পরিবারে নির্যাতিত দেশের প্রায় ৯০ ভাগ প্রবীণ: গবেষণা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে করা এক গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশের প্রায়
৯০ ভাগ বয়স্ক লোক পরিবারের নানা ধরণের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নিজ
সন্তান, পুত্রবধূ, জামাতা, নাতি-নাতনী এমনকি জীবনসঙ্গীর হাতেই তাদের
প্রতিনিয়ত বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেস
বিভাগ এবং হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উদ্যোগে জরিপ চালিয়ে তার
ফলাফলের ভিত্তিতে এ গবেষণা করা হয় বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এ গবেষণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনেট ভবনে আয়োজিত সেমিনারে পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. একেএম নূর-উন-নবী মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
‘ঢাকা শহরের গরিব পরিবারগুলোতে প্রবীণদের নির্যাতন’ শীর্ষক প্রবন্ধে জানানো হয়, ঢাকা শহরের ৩টি আবাসিক এলাকায় জরিপ চালিয়ে এই গবেষণা ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।
পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারপারসন মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজ নির্ঝরিনী হাসান এবং সংস্থাটিরর পলিসি ম্যানেজার শাশ্বতী বিপ্লব বক্তৃতা করেন। এছাড়া উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, দাতা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।
ড. একেএম নূর-উন-নবী জানান, ‘‘দেশের ৮৮.৪ ভাগ বয়স্ক ব্যক্তি মানসিক নির্যাতন, ৮৩.৩ ভাগ লোক অবহেলা এবং ৫৪.৪ ভাগ লোক অর্থনৈতিক প্রবঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। বয়স্ক নারী-পুরুষ উভয়ই পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হলেও পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি অপদস্থ হচ্ছেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশে ৬০ বছরের উর্ধ্বে বয়স্ক লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি, যা মোট জনসংখ্যার ৬.৫ ভাগ। যে হারে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে এই সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি। এই বিপুল সংখ্যক বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তাহলে বয়স্কদের নির্যাতনের হার কমবে, জিডিপি বাড়বে এবং দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটবে।
বৃহস্পতিবার এ গবেষণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনেট ভবনে আয়োজিত সেমিনারে পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. একেএম নূর-উন-নবী মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
‘ঢাকা শহরের গরিব পরিবারগুলোতে প্রবীণদের নির্যাতন’ শীর্ষক প্রবন্ধে জানানো হয়, ঢাকা শহরের ৩টি আবাসিক এলাকায় জরিপ চালিয়ে এই গবেষণা ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।
পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারপারসন মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজ নির্ঝরিনী হাসান এবং সংস্থাটিরর পলিসি ম্যানেজার শাশ্বতী বিপ্লব বক্তৃতা করেন। এছাড়া উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, দাতা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।
ড. একেএম নূর-উন-নবী জানান, ‘‘দেশের ৮৮.৪ ভাগ বয়স্ক ব্যক্তি মানসিক নির্যাতন, ৮৩.৩ ভাগ লোক অবহেলা এবং ৫৪.৪ ভাগ লোক অর্থনৈতিক প্রবঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। বয়স্ক নারী-পুরুষ উভয়ই পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হলেও পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি অপদস্থ হচ্ছেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশে ৬০ বছরের উর্ধ্বে বয়স্ক লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি, যা মোট জনসংখ্যার ৬.৫ ভাগ। যে হারে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে এই সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি। এই বিপুল সংখ্যক বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তাহলে বয়স্কদের নির্যাতনের হার কমবে, জিডিপি বাড়বে এবং দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটবে।

No comments:
Post a Comment