Pages

Monday, October 1, 2012

বই-বিতর্কে মুখ খুললেন রাওলিং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বই-বিতর্কে মুখ খুললেন রাওলিং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
ছোটদের বই লিখে বিখ্যাত হওয়া জে কে রাওলিংয়ের বড়দের বই ‘ক্যাজুয়াল ভ্যাকেন্সি’ প্রকাশিত হয়েছে গত ২৭ সেপ্টেম্বর।যা ইতিমধ্যেই বিতর্কের ঝড় তুলেছে।আর এই বিতর্কের জবাব দিতেই শনিবার মুখ খুলেছেন লেখিকা নিজেই।

‘ক্যাজুয়াল ভ্যাকেন্সি’র গল্পটি পশ্চিম ইংল্যান্ডের প্যাগফোর্ড নামের একটি শহরে বসবাসকারী একটি শিখ পরিবারকে নিয়ে।আর যত বিপত্তি এখানেই।শিখদের নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য, বিশেষ করে ওই শিখ পরিবারের এক সদস্য, কলেজের ছাত্রী সুখবিন্দরের শারীরিক গঠনের যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতেই চটেছে ভারতের শিখ সম্প্রদায়।
 
তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংগঠন অকাল তখত বইটির সমালোচনায় মুখর হয়েছে।তাদের প্রতিনিধি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটির (এসজিপিসি) প্রধান অবতার সিং মক্কড় দাবি জানিয়েছেন, অন্তত ভারতে যে বইগুলি বিক্রি হবে সেগুলি থেকে আপত্তিকর অংশগুলি বাদ দিতে হবে।নইলে আইনের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবেন তারা।

তবে লেখিকা রাওলিংয়ের দাবি, শিখদের সম্পর্কে না জেনেশুনে একটা বর্ণও লেখেননি তিনি।বরং রীতিমতো পড়াশোনা করেই যা লেখার লিখেছেন। ৪৭ বছরের রোওলিং জানান, তার বয়স যখন বিশ বছর ছিলো, তখন তার এক শিখ বান্ধবী ছিল।সেই বান্ধবীর কাছ থেকেই প্রথম জানতে পারেন শিখ ধর্ম সম্পর্কে। জানতে পারেন, এই ধর্মে নারী-পুরুষের মধ্যে কোনও রকম ভেদাভেদ করা হয় না। সেই সময় থেকেই এই ধর্ম নিয়ে আগ্রহ বাড়তে থাকে তার। আর তাই শিখ ধর্ম নিয়ে অনেক পড়াশোনাও করেছেন। যার ফলেই প্রতিটি চরিত্র গভীর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।
 
শিখদের অভিযোগরে ব্যপারে রাওলিং বলেন, “জওয়ানদাসের পরিবার যে কোনও মধ্যবিত্ত পরিবারের মতোই। সেখানে বাবা-মা দু’জনেই যথেষ্ট সফল। তিনটি বাচ্চাও খুব সুন্দর। তবুও ওই পরিবারে নানা সমস্যা তৈরি হয়। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল, বাইরে থেকে নানা ধরনের চাপ তৈরি হওয়া। বিশেষ করে মায়ের উপর।”
 
প্যাগফোর্ডে জওয়ানদাসের পরিবারকে যে সব সমস্যার মুখে পড়তে হয় তার মধ্যে সব চেয়ে গুরুতর হল জাতিবিদ্বেষ। লেখিকার দাবি, বইটিতে তিনি সেটিই দেখিয়েছেন। সূত্র: আ.বা

No comments:

Post a Comment