ঢাকা বারের সাবেক একজন সভাপতিকে পুলিশ ডেকে হ্যান্ডকাপ পরানোর হুমকি দেয়ার
ঘটনায় বিচারক আরিফুর রহমানকে আদালত থেকে প্রত্যাহার করার দাবি
জানিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নেতারা।
যতদিন ওই বিচারককে প্রত্যাহার করা না হচ্ছে, ততদিন তার আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ বর্জন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নেতাদের কাছে ওই বিচারককে ক্ষমা চাইতে হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতির পক্ষে দুপুর থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত বৈঠক শেষে বারের নেতারা এ সিদ্ধান্ত নেন। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এ ব্যাপারে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বোরহান উদ্দিন বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, গত ২০ বছরে ঢাকার কোনো বিচারকের আদালত বর্জনের উদাহরণ নেই। এ ব্যাপারে আগামী রোববার আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক আহবান করা হয়েছে। সোমবার ঢাকা বারের আইনজীবীদের সঙ্গে সাধারণ সভা করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বারের বৈঠক শুরু হয় বিকেল ৩টায়। তা শেষ হয় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আইনজীবীর সভাপতি বোরহান উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, বারের সাবেক সভাপতি সরদার মোহাম্মদ সুরুজ্জামান, আবু সাঈদ সাগর, এ এফ এম আব্দুল ওয়াদুদ, শেখ হেমায়েত হোসেন, সানাউল্লাহ মিঞা প্রমুখ।
বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হীরু জানান, বিচারক আরিফুর রহমান সাগর যে ব্যবহার করেছেন তা অকল্পনীয়। তাকে অবশ্যই ঢাকা কোর্ট থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আরিফুর এ ঘটনা লিখিত আকারে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে জানিয়েছেন। ওই আবেদনের বলা হয়েছে , এ ঘটনা তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। বারের সাবেক সভাপতির সঙ্গে বিরোধের জের ধরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আরিফুর রহমানকে গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এজলাস থেকে তাকে নামিয়ে দেন ঢাকা বারের আইনজীবীরা।
ঢাকা বারের শতাধিক আইনজীবী বিচারক আরিফুর রহমানকে গত বুধবার এজলাস থেকে নেমে যেতে বাধ্য করান। গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এজলাসে ছিলেন বিচারক আরিফুর রহমান। ওই সময় তার এজলাসে আসেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি আবু সাঈদ সাগর। এ সময় একটি মামলায় সাক্ষ্য নিচ্ছিলেন বিচারক। এসময় আইনজীবী সাগর তার একটি মামলার শুনানি গ্রহণ করার জন্য বিচারকের কাছে আবেদন জানান। বিচারক তাকে “পরে আসেন” বললে ওই আইনজীবী বিচারকের উদ্দেশ্যে বলেন, পরে আসেন। মানে কী? এ সময় বিচারক তাকে ‘পাগল’ বলে আখ্যায়িত করেন।
পরে ওই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এমনকি ওই বিচারক খাস কামরায় ডেকে নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “ওই আইনজীবীকে গ্রেফতার করা আমার উচিৎ ছিল। কেননা তিনি আদালতের পরিবেশ নষ্ট করেছেন। আমি ভুল করেছি তাকে গ্রেফতার না করে।”
ওই দিনের ঘটনায় আইনজীবী মুনজুর আলম বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বারের সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে শতাধিক আইনজীবী ওই বিচারকের এজলাসে আসেন। পরে তারা বিচারকের কাছে কৈফিয়ত চান, কেন একজন সিনিয়র আইনজীবীকে বের হয়ে যেতে বলেছেন? এ সময় বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে তুমুল হট্রগোল দেখা দেয়। একপর্যায়ে আইনজীবীরা ওই বিচারককে বলেন, আপনি আর বিচারিক কাজ করতে পারবেন না।
বিচারক এজলাস থেকে নেমে নিজের খাস কামরায় চলে যান। পরে বিচারক আরিফুর রহমান নিজের খাস কামরায় আলাপকালে এ প্রতিবেদককে বলেন, “ওই আইনজীবী (সাগর) বিচারিক কাজে বাধা দিয়ে আদালতের পরিবেশ নষ্ট করেছেন। অন্যায়ভাবে আমাকে গালিগালাজ করেছেন।”
তিনি বলেন, “আমি কাউকে পরোয়া করি না। আমি শতভাগ সততার সঙ্গে কাজ করি। আমার সঙ্গে কারো সম্পর্ক ভাল নয়- কারণ আমি সৎ। কারো কাছে মাথা নত করে বিচারকাজ চালাবো না।”
এ দিকে আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর এ প্রতিবেদককে ওই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, আমি তার আদালতে একটি মামলার শুনানি করতে গিয়েছিলাম। অহেতুক আমাকে তিনি ‘এজলাস’ থেকে বের হয়ে যেতে বলেছিলেন। একজন জেলা জজ হয়ে তিনি এ রকম আচরণ করতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন সাগর।
তিনি বলেন, “একজন জেলা জজ হয়ে কেন তিনি হাতা গুটিয়ে, ব্যান্ড না পরে বিচারকাজ পরিচালনা করেন? আমাকে ‘পাগল’ বলে আখ্যায়িত করে গালিগালাজ করেছিলেন। তিনি সময়মতো এজলাসে আসেন না। এমনকি ‘গাউন’, টাই এবং জামার হাতা গুটিয়ে এজলাসে বসে বিচারকাজ চালাচ্ছিলেন।
আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য।
যতদিন ওই বিচারককে প্রত্যাহার করা না হচ্ছে, ততদিন তার আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ বর্জন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নেতাদের কাছে ওই বিচারককে ক্ষমা চাইতে হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতির পক্ষে দুপুর থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত বৈঠক শেষে বারের নেতারা এ সিদ্ধান্ত নেন। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এ ব্যাপারে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বোরহান উদ্দিন বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, গত ২০ বছরে ঢাকার কোনো বিচারকের আদালত বর্জনের উদাহরণ নেই। এ ব্যাপারে আগামী রোববার আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক আহবান করা হয়েছে। সোমবার ঢাকা বারের আইনজীবীদের সঙ্গে সাধারণ সভা করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বারের বৈঠক শুরু হয় বিকেল ৩টায়। তা শেষ হয় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আইনজীবীর সভাপতি বোরহান উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, বারের সাবেক সভাপতি সরদার মোহাম্মদ সুরুজ্জামান, আবু সাঈদ সাগর, এ এফ এম আব্দুল ওয়াদুদ, শেখ হেমায়েত হোসেন, সানাউল্লাহ মিঞা প্রমুখ।
বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হীরু জানান, বিচারক আরিফুর রহমান সাগর যে ব্যবহার করেছেন তা অকল্পনীয়। তাকে অবশ্যই ঢাকা কোর্ট থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আরিফুর এ ঘটনা লিখিত আকারে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে জানিয়েছেন। ওই আবেদনের বলা হয়েছে , এ ঘটনা তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন। বারের সাবেক সভাপতির সঙ্গে বিরোধের জের ধরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক আরিফুর রহমানকে গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এজলাস থেকে তাকে নামিয়ে দেন ঢাকা বারের আইনজীবীরা।
ঢাকা বারের শতাধিক আইনজীবী বিচারক আরিফুর রহমানকে গত বুধবার এজলাস থেকে নেমে যেতে বাধ্য করান। গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এজলাসে ছিলেন বিচারক আরিফুর রহমান। ওই সময় তার এজলাসে আসেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি আবু সাঈদ সাগর। এ সময় একটি মামলায় সাক্ষ্য নিচ্ছিলেন বিচারক। এসময় আইনজীবী সাগর তার একটি মামলার শুনানি গ্রহণ করার জন্য বিচারকের কাছে আবেদন জানান। বিচারক তাকে “পরে আসেন” বললে ওই আইনজীবী বিচারকের উদ্দেশ্যে বলেন, পরে আসেন। মানে কী? এ সময় বিচারক তাকে ‘পাগল’ বলে আখ্যায়িত করেন।
পরে ওই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এমনকি ওই বিচারক খাস কামরায় ডেকে নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “ওই আইনজীবীকে গ্রেফতার করা আমার উচিৎ ছিল। কেননা তিনি আদালতের পরিবেশ নষ্ট করেছেন। আমি ভুল করেছি তাকে গ্রেফতার না করে।”
ওই দিনের ঘটনায় আইনজীবী মুনজুর আলম বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বারের সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে শতাধিক আইনজীবী ওই বিচারকের এজলাসে আসেন। পরে তারা বিচারকের কাছে কৈফিয়ত চান, কেন একজন সিনিয়র আইনজীবীকে বের হয়ে যেতে বলেছেন? এ সময় বিচারক ও আইনজীবীদের মধ্যে তুমুল হট্রগোল দেখা দেয়। একপর্যায়ে আইনজীবীরা ওই বিচারককে বলেন, আপনি আর বিচারিক কাজ করতে পারবেন না।
বিচারক এজলাস থেকে নেমে নিজের খাস কামরায় চলে যান। পরে বিচারক আরিফুর রহমান নিজের খাস কামরায় আলাপকালে এ প্রতিবেদককে বলেন, “ওই আইনজীবী (সাগর) বিচারিক কাজে বাধা দিয়ে আদালতের পরিবেশ নষ্ট করেছেন। অন্যায়ভাবে আমাকে গালিগালাজ করেছেন।”
তিনি বলেন, “আমি কাউকে পরোয়া করি না। আমি শতভাগ সততার সঙ্গে কাজ করি। আমার সঙ্গে কারো সম্পর্ক ভাল নয়- কারণ আমি সৎ। কারো কাছে মাথা নত করে বিচারকাজ চালাবো না।”
এ দিকে আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর এ প্রতিবেদককে ওই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, আমি তার আদালতে একটি মামলার শুনানি করতে গিয়েছিলাম। অহেতুক আমাকে তিনি ‘এজলাস’ থেকে বের হয়ে যেতে বলেছিলেন। একজন জেলা জজ হয়ে তিনি এ রকম আচরণ করতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন সাগর।
তিনি বলেন, “একজন জেলা জজ হয়ে কেন তিনি হাতা গুটিয়ে, ব্যান্ড না পরে বিচারকাজ পরিচালনা করেন? আমাকে ‘পাগল’ বলে আখ্যায়িত করে গালিগালাজ করেছিলেন। তিনি সময়মতো এজলাসে আসেন না। এমনকি ‘গাউন’, টাই এবং জামার হাতা গুটিয়ে এজলাসে বসে বিচারকাজ চালাচ্ছিলেন।
আইনজীবী আবু সাঈদ সাগর ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য।
No comments:
Post a Comment