সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দেশের সকল বিচারকরা বিচার কাজ পরিচালনায় স্বাধীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন।
তিনি বলেন, “তবে একজন বিচারক কিভাবে বিচার পরিচালনা করবেন এটা তার ব্যক্তিগত মানুষীকতার ওপর নির্ভর করে।”
শনিবার সকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আয়োজিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে নবীন আইনজীবীদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা দক্ষতার সঙ্গে আইন পেশার কাজ করবেন। কারণ আইনজীবীর দক্ষতা ও যোগ্যতা বিচারিক কাজের সঙ্গে জড়িত।”
তিনি বলেন, “একজন দক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে একজন বিচার প্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত হতে পারে।”
‘যার নাই কোনো গতি সে করে ওকালতি’ এই প্রবাদ বাক্যটি উচ্চারণ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এ বাক্যটি আগে প্রযোজ্য ছিল। এখন আর এ কথা প্রযোজন্য নাই। কেননা এখন আইন পেশায় দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবীরা প্রবেশ করেছেন। এ পেশা এখন চ্যালেঞ্জিং পেশায় পরিণত হয়েছে।
সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম নবীন আইনজীবীদের সততার সঙ্গে আইনপেশা পরিচালনা করার আহবান জানিয়ে বলেন, “এ পেশায় আপনার যোগ্যতা প্রমাণ দিতে নিজেকে সৎ রেখে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে বিচারকদের প্রতি শ্রদ্ধাও থাকতে হবে।”
তিনি বলেন, “উচ্চ আদালতে কোনো বিচারক সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে তা প্রধান বিচারপতির কাছে বলতে হবে। আর নিম্ন আদালতে কোনো বিচারক সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে তা জেলা জজকে জানাতে হবে।”
মাহবুবে আলম বলেন, “সভ্যতার অনেক সংকট আছে তবে আজকের সবচেয়ে বড় সংকট হল নৈতিকতার। তাই নৈতিকতা সমুন্নত রেখে সনদ গ্রহণকারী আইনজীবীদের কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান তিনি।”
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে পাশ করা দুই হাজার ৫৬২ জনের মধ্যে এক হাজার ৩৬৯ জনের সনদ বিতরণ করা হয়। বাকিদের সনদ পরে বিতরণ করা হবে বলে বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এন্ডোরমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নতুন ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেত মজুমদার, সাবেক এটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী।
তিনি বলেন, “তবে একজন বিচারক কিভাবে বিচার পরিচালনা করবেন এটা তার ব্যক্তিগত মানুষীকতার ওপর নির্ভর করে।”
শনিবার সকালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আয়োজিত ইঞ্জিনিয়ারিং ইনষ্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে নবীন আইনজীবীদের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনারা দক্ষতার সঙ্গে আইন পেশার কাজ করবেন। কারণ আইনজীবীর দক্ষতা ও যোগ্যতা বিচারিক কাজের সঙ্গে জড়িত।”
তিনি বলেন, “একজন দক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে একজন বিচার প্রার্থীর ন্যায় বিচার নিশ্চিত হতে পারে।”
‘যার নাই কোনো গতি সে করে ওকালতি’ এই প্রবাদ বাক্যটি উচ্চারণ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এ বাক্যটি আগে প্রযোজ্য ছিল। এখন আর এ কথা প্রযোজন্য নাই। কেননা এখন আইন পেশায় দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবীরা প্রবেশ করেছেন। এ পেশা এখন চ্যালেঞ্জিং পেশায় পরিণত হয়েছে।
সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম নবীন আইনজীবীদের সততার সঙ্গে আইনপেশা পরিচালনা করার আহবান জানিয়ে বলেন, “এ পেশায় আপনার যোগ্যতা প্রমাণ দিতে নিজেকে সৎ রেখে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে বিচারকদের প্রতি শ্রদ্ধাও থাকতে হবে।”
তিনি বলেন, “উচ্চ আদালতে কোনো বিচারক সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে তা প্রধান বিচারপতির কাছে বলতে হবে। আর নিম্ন আদালতে কোনো বিচারক সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে তা জেলা জজকে জানাতে হবে।”
মাহবুবে আলম বলেন, “সভ্যতার অনেক সংকট আছে তবে আজকের সবচেয়ে বড় সংকট হল নৈতিকতার। তাই নৈতিকতা সমুন্নত রেখে সনদ গ্রহণকারী আইনজীবীদের কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান তিনি।”
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে পাশ করা দুই হাজার ৫৬২ জনের মধ্যে এক হাজার ৩৬৯ জনের সনদ বিতরণ করা হয়। বাকিদের সনদ পরে বিতরণ করা হবে বলে বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এন্ডোরমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নতুন ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেত মজুমদার, সাবেক এটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী।
No comments:
Post a Comment