রাজধানীতে গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণ : মামলা তুলে নিতে চাপ
রাজধানীর হাজারীবাগে কাজ শেষে রাতে বাসায় ফেরার পথে এক গার্মেন্টস কর্মীকে
তুলে নিয়ে একটি বাসায় আটকে রাতভর যৌন নির্যাতন চালিয়েছে পেশাদার
সন্ত্রাসীরা।
ওই গার্মেন্টসকর্মী তাদের চিনতে পারলেও পুলিশ দু’সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার না করে ওই বাসার দারোয়ানকে গ্রেফতার করে। অন্যদিকে ধর্ষকদের একজন ট্যানারী এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন ওরফে ট্যানারী শাহীনের ভাগ্নে হওয়ায় ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে নির্যাতিতের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
নির্যাতিত গার্মেন্টসকর্মী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি গার্মেন্টস শেষে বাসায় ফিরছিলেন। এরপর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী জল্লাত শাহীন ও মাহতাব হোসেন তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোরপূর্বক নিলাম্বর সাহা রোডের ২৩/১ নম্বর বাসায় নিয়ে যায়। পরে দারোয়ান ফারুকের সহায়তায় রাতভর নির্যাতন চালানো হয় তার ওপর। সকালে তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়ে ঘটনা প্রকাশ না করতে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। পরে ওই তরুণী আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হন।
হাজারীবাগ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষনের অভিযোগে শাহীন, মাহতাব ও ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষক জল্লাত শাহীন সেভেন মার্ডার মামলার আসামী এবং একটি খুনের মামলায় মাহতাব যাবৎজীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামি। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করে এক মাস আগে জামিনে মুক্ত আছেন তিনি।
ওই গার্মেন্টসকর্মী তাদের চিনতে পারলেও পুলিশ দু’সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার না করে ওই বাসার দারোয়ানকে গ্রেফতার করে। অন্যদিকে ধর্ষকদের একজন ট্যানারী এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন ওরফে ট্যানারী শাহীনের ভাগ্নে হওয়ায় ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে নির্যাতিতের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
নির্যাতিত গার্মেন্টসকর্মী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি গার্মেন্টস শেষে বাসায় ফিরছিলেন। এরপর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী জল্লাত শাহীন ও মাহতাব হোসেন তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে জোরপূর্বক নিলাম্বর সাহা রোডের ২৩/১ নম্বর বাসায় নিয়ে যায়। পরে দারোয়ান ফারুকের সহায়তায় রাতভর নির্যাতন চালানো হয় তার ওপর। সকালে তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়ে ঘটনা প্রকাশ না করতে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। পরে ওই তরুণী আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হন।
হাজারীবাগ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষনের অভিযোগে শাহীন, মাহতাব ও ফারুকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষক জল্লাত শাহীন সেভেন মার্ডার মামলার আসামী এবং একটি খুনের মামলায় মাহতাব যাবৎজীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামি। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করে এক মাস আগে জামিনে মুক্ত আছেন তিনি।
No comments:
Post a Comment