স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, “সাংবাদিক দম্পতি
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে
জড়িত হুমায়ুন ওফে এনামুলকে গ্রেফতার করতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করা
হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিক দম্পতির বন্ধু তানভীরকে সন্দেহ করা হচ্ছে।”
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জজ মিয়া নাটক সাজানো হচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “আমরা জজ মিয়ার মতো কোনো নাটক সাজাতে আসিনি। আওয়ামী লীগ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। এ সরকার কখানো এ ধরণের কাজ করতে পারে না।”
তিনি জানান, “গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রফিক, মিন্টু, সাইদ, বকুল, গাড়িচালক কামরুল, তানভীর, দুই জনের মধ্যে প্রহরী রুদ্র ও পলাশ।”
তিনি জানান, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর মহীউদ্দীন খান আলমগীর সাংবাদিকদের কাছে আশা প্রকাশ করেছিলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের রহস্য ১০ অক্টোবরের মধ্যে উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
ওই সময় তিনি বলেছিলেন, “সরকার সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ মামলায় আমরা যেসব তথ্য পেয়েছি, এর ভিত্তিতে বলতে পারি, আগামী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।”
সাগরু-রুনি হত্যাকাণ্ডের এতো দিন পর কেন আসামি ধরা পড়লো এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের কাজ অপরাধ করা। তারা এক জায়গায় অপরাধ করে অন্য জায়গায় চলে যায়।
মন্ত্রী বলেন, “এসব আসামির ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। এর পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। আরো আসামি পাওয়া গেলে তাদেরও গ্রেফতার করা হবে।
সাংবাদিকদের আন্দোলন-কর্মসূচির মুখে সর্বশেষে গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সাংবাদিক দম্পতি হত্যা রহস্য আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে উন্মোচন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সংসদ সদস্য সানজিদা খাতুন, স্বরাস্ট্র সচিব সি কিউ এ মোস্তাকসহ র্যাব পুলিশের বিভিন্ন কর্মকতা।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।
এরপর সাবেক স্বরষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন খুনিদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জজ মিয়া নাটক সাজানো হচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “আমরা জজ মিয়ার মতো কোনো নাটক সাজাতে আসিনি। আওয়ামী লীগ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। এ সরকার কখানো এ ধরণের কাজ করতে পারে না।”
তিনি জানান, “গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রফিক, মিন্টু, সাইদ, বকুল, গাড়িচালক কামরুল, তানভীর, দুই জনের মধ্যে প্রহরী রুদ্র ও পলাশ।”
তিনি জানান, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর মহীউদ্দীন খান আলমগীর সাংবাদিকদের কাছে আশা প্রকাশ করেছিলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের রহস্য ১০ অক্টোবরের মধ্যে উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
ওই সময় তিনি বলেছিলেন, “সরকার সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ মামলায় আমরা যেসব তথ্য পেয়েছি, এর ভিত্তিতে বলতে পারি, আগামী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।”
সাগরু-রুনি হত্যাকাণ্ডের এতো দিন পর কেন আসামি ধরা পড়লো এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের কাজ অপরাধ করা। তারা এক জায়গায় অপরাধ করে অন্য জায়গায় চলে যায়।
মন্ত্রী বলেন, “এসব আসামির ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। এর পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। আরো আসামি পাওয়া গেলে তাদেরও গ্রেফতার করা হবে।
সাংবাদিকদের আন্দোলন-কর্মসূচির মুখে সর্বশেষে গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সাংবাদিক দম্পতি হত্যা রহস্য আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে উন্মোচন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সংসদ সদস্য সানজিদা খাতুন, স্বরাস্ট্র সচিব সি কিউ এ মোস্তাকসহ র্যাব পুলিশের বিভিন্ন কর্মকতা।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।
এরপর সাবেক স্বরষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন খুনিদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছিলেন।
No comments:
Post a Comment