এখনও তার জেল্লায় ভাঁটা পড়েনি এতটুকুও। এখনো একইরকম ক্ষুরধার, ক্ষিপ্র,
অনুসন্ধানী আক্রমণাত্মক। আর এসবের জন্যই তো যে কোনও লাস্যময়ীর পদস্খলন
ঘটিয়ে দিতে পারে যেকোনো সময়, অবলীলায়। তিনি তো সবে পঞ্চাশ। শুক্রবার ৫০-এ
পা দিলেন হৃদয়ে হিল্লোল-তুলে দেয়া জেমস বন্ড।
স্টুডিও ভেঙে পড়া, ব্যক্তিত্বের সংঘাত, ঠান্ডা যুদ্ধের অবসান। এই ধরনের যে কোনও ঘটনা বিপর্যয় ঘটিয়ে দিতে পারত বন্ডের জীবনে। সে সব নিয়ে স্টিভান রিলের তথ্যচিত্র ‘এভ্রিথিং অর নাথিং’। এদিন তারই প্রকাশ আর থিম টিউন বাজিয়ে জেমস বন্ডের ছায়াছবির ৫০ বছর উদযাপিত হল লন্ডনে। ১৯৬২-তে ঠিক আজকের দিনেই বন্ডের প্রথম ছবি ‘ডক্টর নো’র প্রিমিয়ার হয়েছিল হ্যারল্ড ম্যাকমিলানের শহরে। চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিলেন কঠিন-কোমল সুপার স্পাই শ্যন কনরি। আত্মক্ষমতায় মদমত্ত এক খলনায়কের চক্রান্ত ভেস্তে দিতেই যাত্রা শুরু ০০৭-এর। ঠিক দু’বছর পর সিরিজের তৃতীয় সিনেমা ‘গোল্ডফিঙ্গার’ যখন রিলিজ করল, জেমস বন্ডের ক্যারিশমায় তখন আকণ্ঠ ডুবে গিয়েছে ব্রিটেন। সেদেশের সংস্কৃতিতে বন্ড তখন একটা আলাদা ডিসকোর্স।তার এই কারিশমার সঙ্গে একমাত্র ব্রিটিশ পপ ব্যান্ড বিট্লসের তুলনা তানা যায়।
তবে স্বল্পবসনাদের সবলীলায় শয্যাসঙ্গিনী করায়, বন্ড-সিরিজের কপালে ‘সেক্সিস্ট’ তকমাও লাগে। তাতে অবশ্য বন্ডের তুঙ্গশীর্ষ জনপ্রিয়তার বিন্দুমাত্র স্খলন হয়না। এবারের অলিম্পিকে রানি এলিজাবেথকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে আজকের বন্ড ড্যানিয়ল ক্রেগের প্রবেশ সেকথাই প্রমাণ করে।
অ্যালবার্ট ব্রকলি আর হ্যারি সাল্টজম্যানের ইওএন প্রোডাকশনস গত পাঁচ দশক ধরে জেমস বন্ডের মোট ২২টি ছবি বানিয়েছে। দুনিয়াজোড়া রিলিজ এনে দিয়েছে ৫০০ কোটি ডলার। এমাসের শেষে মুক্তি পাচ্ছে তেইশতম ছবি: স্কাইফল। সূত্র: জিনিউজ।
স্টুডিও ভেঙে পড়া, ব্যক্তিত্বের সংঘাত, ঠান্ডা যুদ্ধের অবসান। এই ধরনের যে কোনও ঘটনা বিপর্যয় ঘটিয়ে দিতে পারত বন্ডের জীবনে। সে সব নিয়ে স্টিভান রিলের তথ্যচিত্র ‘এভ্রিথিং অর নাথিং’। এদিন তারই প্রকাশ আর থিম টিউন বাজিয়ে জেমস বন্ডের ছায়াছবির ৫০ বছর উদযাপিত হল লন্ডনে। ১৯৬২-তে ঠিক আজকের দিনেই বন্ডের প্রথম ছবি ‘ডক্টর নো’র প্রিমিয়ার হয়েছিল হ্যারল্ড ম্যাকমিলানের শহরে। চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিলেন কঠিন-কোমল সুপার স্পাই শ্যন কনরি। আত্মক্ষমতায় মদমত্ত এক খলনায়কের চক্রান্ত ভেস্তে দিতেই যাত্রা শুরু ০০৭-এর। ঠিক দু’বছর পর সিরিজের তৃতীয় সিনেমা ‘গোল্ডফিঙ্গার’ যখন রিলিজ করল, জেমস বন্ডের ক্যারিশমায় তখন আকণ্ঠ ডুবে গিয়েছে ব্রিটেন। সেদেশের সংস্কৃতিতে বন্ড তখন একটা আলাদা ডিসকোর্স।তার এই কারিশমার সঙ্গে একমাত্র ব্রিটিশ পপ ব্যান্ড বিট্লসের তুলনা তানা যায়।
তবে স্বল্পবসনাদের সবলীলায় শয্যাসঙ্গিনী করায়, বন্ড-সিরিজের কপালে ‘সেক্সিস্ট’ তকমাও লাগে। তাতে অবশ্য বন্ডের তুঙ্গশীর্ষ জনপ্রিয়তার বিন্দুমাত্র স্খলন হয়না। এবারের অলিম্পিকে রানি এলিজাবেথকে নিয়ে হেলিকপ্টারে করে আজকের বন্ড ড্যানিয়ল ক্রেগের প্রবেশ সেকথাই প্রমাণ করে।
অ্যালবার্ট ব্রকলি আর হ্যারি সাল্টজম্যানের ইওএন প্রোডাকশনস গত পাঁচ দশক ধরে জেমস বন্ডের মোট ২২টি ছবি বানিয়েছে। দুনিয়াজোড়া রিলিজ এনে দিয়েছে ৫০০ কোটি ডলার। এমাসের শেষে মুক্তি পাচ্ছে তেইশতম ছবি: স্কাইফল। সূত্র: জিনিউজ।
No comments:
Post a Comment