উচ্চ আদালত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে সিম বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয়
পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক কারার সাম্প্রতিক আইন শিথিল করা হলেও তৃতীয়
প্রজন্মের সিম বিক্রির ক্ষেত্রে তা মানছে না রাষ্ট্রীয় মুঠোফোন অপারেটর
টেলিটক। ফলে বাজারে ছাড়ার পর থেকেই টেলিটক’র থ্রিজি সিম ক্রয়ে বিপাকে পড়ছেন
ক্রেতারা।
রোববার প্রধানমন্ত্রী টেলিটক’র থ্রিজি সেবার বাণিজ্যিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর থেকেই উচ্চগতির এই সংযোগ নিতে পদে পদে বিপাকে পড়ছেন অনেক গ্রাহক। পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব, টেলিটক এর ওয়েব পেজ আপডেট না এবং কাস্টমার কেয়ার থেকে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট না পেয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সোমবার সকাল থেকে থ্রিজি সিম বিক্রি করার কথা থাকলেও অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতা এবং পরিবেশকদের কাছে সিম পৌঁছায় বিকালে। ফলে তারা কাউকে কোনো সিম দিতে পারেনি। সিমের সঙ্গে এই নির্দেশনাও দেয়া হয় যে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া যেন কারো হাতে সিম না যায়।
কিন্তু এ বিষয়ে সম্প্রতি উচ্চ আদলত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি জাতীয় পরিচয় পত্র বাধ্যতামূলক আইনটি শিথিল করায় এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে কোনো তথ্য না দেয়ায় সিম কিনতে গেয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন গ্রাহকরা।
এছাড়াও পর্যাপ্ত ডিলার না থাকায় বনানীর তিনটি দোকানে ঘুরেও থ্রিজি'র সিম কিনতে পারেননি উত্তরার সাংবাদিক জামিউল হাসান। তিনি জানান, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে সিম দেয়া হয়নি। অথচ সরকারের দেয়া সাংবাদিকতার অ্যাক্টিডিটেশন কার্ডেও কাজ হচ্ছে না।
এ বিষয়ে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উল্লেখ করে বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর তাদের আর কিছুই বলার থাকতে পারে না।
মুজিবুর রহমান বলেন, বর্তমান সিম দিয়ে যা কিছু করার সম্ভব থ্রিজি'র সিমে চাইলে আরো অনেক বেশি কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে কারো ক্ষতি করতে চাইলে সেটিও বেশি পরিমাণে করা সম্ভব। সুতরাং জাতীয় পরিচয়পত্র এখানে বাধ্যতামূলক করতেই হবে।
প্রসঙ্গত, থ্রিজি'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী টেলিটকক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলে, থ্রিজি সিম যেন কোনো অবস্থায় ভুয়া নিবন্ধনের কবলে না পড়ে। এ জন্যে প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম বিক্রি করতে হবে।
এদিকে গত ১২ অক্টোবর থেকে বিটিআরসি সব ধরনের সিমের প্রি-অ্যাক্টিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে পরিচয়পত্রের তথ্য নিশ্চিত হয়ে এবং ছবি মিলিয়ে তবেই সিম সক্রিয় করা হবে। এ কারণে গত কয়েক দিনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম বিক্রির পরিমাণ একেবারেই পড়ে গেছে।
রোববার প্রধানমন্ত্রী টেলিটক’র থ্রিজি সেবার বাণিজ্যিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর থেকেই উচ্চগতির এই সংযোগ নিতে পদে পদে বিপাকে পড়ছেন অনেক গ্রাহক। পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব, টেলিটক এর ওয়েব পেজ আপডেট না এবং কাস্টমার কেয়ার থেকে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট না পেয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সোমবার সকাল থেকে থ্রিজি সিম বিক্রি করার কথা থাকলেও অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতা এবং পরিবেশকদের কাছে সিম পৌঁছায় বিকালে। ফলে তারা কাউকে কোনো সিম দিতে পারেনি। সিমের সঙ্গে এই নির্দেশনাও দেয়া হয় যে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া যেন কারো হাতে সিম না যায়।
কিন্তু এ বিষয়ে সম্প্রতি উচ্চ আদলত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি জাতীয় পরিচয় পত্র বাধ্যতামূলক আইনটি শিথিল করায় এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে কোনো তথ্য না দেয়ায় সিম কিনতে গেয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন গ্রাহকরা।
এছাড়াও পর্যাপ্ত ডিলার না থাকায় বনানীর তিনটি দোকানে ঘুরেও থ্রিজি'র সিম কিনতে পারেননি উত্তরার সাংবাদিক জামিউল হাসান। তিনি জানান, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে সিম দেয়া হয়নি। অথচ সরকারের দেয়া সাংবাদিকতার অ্যাক্টিডিটেশন কার্ডেও কাজ হচ্ছে না।
এ বিষয়ে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উল্লেখ করে বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর তাদের আর কিছুই বলার থাকতে পারে না।
মুজিবুর রহমান বলেন, বর্তমান সিম দিয়ে যা কিছু করার সম্ভব থ্রিজি'র সিমে চাইলে আরো অনেক বেশি কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে কারো ক্ষতি করতে চাইলে সেটিও বেশি পরিমাণে করা সম্ভব। সুতরাং জাতীয় পরিচয়পত্র এখানে বাধ্যতামূলক করতেই হবে।
প্রসঙ্গত, থ্রিজি'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী টেলিটকক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলে, থ্রিজি সিম যেন কোনো অবস্থায় ভুয়া নিবন্ধনের কবলে না পড়ে। এ জন্যে প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম বিক্রি করতে হবে।
এদিকে গত ১২ অক্টোবর থেকে বিটিআরসি সব ধরনের সিমের প্রি-অ্যাক্টিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে পরিচয়পত্রের তথ্য নিশ্চিত হয়ে এবং ছবি মিলিয়ে তবেই সিম সক্রিয় করা হবে। এ কারণে গত কয়েক দিনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম বিক্রির পরিমাণ একেবারেই পড়ে গেছে।
No comments:
Post a Comment