অন্তহীন এক রেস
রেস-এ একবার নামলে কি আর পিছিয়ে আসা যায়? যায় না। সেটাই তো স্বাভাবিক। তখন
থেমে যাওয়ার ফুরসত কোথায়? আর থেমে যাওয়া মানে তো তখন হেরে যাওয়া। নীল
রক্তের কোনো জাতকের পক্ষে রেস-এ থেমে যাওয়া আর সম্মান খোওয়ানো তাই একই
ব্যাপার।
পাশাপাশি, আরেকটা দিকও আছে অন্তহীন রেস-এর! রেস-এ এগিয়ে থাকার জন্য একবার দু’হাতে রক্ত মাখলে ধুয়ে ফেললেও সেই দাগ যায় না। তখন শোণিতে তর্পণই একমাত্র পথ ও পন্থা। কাজে কাজেই প্রথমবার রেস-এ জিতে গিয়ে সাইফ আলি খান যে আবার ফিরে আসবেন প্রতিযোগিতায় হিস্যা নিতে- তাতে আর আশ্চর্য কি?
আশ্চর্য এখানে নয়। স্বাভাবিক নিয়মেই যে ছবি ভালো ব্যবসার মুখ দেখিয়েছে, তার সিক্যুয়েল বানিয়ে আরো মুনাফা ঘরে তোলার একটা চাহিদা তো থাকেই। চাপও থাকে অবশ্য প্রযোজক এবং ভক্তদের। সেই দাবি মেনে নিয়ে সেফ খেলার জন্য সাইফ আগ্রহ দেখাতেই পারেন আব্বাস-মস্তানের ‘রেস ২’ ছবি নিয়ে। আশ্চর্যের ব্যাপারটা হলো- নানান পরিকল্পনা করে করেও কিছুতেই ঠিক হচ্ছে না ‘রেস ২’-এর অভিনেতা তালিকা।
‘রেস’ ছবি যখন দুর্দান্তভাবে বাণিজ্যিক সাফল্য পেল, লোকের মুখে মুখে যখন ‘রেস’ ছবির ট্যুইস্ট ও টার্ণের কথা, সাইফ-বিপাশার ধোঁওয়া-ওঠা শরীর রসায়নের কথা- তখনই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে গিয়েছিল যে, বাজারে এরপর দাখিল হবে সিক্যুয়েল ছবি। রণবীর সিং ওরফে সাইফ, ইন্সপেক্টর রবার্ট ডি’কস্টা ওরফে অনিল কাপূর- প্রধান এই দুই চরিত্রকে সিক্যুয়েলে ছেঁটে ফেলার কোনো মানেই হয় না। তাছাড়া এই চরিত্রদুটোই তো ‘রেস’ ছবির ভরকেন্দ্র। অতএব, তারা সগৌরবে থাকলেন। কিন্তু ভারতীয় সিক্যুয়েলের হিসাব মেনে বাদ গেল দুটো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
এখন, ভারতীয় সিক্যুয়েল কারে কয়? যে সিক্যুয়েল ছবির শুধু নাম এবং নায়ক এক; বাদ বাকি পুরোটাই নয়া- তাই ভারতীয় সিক্যুয়েল। আর এই হিসেবে সবসময়েই চোটটা গিয়ে পড়ে নায়িকাদের ওপর। ভারতীয় বাণিজ্যিক ছবির নায়িকারা এখনও নেহাত লীলাসহচরী; তাতে যত নতুনত্ব আসে, ততই তো ভালো। ফলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও সিক্যুয়েলে বদলে যাচ্ছে রণবীর আর ডি’কস্টার নারীরা।
ডি’কস্টার বিপরীতে গেল বার সামীরা রেড্ডিকে দেখা গেলেও এবারে সেই জায়গায় আসছেন আমিশা প্যাটেল। বেশ কথা। জামার মতো নারী বদলানো ডি’কস্টার স্বভাব; কাজেই এতে তেমন ক্ষতি নেই। কিন্তু সনিয়া? রণবীরের প্রেম? বিপাশা বসু ছাড়া সিক্যুয়েল হলেও রেস জমতে পারে নাকি?
