১৩ সদস্যের ছাত্রলীগের হাতে জিম্মি দেড় হাজার শিক্ষার্থী:পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
পটুয়াখালী
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের ১৩ সদস্যের
বর্তমান কমিটির হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ছাত্রলীগের
বিরুদ্ধে ছাত্রাবাসে সিট দখল, ডাইনিংয়ে অবৈধ সুবিধা আদায়, সাধারণ
শিক্ষার্থীদের মিছিলে যেতে বাধ্য করা, ভাঙচুর, এমনকি নিয়োগ বাণিজ্যেরও
অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে শিক্ষকদের একটি অংশের প্রশ্রয় রয়েছে বলে সাধারণ
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রনমি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হারুন অর রশীদকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে ক্যাম্পাসে মিছিল করে ছাত্রলীগ। এ সময় তারা শিক্ষক সমিতির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি ও কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক আ ক ম মোস্তফা জামানের বাসভবনে ইটপাটকেল ছোড়ে এবং ক্যাম্পাসের প্রবেশপথে আগুন জ্বালায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগকর্মীরা তিনটি ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের জোর করে মিছিলে নিয়ে যায়।
হামলার কথা অস্বীকার করে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি কামরুজ্জামান সোহাগ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'হারুন অর রশীদ স্যার যোগ্য। তাই তাঁকেই ভিসি হিসেবে আমরা দেখতে চাই। সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় মিছিলে এসেছে। মিছিলের মধ্য থেকেই কেউ হয়তো জামান স্যারের বাসায় ইটপাটকেল ছুড়ে থাকতে পারে। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয়।'
অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, 'ছাত্রলীগ আমাকে উপাচার্য হিসেবে চাইছে_এটা তাদের দাবি। এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রনমি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হারুন অর রশীদকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে ক্যাম্পাসে মিছিল করে ছাত্রলীগ। এ সময় তারা শিক্ষক সমিতির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি ও কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক আ ক ম মোস্তফা জামানের বাসভবনে ইটপাটকেল ছোড়ে এবং ক্যাম্পাসের প্রবেশপথে আগুন জ্বালায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগকর্মীরা তিনটি ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের জোর করে মিছিলে নিয়ে যায়।
হামলার কথা অস্বীকার করে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি কামরুজ্জামান সোহাগ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'হারুন অর রশীদ স্যার যোগ্য। তাই তাঁকেই ভিসি হিসেবে আমরা দেখতে চাই। সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় মিছিলে এসেছে। মিছিলের মধ্য থেকেই কেউ হয়তো জামান স্যারের বাসায় ইটপাটকেল ছুড়ে থাকতে পারে। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগ জড়িত নয়।'
অধ্যাপক হারুন অর রশীদ বলেন, 'ছাত্রলীগ আমাকে উপাচার্য হিসেবে চাইছে_এটা তাদের দাবি। এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না।
No comments:
Post a Comment