বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জাতীয় তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও
বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা কমিটির পূর্বঘোষিত সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের
লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশত পুলিশসহ আন্দোলরকারী আহত হয়েছে।
রোববার বেলা সাড়ে ১২টায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সচিবালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল ও লাঠিসোটা নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ তাদের ওপর টিয়ারসেল ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
এ ঘটনায় অর্ধশত পুলিশ ও আন্দোলনকারী আহত হয়। আহতদের মধ্যে রয়েছেন গণসংহতির তানিয়া, সুমনা, সৈকত মল্লিক, নাহিদ, বেনজিরসহ আরো বেশ কয়েকজন।
এ ঘটনার পর আন্দোলনকারীরা সেখান তেকে পিছু হটে প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হয়। সেখান থেকে সোমবার বিকেল ৫টায় সারাদেশে বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। সহযোগী ও সমর্থক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হতে পারে বলেও সংগঠনে পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
আন্দোলন কর্মসূচির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মো. শহিদুল্লাহ বলেন, “আমাদের এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয়ায় আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা ও লাঠিচার্জের প্রতিবাদে আমরা সোমবার বিকেল ৫টায় সারা দেশে বিক্ষোভের কর্মসূচি পালন করবো এবং সে কর্মসূচির থেকে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হতে পারে।”
এ সময় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন পিন্স বলেন, “আমাদের এই কর্মসূচিতে সরকার বাধা দেয়ার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ হলো জ্বালানি মন্ত্রণালয় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর স্বার্থে কাজ করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
এ সময় তিনি পুলিশের লাঠিচার্জের ফলে তাদের ৫০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
এদিকে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করে রমনা জোনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা তাদের ওপর কোনো ধরনের লাঠিচার্জ করিনি। সচিবালয়ে সবাই ঢুকতে পারে না তাই আমরা তাদের বাধা দিই। এ সময় তারাই আমাদের ওপর হামলা করলে আমরা আমাদের ৫০ জন পুলিশ আহত হয়েছে।”
রোববার বেলা সাড়ে ১২টায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সচিবালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল ও লাঠিসোটা নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ তাদের ওপর টিয়ারসেল ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
এ ঘটনায় অর্ধশত পুলিশ ও আন্দোলনকারী আহত হয়। আহতদের মধ্যে রয়েছেন গণসংহতির তানিয়া, সুমনা, সৈকত মল্লিক, নাহিদ, বেনজিরসহ আরো বেশ কয়েকজন।
এ ঘটনার পর আন্দোলনকারীরা সেখান তেকে পিছু হটে প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হয়। সেখান থেকে সোমবার বিকেল ৫টায় সারাদেশে বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। সহযোগী ও সমর্থক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হতে পারে বলেও সংগঠনে পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
আন্দোলন কর্মসূচির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মো. শহিদুল্লাহ বলেন, “আমাদের এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয়ায় আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা ও লাঠিচার্জের প্রতিবাদে আমরা সোমবার বিকেল ৫টায় সারা দেশে বিক্ষোভের কর্মসূচি পালন করবো এবং সে কর্মসূচির থেকে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হতে পারে।”
এ সময় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন পিন্স বলেন, “আমাদের এই কর্মসূচিতে সরকার বাধা দেয়ার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ হলো জ্বালানি মন্ত্রণালয় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর স্বার্থে কাজ করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
এ সময় তিনি পুলিশের লাঠিচার্জের ফলে তাদের ৫০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
এদিকে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করে রমনা জোনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা তাদের ওপর কোনো ধরনের লাঠিচার্জ করিনি। সচিবালয়ে সবাই ঢুকতে পারে না তাই আমরা তাদের বাধা দিই। এ সময় তারাই আমাদের ওপর হামলা করলে আমরা আমাদের ৫০ জন পুলিশ আহত হয়েছে।”

No comments:
Post a Comment