হিযবুত তাহরীরের সিনিয়র উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা
বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম মাওলা ও তার সহযোগী মাকসুদুর রহমানকে নিয়মিত
মামলায় ফের তিনদিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার মহানগর হাকিম এমএ সালাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে ডিপ্লোমেটিক জোন আমেরিকান দূতাবাস এলাকায় ক্ষতি করার উদ্দেশে দলবদ্ধ হয়ে যাওয়ার মামলায় তিনি পাঁচদিন রিমান্ডে ছিলেন।
ওই মামলায় রিমান্ড শেষে তাকে গত ১ অক্টোবর আদালতে হাজির করে গুলশান থানার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ফের সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করা হয়।
তবে রিমান্ড শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় মহানগর হাকিম তানভীর আহমেদ বুধবার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করে আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন এলাকায় আমেরিকান দূতাবাসে কমর্রত বিদেশী নাগরিক ও স্থাপনার ক্ষতি করার উদ্দেশে প্রস্তুতির অভিযোগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর তাদের গ্রেফতার করা হয়।
জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ড. গোলাম মাওলা এর আগে ২০০৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর অপর ১০ সহযোগীসহ রাজশাহী সোনাদীঘি মোড়ের সিটি প্রেস ক্লাবের নিচতলা থেকে গ্রেফতার হন। এরপর ২০১০ সালের ৮ জুলাই একই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এ মামলায় তিনি তিনদিন রিমান্ডেও ছিলেন।
২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর সরকার জননিরাপত্তার প্রতি হুমকি বিবেচনায় সংগঠনটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। এর পরপরই এ জঙ্গি সংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মী গা ঢাকা দেন।
বুধবার মহানগর হাকিম এমএ সালাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে ডিপ্লোমেটিক জোন আমেরিকান দূতাবাস এলাকায় ক্ষতি করার উদ্দেশে দলবদ্ধ হয়ে যাওয়ার মামলায় তিনি পাঁচদিন রিমান্ডে ছিলেন।
ওই মামলায় রিমান্ড শেষে তাকে গত ১ অক্টোবর আদালতে হাজির করে গুলশান থানার একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ফের সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করা হয়।
তবে রিমান্ড শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় মহানগর হাকিম তানভীর আহমেদ বুধবার রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য করে আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন এলাকায় আমেরিকান দূতাবাসে কমর্রত বিদেশী নাগরিক ও স্থাপনার ক্ষতি করার উদ্দেশে প্রস্তুতির অভিযোগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর তাদের গ্রেফতার করা হয়।
জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ড. গোলাম মাওলা এর আগে ২০০৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর অপর ১০ সহযোগীসহ রাজশাহী সোনাদীঘি মোড়ের সিটি প্রেস ক্লাবের নিচতলা থেকে গ্রেফতার হন। এরপর ২০১০ সালের ৮ জুলাই একই অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এ মামলায় তিনি তিনদিন রিমান্ডেও ছিলেন।
২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর সরকার জননিরাপত্তার প্রতি হুমকি বিবেচনায় সংগঠনটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। এর পরপরই এ জঙ্গি সংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মী গা ঢাকা দেন।
No comments:
Post a Comment