জমতে পারে না বলেই ‘রেস ২’ ছবিতে কেবলমাত্র দুটি-একটি দৃশ্যে মুখ দেখিয়েই বিদায় নেবেন বিপাশা। আর তাঁর জায়গায় শরীর দেখাবেন দীপিকা পাড়ুকোন। সেই কৃষ্ণাঙ্গ সুন্দরী, শুধু ভাইটালস্ট্যাটিস্টিকে তফাত! তাছাড়া বেশ কয়েকটি ছবির দৌলতে এখন সাইফ-দীপিকা জনপ্রিয় জুটি; কাজেই কারিনা আর প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে টপকে এই ছবিতে সাইফের নায়িকা হচ্ছেন দীপিকা। আর সাইফের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এই ছবিতে সম্ভবত দেখা যেতে পারে জন আব্রাহামকে।
কিন্তু ‘রেস’ ছবিতে এক শ্বেতাঙ্গিনী সুন্দরীও তো থাকতে বাধ্য ফর্মুলা মেনে! ক্যাটরিনা কাইফের জায়গায় সিক্যুয়েলে সেই জায়গা ভরাট করবেন কে? কানাঘুঁষোয় শোনা যাচ্ছে, এবারে সেই জায়গায় এন্ট্রি নিচ্ছেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। তবে এ নেহাতই সম্ভাবনা মাত্র; পাকা কথার এখনও ঢের দেরি।
বোঝাই যাচ্ছে, আগের বারেরটা হিট হয়ে যাওয়ায় এইবার ‘রেস ২’ নিয়ে প্রত্যাশার পারদ ভালোমতো উপরের দিকে! তাই হয়তো অভিনেতা বাছাইয়ে এত খুঁতখুঁতানি; বারবার এগিয়ে-পিছিয়ে আসা। এদিকে ছবি মুক্তির সম্ভাব্য তারিখ তো ঠিক করা হয়েছে ২০১৩ সালের ২৫ জানুয়ারি! সে তো এসে গেল বলে! এর মাঝে ছবি তৈরি হয়ে যাবে তো? না গেলেও ভরপুর মশলা ছবির জন্য দর্শক যে অপেক্ষা করতে করতে বিরক্ত হবেন না, তা তো পরিচালক-প্রযোজকের হেলদোলই বলে দিচ্ছে। সূত্র: ওয়েবসাইট।
পাশাপাশি, আরেকটা দিকও আছে অন্তহীন রেস-এর! রেস-এ এগিয়ে থাকার জন্য একবার দু’হাতে রক্ত মাখলে ধুয়ে ফেললেও সেই দাগ যায় না। তখন শোণিতে তর্পণই একমাত্র পথ ও পন্থা। কাজে কাজেই প্রথমবার রেস-এ জিতে গিয়ে সাইফ আলি খান যে আবার ফিরে আসবেন প্রতিযোগিতায় হিস্যা নিতে- তাতে আর আশ্চর্য কি?
