বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি লোক এখন ফেসবুক ব্যবহার করছেন বলে সামাজিক মিডিয়া কোম্পানিটি জানিয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই মাইলফলক অতিক্রম করার কথা ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ আমেরিকায় এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ঘোষণা দেন।
কোম্পানির হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীরা এক লক্ষ কোটিরও বেশি ‘লাইক’ দিয়েছেন, ৫১,৯০০ কোটি ছবি আপলোড এবং ১,৭০০ কোটি বার ‘চেক-ইন’ করেছেন।
আট বছর আগে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ওয়েবসাইট এখন নতুন বাজারে সম্প্রসারন করার কথা ভাবছে।
“আমাকে এবং আমার সহকর্মীদের আপনাকে সেবা করার সুযোগ দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ’’, মার্ক জুকারবার্গ নিজের ফেসবুক স্টেটাসে এই কথা দিয়ে আপডেট করেন।
‘’এক’শ কোটি লোককে একে অপরের সাথে যোগযোগ করিয়ে দিতে সাহায্য করাটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল।”
''আমার জীবনে অন্যান্য কাজের চেয়ে এই কাজের জন্য আমি সব চেয়ে বেশি গর্বিত’’, জুকারবার্গ বলেন।
নতুন মাইল ফলকের ঘোষণার সময় যেসব তথ্য প্রকাশ করা হয়, তাতে দেখা যাচ্ছে এখন প্রায় ৬০ কোটি মানুষ মোবাইল প্রযুক্তি দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করছেন, যেটা জুন মাসের তুলনায় প্রায় পাঁচ কোটি বেশি।
হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শুরু হবার পর থেকে এ পর্যন্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ১৪,০০০ কোটি বার ‘বন্ধুত্ব’ করেছেন।
শেয়ারবাজারে ফেসবুকের শেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যেই ৩৮ ডলার থেকে ২২ ডলারে নেমে গেছে। বাজার দর ধরে রাখার জন্য সম্প্রসারণ এবং প্রবৃদ্ধি অত্যাবশ্যক বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে আরো বেশি উপার্জনের রাস্তা বের করার দিকে, এবং নতুন বাজার সৃষ্টির দিকে কোম্পানি নজর দেবে।
ফেসবুক যদিও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক নেটওয়ার্ক, চীন এবং রাশিয়ার মত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে স্থানীয় প্রতিযোগীরা এখনো এগিয়ে আছে ।
নতুন বাজারের সন্ধানে
গত মাসে মার্ক জুকারবার্গ মস্কো সফরে গিয়ে প্রথমবারের মতো টেলিভিশন টক শোতে অংশগ্রহণ করেন, এবং প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদিয়েভ’র সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
তার সফরের উদ্দেশ্য ছিল ভি-কনটাক্ট নামের একটি স্থানীয় সামাজিক নেটওয়ার্ককে বিচলিত করা। রাশিয়াতে ১০ কোটির বেশি লোক ভি-কনটাক্ট ব্যবহার করেন, অন্যদিকে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭০ লাখ।
ফেসবুক চীনের দিকেও তাকিয়ে আছে এবং তাদের ভাষায় অন্যান্য ইন্টারনেট কোম্পানিদের কাছ থেকে ‘জ্ঞান অর্জন করছে’।
চীনে ফেসবুককে সফল হতে হলে রেন-রেন নামের স্থানীয় একটি নেটওয়ার্ক থেকে শীর্ষ স্থান দখল করতে হবে। এছাড়াও ফেসবুককে হয়তো প্রতিযোগিতা করতে হবে সিনা উইবো নামের টুইটারের মতো একটি সার্ভিসের সাথে, যাদের ৩০ কোটি ব্যবহারকারী আছে। সূত্র: বিবিসি।
গুরুত্বপূর্ণ এই মাইলফলক অতিক্রম করার কথা ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ আমেরিকায় এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ঘোষণা দেন।
কোম্পানির হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীরা এক লক্ষ কোটিরও বেশি ‘লাইক’ দিয়েছেন, ৫১,৯০০ কোটি ছবি আপলোড এবং ১,৭০০ কোটি বার ‘চেক-ইন’ করেছেন।
আট বছর আগে ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ওয়েবসাইট এখন নতুন বাজারে সম্প্রসারন করার কথা ভাবছে।
“আমাকে এবং আমার সহকর্মীদের আপনাকে সেবা করার সুযোগ দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ’’, মার্ক জুকারবার্গ নিজের ফেসবুক স্টেটাসে এই কথা দিয়ে আপডেট করেন।
‘’এক’শ কোটি লোককে একে অপরের সাথে যোগযোগ করিয়ে দিতে সাহায্য করাটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল।”
''আমার জীবনে অন্যান্য কাজের চেয়ে এই কাজের জন্য আমি সব চেয়ে বেশি গর্বিত’’, জুকারবার্গ বলেন।
নতুন মাইল ফলকের ঘোষণার সময় যেসব তথ্য প্রকাশ করা হয়, তাতে দেখা যাচ্ছে এখন প্রায় ৬০ কোটি মানুষ মোবাইল প্রযুক্তি দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করছেন, যেটা জুন মাসের তুলনায় প্রায় পাঁচ কোটি বেশি।
হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শুরু হবার পর থেকে এ পর্যন্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ১৪,০০০ কোটি বার ‘বন্ধুত্ব’ করেছেন।
শেয়ারবাজারে ফেসবুকের শেয়ারের মূল্য ইতোমধ্যেই ৩৮ ডলার থেকে ২২ ডলারে নেমে গেছে। বাজার দর ধরে রাখার জন্য সম্প্রসারণ এবং প্রবৃদ্ধি অত্যাবশ্যক বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে আরো বেশি উপার্জনের রাস্তা বের করার দিকে, এবং নতুন বাজার সৃষ্টির দিকে কোম্পানি নজর দেবে।
ফেসবুক যদিও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক নেটওয়ার্ক, চীন এবং রাশিয়ার মত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে স্থানীয় প্রতিযোগীরা এখনো এগিয়ে আছে ।
নতুন বাজারের সন্ধানে
গত মাসে মার্ক জুকারবার্গ মস্কো সফরে গিয়ে প্রথমবারের মতো টেলিভিশন টক শোতে অংশগ্রহণ করেন, এবং প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদিয়েভ’র সঙ্গে সাক্ষাত করেন।
তার সফরের উদ্দেশ্য ছিল ভি-কনটাক্ট নামের একটি স্থানীয় সামাজিক নেটওয়ার্ককে বিচলিত করা। রাশিয়াতে ১০ কোটির বেশি লোক ভি-কনটাক্ট ব্যবহার করেন, অন্যদিকে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭০ লাখ।
ফেসবুক চীনের দিকেও তাকিয়ে আছে এবং তাদের ভাষায় অন্যান্য ইন্টারনেট কোম্পানিদের কাছ থেকে ‘জ্ঞান অর্জন করছে’।
চীনে ফেসবুককে সফল হতে হলে রেন-রেন নামের স্থানীয় একটি নেটওয়ার্ক থেকে শীর্ষ স্থান দখল করতে হবে। এছাড়াও ফেসবুককে হয়তো প্রতিযোগিতা করতে হবে সিনা উইবো নামের টুইটারের মতো একটি সার্ভিসের সাথে, যাদের ৩০ কোটি ব্যবহারকারী আছে। সূত্র: বিবিসি।
No comments:
Post a Comment