আজ শনিবার থেকে তিন দিন মোবাইল ফোন রিচার্জ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা
টেলিরিচার্জ ঐক্যপরিষদ। কমিশন বৃদ্ধিসহ সাত দফা দাবিতে এই আন্দোলনের ডাক
দিয়েছে সংগঠনটি। অপরদিকে কমিশন ১০ শতাংশে উন্নীত করাসহ ১১ দাফা দাবি মানতে
মোবাইল অপারেটরদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম বেধে দিয়েছে আরেকটি সংগঠন মোবাইল
ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশন।
ধর্মঘট সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা টেলি রিচার্জ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক নুরুল হুদা বার্তা২৪ ডটনেট-কে জানান, শনিবার থেকে ঢাকায় কোনো দোকান থেকেই রিচার্জ করা যাবে না। কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে আমরা ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সকল প্রকার রিচার্জ দেয়া নেয়া বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, “শনিবার আমরা প্রতি ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে ধর্মঘট পর্যবেক্ষণ করবো। কেউ রিচার্জ চালু রাখলে সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অবশ্য এর প্রয়োজন হবে না। কেননা সকল রিচার্জ ব্যবসায়ীই এই দাবির সাথে একমত।”
তিনি আরও বলেন, “গত রোববার সংগঠনের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্বারকলিপি প্রতিটি অপারেটরের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দাবি পূরণে তাদেরকে ৭২ ঘণ্টা সময়ও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা এ সম্পর্কে নিরব থাকায় আমরা এবার আন্দোলন ঘোষণা করছি।”
তিনি জানান, ৮ অক্টোবর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন থেকে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে।
অপরদিকে মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু বলেন, “আমাদের দিয়ে হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করবে অপারেটররা কিন্তু যারা রিচার্জ করে দেয় তাদেরকে কিছু দেবে না তা হয় না। উপরন্তু আমাদের অবজ্ঞা করে ব্যবসা করবে, তা হাতে পারে না।”
তিনি জানান, অপারেটরদেরকে তাদের শক্তি বোঝানোর জন্যে গত কয়েক দিন বিক্ষিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় রিচার্জ বন্ধ রেখে অপারেটরদের এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়।
তিনি বলেন, “রিজার্জ কমিশন বাড়ানোর বিষয়ে গত বুধবার এয়ারটেলের সঙ্গে আলোচনা করেছে রিচার্জ অ্যাসোসিয়েশন। বৈঠকে গ্রামীণফোন যেহেতু সবচেয়ে বড় কোম্পানি ফলে তাদের সঙ্গে বসে এ বিষয়ে রফা করতে অ্যাসোসিয়েশন নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন এয়ারটেলের হেড অব ডিষ্ট্রিবিউশন মাসুদুর রহমান।”
এর আগে বিটিআরসি’র সঙ্গেও বৈঠক করেছেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু। তিনি বলেন, বিটিআরসি তাদেরকে বলে দিয়েছে, কেউ কোনো অন্যায় চাপিয়ে দিলে বিটিআরসি সেটা দেখবে। ফলে তাদেরকে আটকে রাখা যাবে না।
প্রসঙ্গত, ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর উত্তরাঞ্চলে প্রথম রিচার্জ বন্ধ করে আন্দোলনের শুরু করে অ্যাসোসিয়েশন। তারপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় রিচার্জ বন্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরো মুন্সিগঞ্জ জেলায় রিচার্জ বন্ধ ছিল।
প্রতি দশ হাজার টাকা রিচার্জে মাত্র ২৭৫ টাকা কমিশন পান মুঠোফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। ফলে অনেক দিন থেকে এই কমিশন ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
ধর্মঘট সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা টেলি রিচার্জ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক নুরুল হুদা বার্তা২৪ ডটনেট-কে জানান, শনিবার থেকে ঢাকায় কোনো দোকান থেকেই রিচার্জ করা যাবে না। কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে আমরা ৬ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সকল প্রকার রিচার্জ দেয়া নেয়া বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, “শনিবার আমরা প্রতি ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে ধর্মঘট পর্যবেক্ষণ করবো। কেউ রিচার্জ চালু রাখলে সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অবশ্য এর প্রয়োজন হবে না। কেননা সকল রিচার্জ ব্যবসায়ীই এই দাবির সাথে একমত।”
তিনি আরও বলেন, “গত রোববার সংগঠনের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্বারকলিপি প্রতিটি অপারেটরের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দাবি পূরণে তাদেরকে ৭২ ঘণ্টা সময়ও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা এ সম্পর্কে নিরব থাকায় আমরা এবার আন্দোলন ঘোষণা করছি।”
তিনি জানান, ৮ অক্টোবর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন থেকে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হবে।
অপরদিকে মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু বলেন, “আমাদের দিয়ে হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করবে অপারেটররা কিন্তু যারা রিচার্জ করে দেয় তাদেরকে কিছু দেবে না তা হয় না। উপরন্তু আমাদের অবজ্ঞা করে ব্যবসা করবে, তা হাতে পারে না।”
তিনি জানান, অপারেটরদেরকে তাদের শক্তি বোঝানোর জন্যে গত কয়েক দিন বিক্ষিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় রিচার্জ বন্ধ রেখে অপারেটরদের এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়।
তিনি বলেন, “রিজার্জ কমিশন বাড়ানোর বিষয়ে গত বুধবার এয়ারটেলের সঙ্গে আলোচনা করেছে রিচার্জ অ্যাসোসিয়েশন। বৈঠকে গ্রামীণফোন যেহেতু সবচেয়ে বড় কোম্পানি ফলে তাদের সঙ্গে বসে এ বিষয়ে রফা করতে অ্যাসোসিয়েশন নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন এয়ারটেলের হেড অব ডিষ্ট্রিবিউশন মাসুদুর রহমান।”
এর আগে বিটিআরসি’র সঙ্গেও বৈঠক করেছেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু। তিনি বলেন, বিটিআরসি তাদেরকে বলে দিয়েছে, কেউ কোনো অন্যায় চাপিয়ে দিলে বিটিআরসি সেটা দেখবে। ফলে তাদেরকে আটকে রাখা যাবে না।
প্রসঙ্গত, ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর উত্তরাঞ্চলে প্রথম রিচার্জ বন্ধ করে আন্দোলনের শুরু করে অ্যাসোসিয়েশন। তারপর দেশের বিভিন্ন এলাকায় রিচার্জ বন্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরো মুন্সিগঞ্জ জেলায় রিচার্জ বন্ধ ছিল।
প্রতি দশ হাজার টাকা রিচার্জে মাত্র ২৭৫ টাকা কমিশন পান মুঠোফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। ফলে অনেক দিন থেকে এই কমিশন ১০ শতাংশে উন্নীত করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
No comments:
Post a Comment