বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলেই
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে
পারে।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থনীতিসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “দুদক মামলা করার জন্য প্রস্তুত। বিশ্বব্যাংককে তারা এ কথা জানিয়েছে। বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ লাগতে পারে।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা চেয়েছি পদ্মা সেতু প্রকল্পের তদন্ত ও বাস্তবায়ন একসঙ্গে চলতে। কিন্তু একসঙ্গে চলবে কি না-সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নই আমি। তবে এ ব্যাপারে আমি আশাবাদী। বিশ্বব্যাংকের দ্বিতীয় দলটি ঢাকায় এলে এ বিষয়টি জানা যাবে।”
সম্প্রতি জাপানে বিশ্বব্যাংকের সাধারণ সভায় যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
এছাড়া হলমার্কের ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম দেরিতে ভেঙেছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “২০১০ সালেই হলমার্কের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক জেনেছিল। ২০১১ সালে তারা কিছুই করেনি। ২০১২ সালে তারা জেগে উঠল। এতে প্রমাণিত হয় যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজে অতটা সক্ষম নয়।”
মুহিত বলেন, “রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। শুধু পর্ষদটা আমরা গঠন করে দিই।”
আইএমএফ’র বর্ধিত ঋণসুবিধার দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ আগামী নভেম্বরে পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, জাপানে আইএমএফের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। সেখানে মূলত তিনটি বিষয় নিয়ে দর-কষাকষি হয়। এগুলো হলো: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি, মূসক আইন প্রণয়ন ও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের হার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “মূসক আইন যা হওয়ার কথা, তা হয়ে যাবে। এতে কোনো সমস্যা হবে না। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের সার্বিক বিনিয়োগের হার আইএমএফ চায় ২৫ শতাংশ। আমরা বলেছি, এটা ৪০ শতাংশ; তবে আস্তে আস্তে তা কমিয়ে আনা হবে।”
বুধবার সচিবালয়ে অর্থনীতিসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “দুদক মামলা করার জন্য প্রস্তুত। বিশ্বব্যাংককে তারা এ কথা জানিয়েছে। বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ লাগতে পারে।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা চেয়েছি পদ্মা সেতু প্রকল্পের তদন্ত ও বাস্তবায়ন একসঙ্গে চলতে। কিন্তু একসঙ্গে চলবে কি না-সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নই আমি। তবে এ ব্যাপারে আমি আশাবাদী। বিশ্বব্যাংকের দ্বিতীয় দলটি ঢাকায় এলে এ বিষয়টি জানা যাবে।”
সম্প্রতি জাপানে বিশ্বব্যাংকের সাধারণ সভায় যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
এছাড়া হলমার্কের ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম দেরিতে ভেঙেছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “২০১০ সালেই হলমার্কের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক জেনেছিল। ২০১১ সালে তারা কিছুই করেনি। ২০১২ সালে তারা জেগে উঠল। এতে প্রমাণিত হয় যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজে অতটা সক্ষম নয়।”
মুহিত বলেন, “রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। শুধু পর্ষদটা আমরা গঠন করে দিই।”
আইএমএফ’র বর্ধিত ঋণসুবিধার দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ আগামী নভেম্বরে পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, জাপানে আইএমএফের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। সেখানে মূলত তিনটি বিষয় নিয়ে দর-কষাকষি হয়। এগুলো হলো: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি, মূসক আইন প্রণয়ন ও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের হার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “মূসক আইন যা হওয়ার কথা, তা হয়ে যাবে। এতে কোনো সমস্যা হবে না। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের সার্বিক বিনিয়োগের হার আইএমএফ চায় ২৫ শতাংশ। আমরা বলেছি, এটা ৪০ শতাংশ; তবে আস্তে আস্তে তা কমিয়ে আনা হবে।”
No comments:
Post a Comment