Pages

Sunday, August 12, 2012

বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর মামলার ভবিষ্যৎ জানা যাবে সোমবার

ঢাকা, ১২ আগস্ট: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ঢাকার পাঁচ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতে পুলিশের দায়ের করা মামলাটির কার্যক্রম চলবে কি না- তা জানা যাবে সোমবার।

আদালতটির বিচারক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি না করার অভিযোগে এর বিচার কার্যক্রমের ওপর হাই কোর্ট বিভাগের দেয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য সরকার পক্ষ আবেদন করেছে রোববার।  আবেদনের প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক নাঈমা হায়দার ও মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত যুগ্মবেঞ্চে সোমবার এবিষয়ে শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

বিভাগের এই বেঞ্চই গত ৬ আগস্ট ঢাকা মহানগর দ্রুত বিচার আদালত-৫ এর সব কার্যক্রম আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালত গঠন এবং এ আদালতের বিচারক হিসেবে মহানগর হাকিম হারুন অর রশিদকে দায়িত্ব দেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।

দুই সপ্তাহের মধ্যে আইন, মন্ত্রিপরিষদ, জনপ্রশাসন সচিব, আইজিপি, সিএমএম ও ম্যাজিস্ট্রেট হারুন অর রশিদকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিএনপির যুগ্মমহাসচিব ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ওই মামলার আসমি হিসেবে আবেদনে ওই আদেশ দেয়া হয়।

সরকারের পক্ষে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদনের ঢাকা মহানগর দ্রুত বিচার আদালতে আটজন বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত ২০০৯ সালের ১৯ মার্চ জারি করা একটি প্রজ্ঞাপন সংযুক্ত করা হয়েছে।

স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য সরকারের দাখিল করা আবেদনের সঙ্গে ২০০৯ সালের ১৯ মার্চের প্রজ্ঞাপন দাখিল করা প্রসঙ্গে আবেদনকারীর আইনজীবী আহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, সরকার প্রজ্ঞাপন দাখিল করলেই হবে না। প্রজ্ঞাপনে ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে হারুন অর রশিদের নাম আছে কিনা তা দেখতে হবে।

গত ৬ আগস্ট আদেশের পর আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম এবং সরকারপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন আদালত। একারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের বিরুদ্ধে ওই আদালতে বিচারাধীন মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

গত ২৯ এপ্রিল তেজগাঁও থানায় মির্জা ফখরুল ইসলামসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। গত ১০ মে মামলার সকল আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর ২৭ মে ছাত্রশিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বারকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় ৩১ জুলাই অভিযোগ গঠন করা হয়।

পরে গত ৭ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু হাই কোর্ট বিভাগের স্থগিতাদেশের কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।

No comments:

Post a Comment