সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণের নামে দুই হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া তদন্তে
গঠিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম এমপি বলেছেন, অনেকেই বলে ব্যাংকের
নিয়মকানুন শক্ত নয়, বিষয়টা সঠিক নয়। বাংলাদেশে যতগুলো প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার
মধ্যে সবচেয়ে কঠিন নীতিমালার মধ্য দিয়ে ব্যাংক খাত পরিচালিত হয়।
রোববার রাজধানীতে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘হলমার্ক জালিয়াতি, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত’ শীর্ষক এক গোলটেবিলে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশের সাবেক আইজিপি এস এম শাহাজাহান এর সভাপতিত্বে গোলটেবিলে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, অধ্যাপক আবু আহম্মেদ, বদিউল আলম মজুমদার, অধ্যাপক মামুন রশিদ, সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সালেহ ইমাম মজুমদার ও সাবেক সংসদ সদস্য হুমায়ুন কবির হিরু।
জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিলে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, আমাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থার কিছু দুর্বলতা আছে যার সুযোগে হলমার্ক কিছু অসাধু লোকদের নিয়ে এই কেলেঙ্কারি সাধন করেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, রাজনৈতিকভাবে পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয় বলেই পরিচালনা পর্ষদ নিরপেক্ষ হতে পারেনা।
তবে তাজুল ইসলাম এমপি বলেন, এতে পরিচালনা পর্ষদের দায় নেই।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, হলমার্কের বিষয়টাকে সামনে রেখে ব্যাংক ব্যবস্থায় এমন কোনো পরিবর্তন আনা ঠিক হবেনা যা পুরো অর্থনীতি ধ্বংস করে দেবে।
জালিয়াত ব্যবসায়ী গ্রুপটির এমডি তানভীর আহমেদ সম্পর্কে সংসদীয় তদন্ত কমিটির সভাপতি বলেন, তানভীরকে জেলে নিয়ে পেটালেই সমস্যার সমাধান হবে না। বরং তাকে জেলে না নিয়ে তার থেকে টাকা আদায়ের ব্যাবস্থা করা উচিত। পরে সংসদীয় তদন্ত নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে করা হবে।
প্রসঙ্গত, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ১১ মামলায় তানভীর আহমেদ ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীরসহ ২৭ আসামিকে ধরতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে গোয়েন্দারা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে দুদক চেষ্টা চালালেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে শনিবার দিবাগত রাত দুইটা থেকে রোববার ভোর ছয়টা পর্যন্ত র্যাব-৪-এর একটি দল সাভারে হলমার্কের কারখানায় অভিযান চালায়। গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে র্যাবের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৪-এর দলটি রাত দুইটার দিকে সাভারে হলমার্কের যান এবং ভোর ছয়টা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি।
এর আগে তাজুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন এই সংসদীয় তদন্ত কমিটি জানিয়েছিলো, তাদের তদন্তে হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কমিটির জিজ্ঞাসাবাদে কেউ তার নামও বলেনি। এ ঘটনায় সরকারের উচ্চ মহলের কারও হস্তক্ষেপ ছিল না। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদও এ ঘটনায় দায়ী নয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন নাহিদুল ইসলাম এমপি, এম এ মান্নান এমপি ও গাজী গোলাম দস্তগীর বীর প্রতীক এমপি।
রোববার রাজধানীতে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘হলমার্ক জালিয়াতি, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যত’ শীর্ষক এক গোলটেবিলে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশের সাবেক আইজিপি এস এম শাহাজাহান এর সভাপতিত্বে গোলটেবিলে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, অধ্যাপক আবু আহম্মেদ, বদিউল আলম মজুমদার, অধ্যাপক মামুন রশিদ, সোনালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সালেহ ইমাম মজুমদার ও সাবেক সংসদ সদস্য হুমায়ুন কবির হিরু।
জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিলে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, আমাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থার কিছু দুর্বলতা আছে যার সুযোগে হলমার্ক কিছু অসাধু লোকদের নিয়ে এই কেলেঙ্কারি সাধন করেছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, রাজনৈতিকভাবে পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয় বলেই পরিচালনা পর্ষদ নিরপেক্ষ হতে পারেনা।
তবে তাজুল ইসলাম এমপি বলেন, এতে পরিচালনা পর্ষদের দায় নেই।
একইসঙ্গে তিনি বলেন, হলমার্কের বিষয়টাকে সামনে রেখে ব্যাংক ব্যবস্থায় এমন কোনো পরিবর্তন আনা ঠিক হবেনা যা পুরো অর্থনীতি ধ্বংস করে দেবে।
জালিয়াত ব্যবসায়ী গ্রুপটির এমডি তানভীর আহমেদ সম্পর্কে সংসদীয় তদন্ত কমিটির সভাপতি বলেন, তানভীরকে জেলে নিয়ে পেটালেই সমস্যার সমাধান হবে না। বরং তাকে জেলে না নিয়ে তার থেকে টাকা আদায়ের ব্যাবস্থা করা উচিত। পরে সংসদীয় তদন্ত নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে করা হবে।
প্রসঙ্গত, হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ১১ মামলায় তানভীর আহমেদ ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীরসহ ২৭ আসামিকে ধরতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে গোয়েন্দারা। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে দুদক চেষ্টা চালালেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে শনিবার দিবাগত রাত দুইটা থেকে রোববার ভোর ছয়টা পর্যন্ত র্যাব-৪-এর একটি দল সাভারে হলমার্কের কারখানায় অভিযান চালায়। গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে র্যাবের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৪-এর দলটি রাত দুইটার দিকে সাভারে হলমার্কের যান এবং ভোর ছয়টা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি।
এর আগে তাজুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন এই সংসদীয় তদন্ত কমিটি জানিয়েছিলো, তাদের তদন্তে হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কমিটির জিজ্ঞাসাবাদে কেউ তার নামও বলেনি। এ ঘটনায় সরকারের উচ্চ মহলের কারও হস্তক্ষেপ ছিল না। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদও এ ঘটনায় দায়ী নয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন নাহিদুল ইসলাম এমপি, এম এ মান্নান এমপি ও গাজী গোলাম দস্তগীর বীর প্রতীক এমপি।
No comments:
Post a Comment