তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধন
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ায় বাংলাদেশে নিযুক্ত
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত নরলিন বিনতে ওতমান বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নরলিন বিনতে ওতমান বলেন, “পর্যটন মেলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধান অতিথি হবেন শুনে অবাক হয়েছি। পরে চিন্তা করে দেখেছি, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়নে ট্যুরিজম ভূমিকা রাখে। তাই হয়তো তাকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ট্যুরিজমের মধ্য দিয়ে দেশকে বিশ্বের কাছে মেলে ধরার সুযোগ হয়। বাংলাদেশের ট্যুরিজম ক্ষেত্র সম্ভাবনাময়। অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এ শিল্পের বিকাশ দ্রুত ঘটবে। সরকার যদি সত্যিই এ শিল্পের বিকাশ চায়, তবে যথাযথ পরিকল্পনা করে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, “পর্যটন বিশ্বের একটি দ্রুত বিকাশমান শিল্প। বাংলাদেশ সরকার এ শিল্পের বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রেল, নৌ ও বিমানপথের পর্যাপ্ত সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে বিদেশী পর্যটকরা এ দেশে আসতে আরো বেশি উৎসাহিত হবেন।”
তিনি বলেন, “এ শিল্পের বিকাশে তিনটি বিষয় ভুমিকা রাখে। সেগুলো হলো বিশ্ব অর্থনীতি, বিভিন্ন দেশের আন্তঃযোগাযোগ ও পরিবেশবান্ধবভাবে বিকশিত হবার সুযোগ সৃষ্টি। বাংলাদেশ এ তিনটি বিষয়কেই গুরুত্ব দিচ্ছে।”
সরকারের পাশাপাশি এ শিল্পের বিকাশে বেসরকারি উদ্যেক্তাদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্যুরজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী আখতার উজ জামান খান কবির, টোয়াব সভাপতি হাসান মনসুর প্রমুখ।
ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(টোয়াব) এ মেলার আয়োজন করেছে। মেলায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়া, গ্রিস, শ্রীলংকা, ফিলিপাইনসহ আটটি দেশের ২০৯টি স্টল রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় প্রবেশমূল্য ধরা হয়েছে ৩০ টাকা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নরলিন বিনতে ওতমান বলেন, “পর্যটন মেলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধান অতিথি হবেন শুনে অবাক হয়েছি। পরে চিন্তা করে দেখেছি, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়নে ট্যুরিজম ভূমিকা রাখে। তাই হয়তো তাকে আমন্ত্রন জানানো হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ট্যুরিজমের মধ্য দিয়ে দেশকে বিশ্বের কাছে মেলে ধরার সুযোগ হয়। বাংলাদেশের ট্যুরিজম ক্ষেত্র সম্ভাবনাময়। অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এ শিল্পের বিকাশ দ্রুত ঘটবে। সরকার যদি সত্যিই এ শিল্পের বিকাশ চায়, তবে যথাযথ পরিকল্পনা করে এগিয়ে আসতে হবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, “পর্যটন বিশ্বের একটি দ্রুত বিকাশমান শিল্প। বাংলাদেশ সরকার এ শিল্পের বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রেল, নৌ ও বিমানপথের পর্যাপ্ত সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে বিদেশী পর্যটকরা এ দেশে আসতে আরো বেশি উৎসাহিত হবেন।”
তিনি বলেন, “এ শিল্পের বিকাশে তিনটি বিষয় ভুমিকা রাখে। সেগুলো হলো বিশ্ব অর্থনীতি, বিভিন্ন দেশের আন্তঃযোগাযোগ ও পরিবেশবান্ধবভাবে বিকশিত হবার সুযোগ সৃষ্টি। বাংলাদেশ এ তিনটি বিষয়কেই গুরুত্ব দিচ্ছে।”
সরকারের পাশাপাশি এ শিল্পের বিকাশে বেসরকারি উদ্যেক্তাদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্যুরজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী আখতার উজ জামান খান কবির, টোয়াব সভাপতি হাসান মনসুর প্রমুখ।
ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ(টোয়াব) এ মেলার আয়োজন করেছে। মেলায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়া, গ্রিস, শ্রীলংকা, ফিলিপাইনসহ আটটি দেশের ২০৯টি স্টল রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় প্রবেশমূল্য ধরা হয়েছে ৩০ টাকা।
No comments:
Post a Comment