পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকায় যে হারে বরফ গলছে, তাতে ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রের
উচ্চতা সাড়ে চার ফুট বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বড় ধরনের গবেষণার ফলাফলে বলা হয়েছে এই কথা। বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে যে বরফ রয়েছে, তা হাজার হাজার বছর ধরে পৃথিবীকে উঞ্চায়ন থেকে রক্ষা করবে।
২০০৭ সালে কোপেনহেগেনে ১৮তম আবহাওয়া সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল ফর ক্লাইমেট চেঞ্চ আবহাওয়া বিষয়ক রিপোর্ট দিয়েছিল। তাতে বরফ গলা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো উল্লেখ পর্যন্ত করা হয়নি।
কিন্তু দ্য সায়েন্টিফিক কমিটি অন অ্যান্টার্কটিক রিসার্চের একশোরও বেশি বিজ্ঞানী বলেছেন, বরফ খুব বেশি মাত্রায় গলছে। এখন যা ধারণা করা হচ্ছে তাতে অ্যান্টারর্কটিক বরফ গলে গেলে উচ্চতা তার চেয়ে নয় গুণ বেশি হবে।
এর প্রত্যক্ষ ফল ভোগ করবেন উপকূলীয় দেশের মানুষ। তারা বাস্তুহারা হবেন। পানিতে ডুবে যাবে সমুদ্র মধ্যবর্তী দ্বীপরাষ্ট্রগুলো। বিশ্ব উঞ্চায়ন প্রক্রিয়া কমানোর চেষ্টা চালালেও সে সর্বনাশ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে না বলে বলছেন তারা। সূত্র: ওয়েবসাইট
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বড় ধরনের গবেষণার ফলাফলে বলা হয়েছে এই কথা। বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে যে বরফ রয়েছে, তা হাজার হাজার বছর ধরে পৃথিবীকে উঞ্চায়ন থেকে রক্ষা করবে।
২০০৭ সালে কোপেনহেগেনে ১৮তম আবহাওয়া সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল ফর ক্লাইমেট চেঞ্চ আবহাওয়া বিষয়ক রিপোর্ট দিয়েছিল। তাতে বরফ গলা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ব্যাপারে কোনো উল্লেখ পর্যন্ত করা হয়নি।
কিন্তু দ্য সায়েন্টিফিক কমিটি অন অ্যান্টার্কটিক রিসার্চের একশোরও বেশি বিজ্ঞানী বলেছেন, বরফ খুব বেশি মাত্রায় গলছে। এখন যা ধারণা করা হচ্ছে তাতে অ্যান্টারর্কটিক বরফ গলে গেলে উচ্চতা তার চেয়ে নয় গুণ বেশি হবে।
এর প্রত্যক্ষ ফল ভোগ করবেন উপকূলীয় দেশের মানুষ। তারা বাস্তুহারা হবেন। পানিতে ডুবে যাবে সমুদ্র মধ্যবর্তী দ্বীপরাষ্ট্রগুলো। বিশ্ব উঞ্চায়ন প্রক্রিয়া কমানোর চেষ্টা চালালেও সে সর্বনাশ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে না বলে বলছেন তারা। সূত্র: ওয়েবসাইট
No comments:
Post a Comment