সরাকরি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়েছে
‘চাকরিতে প্রবেশর বয়স সীমা বৃদ্ধির দাবি বাস্তবায়ন কমিটি’ (বাংলাদেশ সাধারণ
ছাত্র পরিষদ)।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
গড় আয়ু, সেশন জট এবং অনার্স ও পাস কের্সের মেয়াদ বাড়লেও সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা না বাড়ানোকে এক ধরনের প্রহসন বলে আখ্যায়িত করেন তারা।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য আনন্দ কুমার মণ্ডল, আব্দুল মান্নান, সাজ্জাদুর রহমান, মশিউর রহমান, মেহেদী হাসান প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিসিএসসহ ১ম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরির প্রজ্ঞাপনে বয়স সীমা ২১ বছর। কিন্তু যখন এই নিয়মটি চালু করা হয় তখন একজন শিক্ষার্থী দুই বছর মেয়াদী ডিগ্রি পাস কোর্স শেষ করে আবেদন করতে পারতো।
তারা বলেন, এখন ডিগ্রি পাস কোর্সের মেয়াদ তিন বছর করা হয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। আবার শিক্ষা নীতিমালায় জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী ছয় বছর বয়সে বিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে চাকরিতে আবেদনের বয়স সীমা বাড়ানো উচিত।
তারা আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পেক্ষাপটের কারণে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন শেষ করতে ২৮ থেকে ২৯ বছর সময় লেগে যায়।
মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়।
গড় আয়ু, সেশন জট এবং অনার্স ও পাস কের্সের মেয়াদ বাড়লেও সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা না বাড়ানোকে এক ধরনের প্রহসন বলে আখ্যায়িত করেন তারা।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য আনন্দ কুমার মণ্ডল, আব্দুল মান্নান, সাজ্জাদুর রহমান, মশিউর রহমান, মেহেদী হাসান প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিসিএসসহ ১ম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারি চাকরির প্রজ্ঞাপনে বয়স সীমা ২১ বছর। কিন্তু যখন এই নিয়মটি চালু করা হয় তখন একজন শিক্ষার্থী দুই বছর মেয়াদী ডিগ্রি পাস কোর্স শেষ করে আবেদন করতে পারতো।
তারা বলেন, এখন ডিগ্রি পাস কোর্সের মেয়াদ তিন বছর করা হয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। আবার শিক্ষা নীতিমালায় জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী ছয় বছর বয়সে বিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে চাকরিতে আবেদনের বয়স সীমা বাড়ানো উচিত।
তারা আরো বলেন, দেশের বিভিন্ন সামাজিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পেক্ষাপটের কারণে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন শেষ করতে ২৮ থেকে ২৯ বছর সময় লেগে যায়।
মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়া হয়।
No comments:
Post a Comment