শক্তিশালী গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
তিনি বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গ্রন্থাগার পেশাজীবীদের দু’দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, “আমরা সংরক্ষণ ব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রন্থাগার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এতে গবেষণা সহজ হবে এবং পেশাদারিত্বের মানোন্নয়ন ঘটবে।”
বাংলাদেশ লাইব্রেরিয়ান্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ।
অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিলারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল মাজেদ, মহাসচিব ড. মিজানুর রহমান এবং গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক নাফিজ জামান শুভ বক্তৃতা করেন।
শেখ হাসিনা জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে হিসেবে দেশব্যাপী গ্রন্থাগারের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য সমাজের সম্পদশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “আপনাদের অর্জিত অর্থের একটি অংশ এলক্ষ্যে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করার সরকারি উদ্যোগে সহযোগিতা করুন।”
তিনি বলেন, তার সরকার দেশের গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। গ্রন্থাগারগুলো ডিজিটাইজড করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে জ্ঞানপিপাসুরা আরো সহজে তাদের পাঠচাহিদা মেটাতে পারবেন। এছাড়া গ্রন্থাগারের অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি গণগ্রন্থাগারগুলোর নিজস্ব ভবন এবং ৪৫টি জেলায় পাবলিক লাইব্রেরি নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত গণগ্রন্থাগার স্থাপনের কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এখানে পাঠকরা অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাবেন। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের তথ্যসেবা প্রদানে ব্লাইন্ড সেন্টার খোলা হয়েছে। একটি ডিজিটাল ডিপোজিটোরি তৈরির কাজও এগিয়ে চলছে। এসঙ্গে দেশের সব বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৮ হাজার সহকারী লাইব্রিয়ানের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান সরকারের প্রণীত আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতিতে গ্রন্থাগার ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার গড়ে তোলার ওপর গুরত্বারোপ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার দেশে শক্তিশালী গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গ্রন্থাগার পেশাজীবীদের দু’দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, “আমরা সংরক্ষণ ব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রন্থাগার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এতে গবেষণা সহজ হবে এবং পেশাদারিত্বের মানোন্নয়ন ঘটবে।”
বাংলাদেশ লাইব্রেরিয়ান্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ।
অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিলারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল মাজেদ, মহাসচিব ড. মিজানুর রহমান এবং গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক নাফিজ জামান শুভ বক্তৃতা করেন।
শেখ হাসিনা জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে হিসেবে দেশব্যাপী গ্রন্থাগারের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য সমাজের সম্পদশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “আপনাদের অর্জিত অর্থের একটি অংশ এলক্ষ্যে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করার সরকারি উদ্যোগে সহযোগিতা করুন।”
তিনি বলেন, তার সরকার দেশের গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। গ্রন্থাগারগুলো ডিজিটাইজড করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে জ্ঞানপিপাসুরা আরো সহজে তাদের পাঠচাহিদা মেটাতে পারবেন। এছাড়া গ্রন্থাগারের অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি গণগ্রন্থাগারগুলোর নিজস্ব ভবন এবং ৪৫টি জেলায় পাবলিক লাইব্রেরি নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত গণগ্রন্থাগার স্থাপনের কাজ চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এখানে পাঠকরা অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাবেন। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের তথ্যসেবা প্রদানে ব্লাইন্ড সেন্টার খোলা হয়েছে। একটি ডিজিটাল ডিপোজিটোরি তৈরির কাজও এগিয়ে চলছে। এসঙ্গে দেশের সব বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৮ হাজার সহকারী লাইব্রিয়ানের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান সরকারের প্রণীত আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতিতে গ্রন্থাগার ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার গড়ে তোলার ওপর গুরত্বারোপ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
No comments:
Post a Comment