Pages

Saturday, October 6, 2012

প্রশাসন গুরুত্ব দিলে সহিংসতা ব্যাপক হতো না: ড. মিজান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রশাসন গুরুত্ব দিলে সহিংসতা ব্যাপক হতো না: ড. মিজান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, রামুতে বৌদ্ধ বসতিতে সহিংসতার ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত। স্থানীয় প্রশাসন যদি গুরুত্ব দিতো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতো তাহলে এতা ব্যাপক সহিংসতা ঘটনতো না।

শুক্রবার দুপুরে রামুর সীমা বিহার ও বৌদ্ধ বিহারসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিবদের তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ও ধর্মীয় গুরুদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিশ্বে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এই বর্বরতা ঘটানো হয়েছে উল্লেখ করে ড. মিজান বলেন, “রামু ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির তীর্থভূমি। এখানে আঘাত করতে পারলেই তাদের সুবিধা।”

ড. মিজান রামুর সহিংসতাকে বাংলাদেশের জাতিস্বত্তার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে চিহ্নিত করেছেন। তিনি ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

ড. মিজান বলেন, “কতজন গ্রেফতার হয়েছে এটা কোনো বিষয় নয়। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা আদৌ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা! অতীতে দেখেছি, প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার জন্য নিরীহ ও অসহায় মানুষকে শাস্তি দেয়া হয়। কক্সবাজারের এই ঘটনার বেলায়ও যেনো তেমন না হয়।”

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন রামু সফর নিয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন করে যাওয়ার পর যেনো সরকারের চূড়ান্ত প্রদর্শনী না হয়।”

ব্যাপক নিরাপত্তা

এদিকে শুক্রবার দুপুরে থেকে কক্সবাজার শহর, রামু ও উখিয়া-টেকনাফের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জুম্মার নামাজের পর যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখা করা হয়।

এছাড়া রামু শহরে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে মৌন মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির ও পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী

অপরদিকে বিকেলে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আবুল হাসান মোহাম্মদ আলী রামুতে ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহার ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এ সময় তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে সকলের প্রতি আহবান জানান। তিনি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ৬০ পরিবারের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা, ২৪ পরিবারের মধ্যে এক লাখ টাকা, ১১ মন্দিরকে এক লাখ টাকা ও দুটি মন্দিরকে ৫০ হাজার করে নগদ অর্থ সাহায্য প্রদান করেন।

No comments:

Post a Comment