সাধারণত গরুর দুধে শিশুরা অ্যালার্জি আক্রান্ত হয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে,
এক বছর বয়সী প্রায় ৩ শতাংশ শিশুর গরুর দুধে অ্যালার্জি রয়েছে। চিকিৎসা
বিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে ল্যাক্টোজ অ্যালার্জি বলা হয়। তবে জেনেটিক উপায়ে
তৈরি করা গরু বা জিএম গরুর দুধে এ ধরনের অ্যালার্জির আশঙ্কা কম বলে দাবি
করেছেন বিজ্ঞানীরা।
নিউজিল্যান্ডের ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা বলছেন, যেসব গরুর দেহে জিনগত পরিবর্তন করা হয়েছে সেগুলোর
দুধে অ্যালার্জির মাত্রা কম।
বিজ্ঞানীরা জানান, জেনেটিক উপায়ে তৈরি করা গরুর দুধে বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন থাকে না। বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন নামক এ প্রোটিন জাতীয় পদার্থটিই অ্যালার্জির কারণ।
নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা জানান, মায়ের দুধ ও গরুর দুধের মধ্যে গবেষণা করে দেখা গেছে, মায়ের দুধে বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোলিন নামক প্রোটিন থাকে না। কিন্তু সাধারণ গরুর দুধে এ প্রোটিনটি বিদ্যমান। তাই বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন সমৃদ্ধ দুধে শিশুরা অ্যালার্জি আক্রান্ত হয়।
বিজ্ঞানীরা গরুর ডিএনএতে পরিবর্তন করে বেটা ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন প্রোটিন তৈরির পদ্ধতিকে পরিবর্তন করেছেন। তারা বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন জাতীয় প্রোটিন উৎপাদন ব্যাহত করতে আরএনএ ইন্টারফেয়ারেন্স পদ্ধতির মাধ্যমে গরুর দেহে বাড়তি জেনেটিক উপাদান প্রবেশ করিয়েছেন। এ পদ্ধতিতে তৈরি করা বাছুরটি লেজ ছাড়া জন্ম নিয়েছে।
গবেষকরা জানান, সম্ভবত জেনেটিক পরিবর্তনের কারণেই এমনটি হয়েছে। বাছুরটি এখনো গর্ভবতী হয়নি। তাই এর দুধ উৎপাদন শুরু হয়নি। সেজন্য হরমোন ব্যবহার করে বাছুরটি থেকে দুধ পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।
গবেষকরা গরুর দুধে অ্যালার্জির উপাদান দূর করার পদ্ধতিকে মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করছেন। তবে
অনেকেই মনে করছেন, জেনেটিক উপায়ে গরু তৈরি করা নিয়ে নীতিগত সংকট দেখা দিতে পারে। সূত্র: বিবিসি
নিউজিল্যান্ডের ওয়াইকাটো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা বলছেন, যেসব গরুর দেহে জিনগত পরিবর্তন করা হয়েছে সেগুলোর
দুধে অ্যালার্জির মাত্রা কম।
বিজ্ঞানীরা জানান, জেনেটিক উপায়ে তৈরি করা গরুর দুধে বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন থাকে না। বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন নামক এ প্রোটিন জাতীয় পদার্থটিই অ্যালার্জির কারণ।
নিউজিল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা জানান, মায়ের দুধ ও গরুর দুধের মধ্যে গবেষণা করে দেখা গেছে, মায়ের দুধে বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোলিন নামক প্রোটিন থাকে না। কিন্তু সাধারণ গরুর দুধে এ প্রোটিনটি বিদ্যমান। তাই বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন সমৃদ্ধ দুধে শিশুরা অ্যালার্জি আক্রান্ত হয়।
বিজ্ঞানীরা গরুর ডিএনএতে পরিবর্তন করে বেটা ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন প্রোটিন তৈরির পদ্ধতিকে পরিবর্তন করেছেন। তারা বেটা-ল্যাক্টোগ্গ্নোবুলিন জাতীয় প্রোটিন উৎপাদন ব্যাহত করতে আরএনএ ইন্টারফেয়ারেন্স পদ্ধতির মাধ্যমে গরুর দেহে বাড়তি জেনেটিক উপাদান প্রবেশ করিয়েছেন। এ পদ্ধতিতে তৈরি করা বাছুরটি লেজ ছাড়া জন্ম নিয়েছে।
গবেষকরা জানান, সম্ভবত জেনেটিক পরিবর্তনের কারণেই এমনটি হয়েছে। বাছুরটি এখনো গর্ভবতী হয়নি। তাই এর দুধ উৎপাদন শুরু হয়নি। সেজন্য হরমোন ব্যবহার করে বাছুরটি থেকে দুধ পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।
গবেষকরা গরুর দুধে অ্যালার্জির উপাদান দূর করার পদ্ধতিকে মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করছেন। তবে
অনেকেই মনে করছেন, জেনেটিক উপায়ে গরু তৈরি করা নিয়ে নীতিগত সংকট দেখা দিতে পারে। সূত্র: বিবিসি
No comments:
Post a Comment