সিন্ডিকেটের কবলে পিয়াজ
বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে বৈঠকে ব্যবসায়ীরা জানালেন, সিন্ডিকেটের থাবায় পিয়াজের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। বাজারে পিয়াজের অভাব নেই। তারপরও সিন্ডিকেটের কারণে দাম নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। অবশ্য ব্যবসায়ীরা সচিবকে আশ্বস্ত করেছেন দাম দিনে দিনে কমে যাবে। বাণিজ্য সচিব পিয়াজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং মূল্য যাতে কোনভাবে অস্বাভাবিক পর্যায়ে না ওঠে সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন
। তিনি বলেন, কেউ বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী নেতা বলেছেন, খুচরা ব্যবসায়ীরাই দ্বিগুণ লাভে বিক্রি করে। সরকারের উচিত তাদের প্রতি আরও কঠোর হওয়া। বর্তমানে আমদানি করা পিয়াজ প্রকৃত মূল্যের চেয়েও দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা হচ্ছে খুচরা বাজারে। আমদানি করা পিয়াজের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কেজি ২৪ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও রাখা হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। বর্তমানে খুচরা প্রতি কেজি পিয়াজের দাম রাখা হচ্ছে দেশী নতুন ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। আর পুরাতন ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কাওরান বাজারের একাধিক পাইকারি ব্যবসায়ী জানান, গত বছর এই সময়ে দেশী নতুন পিয়াজ ১২ থেকে ২০ টাকার মধ্যে ছিল। এ বছর এই পিয়াজের দাম বাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তারা বলেন, লেবার খরচ, সার ও ওষুধের দাম বেশি।
পিয়াজের ‘অস্বাভাবিক’ মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ বৈঠকের আয়োজন করে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে পিয়াজের যৌক্তিক দামের বিষয়টি উপস্থাপন করেন ট্যারিফ কমিশনের নিত্যপণ্য (বাজার মনিটরিং) গবেষণা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। বৈঠকে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য অনুযায়ী পিঁয়াজের দাম আস্তে আস্তে কমানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ট্যারিফ কমিশন প্রতিকেজি পিয়াজ আমদানিকৃত ২৪ টাকা নির্ধারণ করার কথা তুলে ধরেছে।
No comments:
Post a Comment