বিষণ্ণতার কারণে প্রতি বছর বিশ্বে ১০ লাখ লোক আত্মহত্যা করে। বিষণ্ণতা একটি
গুরুতর কষ্টদায়ক ও কর্মক্ষমতা হ্রাসকারী মানসিক রোগ। এ কারণেই বিষণ্ণতায়
ভুক্তভোগীদের অনেকে আত্মহত্যাপ্রবণ।
বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস আয়োজিত ‘বিষণ্ণতা: একটি বৈশ্বিক সংকট’ শীর্ষক কনফারেন্সে বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন।
কনফারেন্সে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১ শতাংশ বিষণ্ণতায় আক্রান্ত। বিষণ্ণতার কারণে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, পেশাগত ও সামাজিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষণ্ণতা কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মানুষ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
তারা আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষের মধ্যে একটি গবেষণা করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ১৬.১ শতাংশ কোনো না কোনো ধরনের মানসিক রোগে ভুগছে।
মানসিক রোগী ও প্রতিবন্ধিতার বিষয়টি এক কিনা জানতে চাইলে প্রফেসর ডা. মো. শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এক নয়, তবে মানসিক রোগের কারণে মাঝে মাঝে প্রতিবন্ধিতা আসতে পারে। সামাজিক, পারিবারিক বা যে কোনো ধরনের চাপের কারণে এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে।
অধ্যাপক এম গোলাম রব্বানী জানান, ২০০৯-১০ সালে শিশুদের ওপর পরিচালিত পৃথক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের মোট ১৮.৪ শতাংশ শিশু-কিশোর কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগছে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে বিষণ্ণতার হার মাত্র ১ শতাংশ।
মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক নীতিমালা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নীতিমালা নিয়ে আমরা দিন রাত্রি কাজ করে যাচ্ছি। এটা বাস্তবায়ন করতে দুটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। আগামী সপ্তাহে আমরা বসব। তারপরে এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেয়া হবে। আমরা আশা করি এক মাসের মধ্যেই এ নীতিমালায় একটা গতি আসবে।
কনফারেন্সে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মানসিক হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ওয়াজিউল আলম।
বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস আয়োজিত ‘বিষণ্ণতা: একটি বৈশ্বিক সংকট’ শীর্ষক কনফারেন্সে বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন।
কনফারেন্সে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১ শতাংশ বিষণ্ণতায় আক্রান্ত। বিষণ্ণতার কারণে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, পেশাগত ও সামাজিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষণ্ণতা কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মানুষ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।
তারা আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ১৮ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষের মধ্যে একটি গবেষণা করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ১৬.১ শতাংশ কোনো না কোনো ধরনের মানসিক রোগে ভুগছে।
মানসিক রোগী ও প্রতিবন্ধিতার বিষয়টি এক কিনা জানতে চাইলে প্রফেসর ডা. মো. শাহ আলম বলেন, বিষয়টি এক নয়, তবে মানসিক রোগের কারণে মাঝে মাঝে প্রতিবন্ধিতা আসতে পারে। সামাজিক, পারিবারিক বা যে কোনো ধরনের চাপের কারণে এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে।
অধ্যাপক এম গোলাম রব্বানী জানান, ২০০৯-১০ সালে শিশুদের ওপর পরিচালিত পৃথক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের মোট ১৮.৪ শতাংশ শিশু-কিশোর কোনো না কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগছে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে বিষণ্ণতার হার মাত্র ১ শতাংশ।
মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক নীতিমালা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নীতিমালা নিয়ে আমরা দিন রাত্রি কাজ করে যাচ্ছি। এটা বাস্তবায়ন করতে দুটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে। আগামী সপ্তাহে আমরা বসব। তারপরে এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দেয়া হবে। আমরা আশা করি এক মাসের মধ্যেই এ নীতিমালায় একটা গতি আসবে।
কনফারেন্সে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মানসিক হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. ওয়াজিউল আলম।
No comments:
Post a Comment