হলমার্ক গ্রুপকে অনিয়ম করে সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছাড়াও ‘ওপরমহল’-এর আরো অনেকের ‘তদবির’
ছিল। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য দিয়েছেন ব্যাংকটির
সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. হুমায়ুন কবীর। মঙ্গলবার তাকে
জিজ্ঞাসাবাদকারী দুদকের অনুসন্ধান দল সূত্রে একথা জানা গেছে। হলমার্কের এই
দুর্নীতির সময় সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মো. হুমায়ুন
কবীর।
ছয় সদস্যেরর অনুসন্ধান দল সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে সোনালী ব্যাংকের সাবেক এই এমডিকে তার মেয়াদকালে হলমার্ক গ্রুপসহ অন্যান্য ঋণগ্রহীতাদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদে তাকে প্রশ্ন করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের হোসেন ছাড়া আর কারো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না হলমার্কের ঋণের ব্যাপারে।
তিনি জানান, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দুএকবার আশা যাওয়া ছিল। তবে তিনি ছাড়াও ‘ওপরমহলের’ অনেকেরই তদবির ছিল এ ব্যাপারে। ব্যাংকের তখনকার শেরাটন হোটেল শাখার কর্মকর্তারাও এ কাজে জড়িত ছিলেন। শাখাটির ব্যবস্থাপক এই ঋণের ক্ষেত্রে হলমার্ক গ্রুপকে বিশেষভাবে সাহায্য করেন।
তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে এই ঋণ ছাড় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুদকের সেগুনবাগিচাস্থ প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ৬ সদস্যের অনুসন্ধান দল। জিজ্ঞাসাবাদে দুদক সোনালী ব্যাংকের বিগত ৩ অর্থবছরের ঋণ গ্রহীতাদের তালিকা চেয়েছে তার কাছে। দুদক কর্মকর্তারা তাকে ২০০৯, ’১০ ও ’১১ অর্থবছরে ব্যাংকটি থেকে ঋণগ্রহীতাদের এ তালিকা জমা দিতে বলেন।
তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে তিনি সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান মো. হুমায়ুন কবীর। সাংবাদিকরা এ সময় তাকে ঘিরে ধরলে ধস্তাধস্তি হয়। দুদক কার্যালয়ের রাস্তার উল্টো দিকে একটি আবাসিক ভবনের পার্কিংয়ে তার গাড়ি রাখা ছিল। সেখান থেকে গাড়িতে ওঠার আগ পর্যন্ত সাংবাদিকরা তার পিছু নেন। তাকে বারবার নানা প্রশ্ন করা হলেও তিনি একই জবাব দেন যে, ‘‘আমার সময়ে আমি শতভাগ সততার সঙ্গে কাজ করেছি। এ সুতা পরিমাণও দুর্নীতি হয়নি।’’
রাষ্ট্রায়ত্ব এই ব্যাংকটির তখনকার শেরাটন হোটেল (বর্তমান রূপসী বাংলা হোটেলের) কর্পোরেট শাখা থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে হলমার্কসহ পাঁচটি কোম্পানি ৩ হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ব্যাংকটির আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।
বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগ করেছে, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এই এমডিসহ ৩৩ কর্মকর্তার যোগসাজশে এ অনিয়ম হয়েছে।
এ পর্যন্ত এ অভিযোগ তদন্তে রুপসী বাংলা ও প্রধান শাখার মোট ২০জন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। হলমার্কের এমডি সহ মোট ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
ছয় সদস্যেরর অনুসন্ধান দল সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে সোনালী ব্যাংকের সাবেক এই এমডিকে তার মেয়াদকালে হলমার্ক গ্রুপসহ অন্যান্য ঋণগ্রহীতাদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদে তাকে প্রশ্ন করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের হোসেন ছাড়া আর কারো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না হলমার্কের ঋণের ব্যাপারে।
তিনি জানান, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দুএকবার আশা যাওয়া ছিল। তবে তিনি ছাড়াও ‘ওপরমহলের’ অনেকেরই তদবির ছিল এ ব্যাপারে। ব্যাংকের তখনকার শেরাটন হোটেল শাখার কর্মকর্তারাও এ কাজে জড়িত ছিলেন। শাখাটির ব্যবস্থাপক এই ঋণের ক্ষেত্রে হলমার্ক গ্রুপকে বিশেষভাবে সাহায্য করেন।
তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে এই ঋণ ছাড় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুদকের সেগুনবাগিচাস্থ প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ৬ সদস্যের অনুসন্ধান দল। জিজ্ঞাসাবাদে দুদক সোনালী ব্যাংকের বিগত ৩ অর্থবছরের ঋণ গ্রহীতাদের তালিকা চেয়েছে তার কাছে। দুদক কর্মকর্তারা তাকে ২০০৯, ’১০ ও ’১১ অর্থবছরে ব্যাংকটি থেকে ঋণগ্রহীতাদের এ তালিকা জমা দিতে বলেন।
তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে তিনি সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান মো. হুমায়ুন কবীর। সাংবাদিকরা এ সময় তাকে ঘিরে ধরলে ধস্তাধস্তি হয়। দুদক কার্যালয়ের রাস্তার উল্টো দিকে একটি আবাসিক ভবনের পার্কিংয়ে তার গাড়ি রাখা ছিল। সেখান থেকে গাড়িতে ওঠার আগ পর্যন্ত সাংবাদিকরা তার পিছু নেন। তাকে বারবার নানা প্রশ্ন করা হলেও তিনি একই জবাব দেন যে, ‘‘আমার সময়ে আমি শতভাগ সততার সঙ্গে কাজ করেছি। এ সুতা পরিমাণও দুর্নীতি হয়নি।’’
রাষ্ট্রায়ত্ব এই ব্যাংকটির তখনকার শেরাটন হোটেল (বর্তমান রূপসী বাংলা হোটেলের) কর্পোরেট শাখা থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে হলমার্কসহ পাঁচটি কোম্পানি ৩ হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ব্যাংকটির আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।
বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগ করেছে, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এই এমডিসহ ৩৩ কর্মকর্তার যোগসাজশে এ অনিয়ম হয়েছে।
এ পর্যন্ত এ অভিযোগ তদন্তে রুপসী বাংলা ও প্রধান শাখার মোট ২০জন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। হলমার্কের এমডি সহ মোট ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment