রাজধানীতে ক্লিনিকের ভেতরে চিকিৎসক খুন
রাজধানীর দক্ষিণখানে এক নারী চিকিৎসককে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। তার নাম
সাদিয়া আফরিন ইভা (২৬)। গত বৃহস্পতিবার রাতে সাদিয়ার কর্মস্থল ক্লিনিকের
মধ্যেই শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে
ওই চিকিৎসককে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। নিহত চিকিৎসক দক্ষিণখানের আমতলির
ব্র্যাক ক্লিনিকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর থেকে
ক্লিনিকের কেয়ারটেকার ফয়সাল পলাতক রয়েছেন। তবে চিকিৎসক খুনের ঘটনায় পুলিশ
কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এদিকে, খিলক্ষেত এলাকায় রওশন আরা বেগম (৬৮)
নামের এক বৃদ্ধার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডা. সাদিয়া
আফরিন দক্ষিণখানের কাওলা এলাকায় মা হাসিনা বেগম ও ছোটবোন নাদিয়া আফরিন
ইমনকে নিয়ে বসবাস করতেন। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্র্যাক
ক্লিনিক থেকে একজন প্রসূতি অপারেশনের জরুরি ডাক আসে। তিনি ক্লিনিকে গিয়ে
অপারেশন শেষ করে তৃতীয় তলায় চিকিৎসকদের কক্ষে বিশ্রাম নিতে যান। গতকাল
সকালে ক্লিনিকের একজন নার্স তাকে কয়েক দফা মোবাইল করে না পেয়ে তৃতীয় তলার
ওই কক্ষে গিয়ে তাকে ফ্লোরে শায়িত ও অচেতন অবস্থায় দেখেন। পরে তার চিৎকারে
অন্য সহকর্মীরা গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় আবিষ্কার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে
লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে
পাঠায়।
পুলিশ জানায়, ডা. সাদিয়া আফরিনকে শ্বাসরোধের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তার গালে খামচির দাগ, চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন ও কপালে কাটা দাগ রয়েছে। এছাড়া ওই কক্ষের একটি প্লাস্টিকের চেয়ারের পায়া ভাঙ্গা অবস্থায় ছিল। পুলিশের ধারণা, রাতের ডিউটি করার সময় কেউ তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ডা. সাদিয়া আফরিন বাধা দিলে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
ডিএমপি’র উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) নিসারুল আরিফ জানান, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ফয়সাল জড়িত রয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে। তাকে ধরতে পারলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
জানা গেছে, নিহত ডা. সাদিয়া আফরিনের বাবা মনিরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত। সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর ডা. সাদিয়া আফরিন রাজধানীর সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে এফসিপিএস পড়ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ব্র্যাক ক্লিনিকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের বালিথুবায়।
পুলিশ জানায়, ডা. সাদিয়া আফরিনকে শ্বাসরোধের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তার গালে খামচির দাগ, চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন ও কপালে কাটা দাগ রয়েছে। এছাড়া ওই কক্ষের একটি প্লাস্টিকের চেয়ারের পায়া ভাঙ্গা অবস্থায় ছিল। পুলিশের ধারণা, রাতের ডিউটি করার সময় কেউ তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ডা. সাদিয়া আফরিন বাধা দিলে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
ডিএমপি’র উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) নিসারুল আরিফ জানান, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ফয়সাল জড়িত রয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে। তাকে ধরতে পারলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
জানা গেছে, নিহত ডা. সাদিয়া আফরিনের বাবা মনিরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত। সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করার পর ডা. সাদিয়া আফরিন রাজধানীর সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে এফসিপিএস পড়ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ব্র্যাক ক্লিনিকে খণ্ডকালীন চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের বালিথুবায়।
No comments:
Post a Comment