মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের রাজধানী আকিয়াব শহরের প্রধান মসজিদ- ঐতিহাসিক
"বড় মসজিদ" জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে প্রেস টিভি ও কালাদান
প্রেস। মিয়ানমার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশটির আরাকান প্রদেশে রোহিঙ্গা
মুসলিম-বিরোধী যে অভিযান চলছে, গত জুনে মিয়ানমার ভিত্তিক কালাদান প্রেস-ই
তাদের ওয়েবসাইটে এ খবর প্রথম দিয়েছিল।
স্থানীয় সূত্রগুলোতে পাওয়া খবরে জানা যায়, কয়েক মাস আগে মুসলিম-বিরোধী দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর থেকেই আটশ বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি তালাবদ্ধ ছিল। কিন্তু, রোববার দুপুর তিনটার দিকে বৌদ্ধ ভিক্ষু ও উগ্রবাদীরা তালা ভেঙে মসজিদে ঢুকে পড়ে এবং কুরআন-কিতাব বাইরে ছুঁড়ে ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এরপর উগ্র বৌদ্ধ জনতা মসজিদের মূল ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রায় দু'ঘন্টা ধরে জ্বলতে থাকলেও স্থানীয় পুলিশ, সেনাবাহিনী বা ফায়ার ব্রিগেডের কেউ আগুন নিভানোর চেষ্টা করেনি।
শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বড় মসজিদের এক মাইলের মধ্যে থানা, আর্মি ও সীমান্তরক্ষী নাসাকা বাহিনীর ক্যাম্প রয়েছে। আগুনে আশপাশের আরো পাঁচটি মুসলিম বাড়ি পুড়ে গেছে। সর্বশেষ খবরে জানা যায়, সশস্ত্র রাখাইনরা ওই এলাকায় মৌলভীপাড়ায় মুসলমানদের বাড়ি ঘিরে রেখেছে। পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে বলে আশংকা করছেন আকিয়াবের অবরুদ্ধ মুসলমানরা।
স্থানীয় সূত্রগুলোতে পাওয়া খবরে জানা যায়, কয়েক মাস আগে মুসলিম-বিরোধী দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর থেকেই আটশ বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি তালাবদ্ধ ছিল। কিন্তু, রোববার দুপুর তিনটার দিকে বৌদ্ধ ভিক্ষু ও উগ্রবাদীরা তালা ভেঙে মসজিদে ঢুকে পড়ে এবং কুরআন-কিতাব বাইরে ছুঁড়ে ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এরপর উগ্র বৌদ্ধ জনতা মসজিদের মূল ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রায় দু'ঘন্টা ধরে জ্বলতে থাকলেও স্থানীয় পুলিশ, সেনাবাহিনী বা ফায়ার ব্রিগেডের কেউ আগুন নিভানোর চেষ্টা করেনি।
শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বড় মসজিদের এক মাইলের মধ্যে থানা, আর্মি ও সীমান্তরক্ষী নাসাকা বাহিনীর ক্যাম্প রয়েছে। আগুনে আশপাশের আরো পাঁচটি মুসলিম বাড়ি পুড়ে গেছে। সর্বশেষ খবরে জানা যায়, সশস্ত্র রাখাইনরা ওই এলাকায় মৌলভীপাড়ায় মুসলমানদের বাড়ি ঘিরে রেখেছে। পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হতে পারে বলে আশংকা করছেন আকিয়াবের অবরুদ্ধ মুসলমানরা।
No comments:
Post a Comment