুদ্রতলদেশের পর এবার এই সংযোগ রচিত হচ্ছে
স্থলপথে। ভারত-বাংলাদেশ এর মধ্যবর্তী সীমান্ত পথ বেনাপোল দিয়ে আগামী মাসেই
আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ।
বাংলাদেশের পক্ষে স্থলপথ ইন্টারনেট সংযোগের এই কারিগরি কাজ করছে ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন (বিডি) লিমিটেড। আর অপরপ্রান্তে রয়েছে ভারতীয় ক্যাবল কোম্পানি টাটা কমিউনিকেশন। গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে উভয় কোম্পানির মধ্যে একটি চুক্তিও হয়েছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন (বিডি) লিমিটেড নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মাদ হেলাল জানান, ইতিমধ্যেই বেনাপোল দিয়ে ক্যাবল সংযোগের কাজ শেষ হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে এসটিএম-৬৪ পয়েন্ট। সোমবার থেকে সংযোগটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। আর সব ঠিকঠাক থাকলে সেপ্টেম্বরের শেষদিকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আইটিসির মাধ্যমে ভয়েস, ভিডিও এবং তথ্য সেবা একত্রিত ভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, দ্বিতীয় এই ইন্টারনেট ক্যাবল সংযোগে সর্বোচ্চ প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবিট সমর্থন করবে।
একই বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ জানান, ‘কল সেন্টারগুলোর জন্য দেশের একমাত্র সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যাকআপ অত্যন্ত জরুরী হয়ে গিয়েছিল। ইন্টারনেটের এই স্থলপথ সংযোগটি নিঃসন্দেহে সময়োপোযোগী ও যুগান্তকারী। এর ফলে দেশে ব্যান্ডউইথ মূল্যের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে দেশের কল সেন্টারের জন্য। একইসাথে দেশের ব্যান্ডইউথের দাম কিছু কমে যাবে।’
এদিকে বিটিআরসি সম্প্রতি আইসিটি কোম্পানিগুলোকে ভারত, নেপাল, ভুটান ও মায়ানমারের মত পার্শ্ববর্তী দেশে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করার অনুমোদন প্রদান করেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তা।
অপরদিকে গত এপ্রিলে ভারত সরকার বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ত্রিপুরা এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে সংযোগ দেবার জন্য 'ভার্চুয়াল ট্রানজিট' সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এর টেলিযোগাযোগ সেবা এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন তারের মাধ্যমে বিশ্বের সাথে সংযুক্ত ছিল। ফলে সি-মি-উই ৪ এ কোনো সমস্যা দেখা দিলেই দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থায় ধ্বস নামত।
এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সাবমেরিন ক্যাবলের পাশাপাশি ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে আইটিসি লাইসেন্স দেয়া হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে স্থলপথ ইন্টারনেট সংযোগের এই কারিগরি কাজ করছে ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন (বিডি) লিমিটেড। আর অপরপ্রান্তে রয়েছে ভারতীয় ক্যাবল কোম্পানি টাটা কমিউনিকেশন। গত আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে উভয় কোম্পানির মধ্যে একটি চুক্তিও হয়েছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন (বিডি) লিমিটেড নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মাদ হেলাল জানান, ইতিমধ্যেই বেনাপোল দিয়ে ক্যাবল সংযোগের কাজ শেষ হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে এসটিএম-৬৪ পয়েন্ট। সোমবার থেকে সংযোগটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। আর সব ঠিকঠাক থাকলে সেপ্টেম্বরের শেষদিকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
আইটিসির মাধ্যমে ভয়েস, ভিডিও এবং তথ্য সেবা একত্রিত ভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, দ্বিতীয় এই ইন্টারনেট ক্যাবল সংযোগে সর্বোচ্চ প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবিট সমর্থন করবে।
একই বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ জানান, ‘কল সেন্টারগুলোর জন্য দেশের একমাত্র সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যাকআপ অত্যন্ত জরুরী হয়ে গিয়েছিল। ইন্টারনেটের এই স্থলপথ সংযোগটি নিঃসন্দেহে সময়োপোযোগী ও যুগান্তকারী। এর ফলে দেশে ব্যান্ডউইথ মূল্যের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে দেশের কল সেন্টারের জন্য। একইসাথে দেশের ব্যান্ডইউথের দাম কিছু কমে যাবে।’
এদিকে বিটিআরসি সম্প্রতি আইসিটি কোম্পানিগুলোকে ভারত, নেপাল, ভুটান ও মায়ানমারের মত পার্শ্ববর্তী দেশে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করার অনুমোদন প্রদান করেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তা।
অপরদিকে গত এপ্রিলে ভারত সরকার বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ত্রিপুরা এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে সংযোগ দেবার জন্য 'ভার্চুয়াল ট্রানজিট' সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ এর টেলিযোগাযোগ সেবা এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন তারের মাধ্যমে বিশ্বের সাথে সংযুক্ত ছিল। ফলে সি-মি-উই ৪ এ কোনো সমস্যা দেখা দিলেই দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থায় ধ্বস নামত।
এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সাবমেরিন ক্যাবলের পাশাপাশি ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল (আইটিসি) সাথে সংযুক্ত হওয়ার জন্য ফেব্রুয়ারি মাসে আইটিসি লাইসেন্স দেয়া হয়।
No comments:
Post a Comment