স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়াতে হাইকোর্টের রুল
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর
জন্য সরকারকে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন
হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে অর্থ ও স্বাস্থ্য সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাতের দাখিল করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ রুল জারি করা হয়। আদালতে রিট আবেদনকারী নিজেই শুনানি করেন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার শুকলা সারওয়াত সিরাজ।
রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মাথাপিছু সর্বনিম্ন ৪৪ ডলার বরাদ্দ করতে হবে। এটা বাংলাদেশী টাকায় ২ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু ব্যয় হচ্ছে ২১ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় ১৭০০ টাকা। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ মালদ্বীপে ৩৫৫ ডলার, ভুটানে ৯১ ডলার, শ্রীলংকায় ৬৫ ডলার, আফগানিস্তানে ৩৪ ডলার ব্যয় করছে সে দেশের সরকার।
আবেদনে আরো বলা হয়, “নাগরিকের স্বাস্থ্যের সুব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্ব সরকার পালন করছে না।
“২০০৭-০৮ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে মোট বাজেটের ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বরাদ্দ ছিল। চলতি অর্থবছরে এ বরাদ্দ আনুপাতিক হারে না বাড়িয়ে কমানো হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কমানোর এ মনোভাবের কারণে বেসরকারি খাত জনগণের কাছ থেকে অধিক হারে অর্থ নিচ্ছে, যা ‘চাঁদাবাজি’র শামিল।”
মঙ্গলবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে অর্থ ও স্বাস্থ্য সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাতের দাখিল করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ রুল জারি করা হয়। আদালতে রিট আবেদনকারী নিজেই শুনানি করেন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার শুকলা সারওয়াত সিরাজ।
রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মাথাপিছু সর্বনিম্ন ৪৪ ডলার বরাদ্দ করতে হবে। এটা বাংলাদেশী টাকায় ২ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু ব্যয় হচ্ছে ২১ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় ১৭০০ টাকা। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ মালদ্বীপে ৩৫৫ ডলার, ভুটানে ৯১ ডলার, শ্রীলংকায় ৬৫ ডলার, আফগানিস্তানে ৩৪ ডলার ব্যয় করছে সে দেশের সরকার।
আবেদনে আরো বলা হয়, “নাগরিকের স্বাস্থ্যের সুব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্ব সরকার পালন করছে না।
“২০০৭-০৮ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে মোট বাজেটের ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বরাদ্দ ছিল। চলতি অর্থবছরে এ বরাদ্দ আনুপাতিক হারে না বাড়িয়ে কমানো হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কমানোর এ মনোভাবের কারণে বেসরকারি খাত জনগণের কাছ থেকে অধিক হারে অর্থ নিচ্ছে, যা ‘চাঁদাবাজি’র শামিল।”
No comments:
Post a Comment