আশ্চর্য এখানে নয়। স্বাভাবিক নিয়মেই যে ছবি ভালো ব্যবসার মুখ দেখিয়েছে, তার সিক্যুয়েল বানিয়ে আরো মুনাফা ঘরে তোলার একটা চাহিদা তো থাকেই। চাপও থাকে অবশ্য প্রযোজক এবং ভক্তদের। সেই দাবি মেনে নিয়ে সেফ খেলার জন্য সাইফ আগ্রহ দেখাতেই পারেন আব্বাস-মস্তানের ‘রেস ২’ ছবি নিয়ে। আশ্চর্যের ব্যাপারটা হলো- নানান পরিকল্পনা করে করেও কিছুতেই ঠিক হচ্ছে না ‘রেস ২’-এর অভিনেতা তালিকা।
‘রেস’ ছবি যখন দুর্দান্তভাবে বাণিজ্যিক সাফল্য পেল, লোকের মুখে মুখে যখন ‘রেস’ ছবির ট্যুইস্ট ও টার্ণের কথা, সাইফ-বিপাশার ধোঁওয়া-ওঠা শরীর রসায়নের কথা- তখনই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে গিয়েছিল যে, বাজারে এরপর দাখিল হবে সিক্যুয়েল ছবি। রণবীর সিং ওরফে সাইফ, ইন্সপেক্টর রবার্ট ডি’কস্টা ওরফে অনিল কাপূর- প্রধান এই দুই চরিত্রকে সিক্যুয়েলে ছেঁটে ফেলার কোনো মানেই হয় না। তাছাড়া এই চরিত্রদুটোই তো ‘রেস’ ছবির ভরকেন্দ্র। অতএব, তারা সগৌরবে থাকলেন। কিন্তু ভারতীয় সিক্যুয়েলের হিসাব মেনে বাদ গেল দুটো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
এখন, ভারতীয় সিক্যুয়েল কারে কয়? যে সিক্যুয়েল ছবির শুধু নাম এবং নায়ক এক; বাদ বাকি পুরোটাই নয়া- তাই ভারতীয় সিক্যুয়েল। আর এই হিসেবে সবসময়েই চোটটা গিয়ে পড়ে নায়িকাদের ওপর। ভারতীয় বাণিজ্যিক ছবির নায়িকারা এখনও নেহাত লীলাসহচরী; তাতে যত নতুনত্ব আসে, ততই তো ভালো। ফলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও সিক্যুয়েলে বদলে যাচ্ছে রণবীর আর ডি’কস্টার নারীরা।
ডি’কস্টার বিপরীতে গেল বার সামীরা রেড্ডিকে দেখা গেলেও এবারে সেই জায়গায় আসছেন আমিশা প্যাটেল। বেশ কথা। জামার মতো নারী বদলানো ডি’কস্টার স্বভাব; কাজেই এতে তেমন ক্ষতি নেই। কিন্তু সনিয়া? রণবীরের প্রেম? বিপাশা বসু ছাড়া সিক্যুয়েল হলেও রেস জমতে পারে নাকি?
জমতে পারে না বলেই ‘রেস ২’ ছবিতে কেবলমাত্র দুটি-একটি দৃশ্যে মুখ দেখিয়েই বিদায় নেবেন বিপাশা। আর তাঁর জায়গায় শরীর দেখাবেন দীপিকা পাড়ুকোন। সেই কৃষ্ণাঙ্গ সুন্দরী, শুধু ভাইটালস্ট্যাটিস্টিকে তফাত! তাছাড়া বেশ কয়েকটি ছবির দৌলতে এখন সাইফ-দীপিকা জনপ্রিয় জুটি; কাজেই কারিনা আর প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে টপকে এই ছবিতে সাইফের নায়িকা হচ্ছেন দীপিকা। আর সাইফের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এই ছবিতে সম্ভবত দেখা যেতে পারে জন আব্রাহামকে।
কিন্তু ‘রেস’ ছবিতে এক শ্বেতাঙ্গিনী সুন্দরীও তো থাকতে বাধ্য ফর্মুলা মেনে! ক্যাটরিনা কাইফের জায়গায় সিক্যুয়েলে সেই জায়গা ভরাট করবেন কে? কানাঘুঁষোয় শোনা যাচ্ছে, এবারে সেই জায়গায় এন্ট্রি নিচ্ছেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। তবে এ নেহাতই সম্ভাবনা মাত্র; পাকা কথার এখনও ঢের দেরি।
বোঝাই যাচ্ছে, আগের বারেরটা হিট হয়ে যাওয়ায় এইবার ‘রেস ২’ নিয়ে প্রত্যাশার পারদ ভালোমতো উপরের দিকে! তাই হয়তো অভিনেতা বাছাইয়ে এত খুঁতখুঁতানি; বারবার এগিয়ে-পিছিয়ে আসা। এদিকে ছবি মুক্তির সম্ভাব্য তারিখ তো ঠিক করা হয়েছে ২০১৩ সালের ২৫ জানুয়ারি! সে তো এসে গেল বলে! এর মাঝে ছবি তৈরি হয়ে যাবে তো? না গেলেও ভরপুর মশলা ছবির জন্য দর্শক যে অপেক্ষা করতে করতে বিরক্ত হবেন না, তা তো পরিচালক-প্রযোজকের হেলদোলই বলে দিচ্ছে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

No comments:
Post a Comment