চট্টগ্রামের পটিয়ায় বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা তদন্ত শেষে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, “বাংলাদেশ একটি
মডারেট গণতান্ত্রিক মুসলিম রাষ্ট্র। এখানে সাম্প্রাদায়িকতার কোনো স্থান
নেই। অতীতেও ছিল না।”
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। এই ধারাটি নতুন নয়। ’৭১ সালেও তাদের সহায় সম্পদ কেড়ে নেয়া হয়েছে। কারা করেছে দেশবাসী তা জানে।”
কক্সবাজারের রামু, উখিয়ায় ও পটিয়ায় বৌদ্ধ ও হিন্দু মন্দিরে হামলা এবং ভাংচুরের ঘটনা অনুসন্ধানে গঠিত বিএনপি’র তদন্ত দলের প্রধান ব্যরিস্টার মওদুদ শনিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পটিয়ার লাখেরা ও কোলাগাঁও এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে তদন্তদ দল শুক্রবার কক্সবাজারের রামু ও উখিয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মওদুদ বলেন “পটিয়ায় মন্দিরে যারা ভাংচুর করেছে, তাদের দলীয় পরিচয়, প্রশাসনের ভূমিকা, সরকারের পদক্ষেপ, ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরোধী দলকে দায়ী করে বক্তব্য প্রদানের সঙ্গে ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখবে বিএনপির তদন্ত দল।”
এসব ঘটনা ঘটিয়ে কারা সুবিধা হাসিল করতে চায়, আগামী নির্বাচনের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তা সাংবাদিক সম্মেলন করে দেশবাসীকে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ব্যরিস্টার মওদুদ বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের আশ্বস্ত করে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এ সব ঘটনার হোতাদের বিচার করা হবে। কোনো ধর্মের প্রতি আঘাত না করে তিনি নির্বিঘ্নে সবাইকে স্ব স্ব ধর্ম পালনের আহবান জানান।
এর আগে বিএনপির তদন্ত দল পটিয়ায় এসে পৌঁছলে তাদের স্বাগত জানিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে যান পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ ইদ্রিচ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা সেলিম চৌধুরীসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।
এসময় তার সঙ্গে তদন্ত কমিটির সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দকার, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রাক্তন পানি সম্পদপ্রতিমন্ত্রী এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল অব. রুহুল আলম প্রতিটি বিহার ও মন্দির ঘুরে ঘুরে দেখেন।
তারা ঘটনাস্থলের আলামত সংগ্রহ, ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজনের সাক্ষাতকার, ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ দীপানন্দ ভিক্ষুর বক্তব্য রেকর্ড করেন। তারা স্থানীয় বৌদ্ধ নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বিহার কমিটির সভাপতি অজিত বড়ুয়াসহ বৌদ্ধ স্ম্প্রদায়ের নেতারা তদন্ত কমিটিকে জানান, ঘটনার সময় স্থানীয় কালারপোল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ উপস্থিত ছিল। তাছাড়া আগের দিন থেকেই ওয়েস্টার্ন মেরিনের শ্রমিকরা মিছিল করবে বলে জানা গেছে।
তারা জানান, সেখান থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে বড়ুয়া পাড়ায় এসে তারা হামলা করবে বড়ুয়া সম্প্রদায় তা বিশ্বাস করতে পারেনি। শত শত লোক মিছিল করে বড়ুয়া পাড়ায় প্রবেশের সময় সরকার পন্থী চট্টগ্রামের স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার পটিয়া প্রতিনিধি ছবি তুলেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় ঘটনাটি ছিল পূর্ব কল্পিত।
তদন্ত কমিটিকে তারা আরও জানান, কোলাগাঁও ও লাখারা এলাকার মুসলমানদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ অতীতে ছিল না। তারা ঘটনাটিকে রাজনীতিকরণ না করার ও পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি করা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের প্রতি আহবান জানান।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। এই ধারাটি নতুন নয়। ’৭১ সালেও তাদের সহায় সম্পদ কেড়ে নেয়া হয়েছে। কারা করেছে দেশবাসী তা জানে।”
কক্সবাজারের রামু, উখিয়ায় ও পটিয়ায় বৌদ্ধ ও হিন্দু মন্দিরে হামলা এবং ভাংচুরের ঘটনা অনুসন্ধানে গঠিত বিএনপি’র তদন্ত দলের প্রধান ব্যরিস্টার মওদুদ শনিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পটিয়ার লাখেরা ও কোলাগাঁও এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে তদন্তদ দল শুক্রবার কক্সবাজারের রামু ও উখিয়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মওদুদ বলেন “পটিয়ায় মন্দিরে যারা ভাংচুর করেছে, তাদের দলীয় পরিচয়, প্রশাসনের ভূমিকা, সরকারের পদক্ষেপ, ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরোধী দলকে দায়ী করে বক্তব্য প্রদানের সঙ্গে ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখবে বিএনপির তদন্ত দল।”
এসব ঘটনা ঘটিয়ে কারা সুবিধা হাসিল করতে চায়, আগামী নির্বাচনের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তা সাংবাদিক সম্মেলন করে দেশবাসীকে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ব্যরিস্টার মওদুদ বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মালম্বীদের আশ্বস্ত করে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এ সব ঘটনার হোতাদের বিচার করা হবে। কোনো ধর্মের প্রতি আঘাত না করে তিনি নির্বিঘ্নে সবাইকে স্ব স্ব ধর্ম পালনের আহবান জানান।
এর আগে বিএনপির তদন্ত দল পটিয়ায় এসে পৌঁছলে তাদের স্বাগত জানিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে যান পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ ইদ্রিচ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা সেলিম চৌধুরীসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।
এসময় তার সঙ্গে তদন্ত কমিটির সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দকার, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও প্রাক্তন পানি সম্পদপ্রতিমন্ত্রী এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল অব. রুহুল আলম প্রতিটি বিহার ও মন্দির ঘুরে ঘুরে দেখেন।
তারা ঘটনাস্থলের আলামত সংগ্রহ, ঘটনার সময় উপস্থিত লোকজনের সাক্ষাতকার, ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ দীপানন্দ ভিক্ষুর বক্তব্য রেকর্ড করেন। তারা স্থানীয় বৌদ্ধ নেতাদের সঙ্গেও সাক্ষাত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত বিহার কমিটির সভাপতি অজিত বড়ুয়াসহ বৌদ্ধ স্ম্প্রদায়ের নেতারা তদন্ত কমিটিকে জানান, ঘটনার সময় স্থানীয় কালারপোল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ উপস্থিত ছিল। তাছাড়া আগের দিন থেকেই ওয়েস্টার্ন মেরিনের শ্রমিকরা মিছিল করবে বলে জানা গেছে।
তারা জানান, সেখান থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে বড়ুয়া পাড়ায় এসে তারা হামলা করবে বড়ুয়া সম্প্রদায় তা বিশ্বাস করতে পারেনি। শত শত লোক মিছিল করে বড়ুয়া পাড়ায় প্রবেশের সময় সরকার পন্থী চট্টগ্রামের স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার পটিয়া প্রতিনিধি ছবি তুলেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় ঘটনাটি ছিল পূর্ব কল্পিত।
তদন্ত কমিটিকে তারা আরও জানান, কোলাগাঁও ও লাখারা এলাকার মুসলমানদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ অতীতে ছিল না। তারা ঘটনাটিকে রাজনীতিকরণ না করার ও পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুড়ি করা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের প্রতি আহবান জানান।
No comments:
Post a Comment