অবশেষে মাছরাঙা টেলিভিশন থেকে পদত্যাগ করলেন শাহ আলমগীর। চ্যানেলটির
জন্মলগ্ন থেকেই এর বার্তা প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পদত্যাগের বিষয়টি
শাহ আলমগীর নিজেই বার্তা২৪ ডটনেট-কে নিশ্চিত করেছেন।
গত ১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগের বিষয়টি তিনি মৌখিকভাবে মাছরাঙা কর্তৃপক্ষকে জানান। আজ সোমবার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে, কর্তৃপক্ষ এখনও তার পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
দু’বছর আগে মাছরাঙার জন্মলগ্ন থেকেই এর বার্তা বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দেন শাহ আলমগীর। বলা যায় নিজ হাতেই তিনি সাজিয়েছিলেন মাছরাঙার বার্তা বিভাগ। চ্যানেলটিতে বিভিন্ন চ্যানেল থেকে যে সংবাদকর্মীরা এসেছেন তাদের বেশিরভাগই তার কারণে চ্যানেলটিতে যোগ দিয়েছেন। মাছরাঙার আগে শাহ আলমগীর ছিলেন বন্ধ হয়ে যাওয়া যমুনা টেলিভিশনের বার্তা পরিচালক। এ চ্যানেল থেকেও সে সময় অনেক সংবাদকর্মী তার সাথে মাছরাঙায় চলে আসেন।
শোনা যায় বেশ কিছুদিন ধরেই চ্যানেলটির একজন শীর্ষকর্তার সাথে শাহ আলমগীরের ঝামেলা চলছিল। মূলত ওই কর্মকর্তার নেয়া নানা পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তের সাথে তিনি একমত হতে পারছিলেন না। এতেকরে ওই শীর্ষকর্তার সাথে তার সম্পর্ক শীতল হতে শুরু করে। আর এর প্রেক্ষিতেই তার এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শাহ আলমগীর বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি ব্যক্তিগত কারণে চলে এসেছি।” পদত্যাগের কারণ হিসেবে এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।
তবে তিনি বলেন, “আমি সব সময়ই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছি। এক বছর আগেই অন্য চ্যানেল থেকে আমাকে অফার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি যাইনি। কারণ, ওই সময় চলে গেলে মাছরাঙার বার্তা বিভাগ ভেঙে পড়তো। চ্যানেলটির ক্ষতি হতো। একজন পেশাদার সংবাদকর্মী এমনটি করতে পারেন না।”
তিনি আরো বলেন, “স্কয়ার কর্তৃপক্ষ আন্তরিক। আমি কোনো অবস্থাতেই তাদের দায়ী করব না।”
আপনি কোথাও যোগদান করছেন কি না জানতে চাইলে শাহ আলমগীর বলেন, “না, আমি একমাস বিশ্রামে থাকব। এরপর ভেবে দেখব- কোথায় যোগদান করা যায়।” তিনি জানান, যোগদান করার মতো জায়গা তার আছে।
মাছরাঙা ও যমুনা টেলিভিশনের আগে শাহ আলমগীর চ্যানেল আই ও একুশে টেলিশিনের বার্তা বিভাগের প্রধান কাজ করেছেন।
গত ১ সেপ্টেম্বর পদত্যাগের বিষয়টি তিনি মৌখিকভাবে মাছরাঙা কর্তৃপক্ষকে জানান। আজ সোমবার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে, কর্তৃপক্ষ এখনও তার পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
দু’বছর আগে মাছরাঙার জন্মলগ্ন থেকেই এর বার্তা বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দেন শাহ আলমগীর। বলা যায় নিজ হাতেই তিনি সাজিয়েছিলেন মাছরাঙার বার্তা বিভাগ। চ্যানেলটিতে বিভিন্ন চ্যানেল থেকে যে সংবাদকর্মীরা এসেছেন তাদের বেশিরভাগই তার কারণে চ্যানেলটিতে যোগ দিয়েছেন। মাছরাঙার আগে শাহ আলমগীর ছিলেন বন্ধ হয়ে যাওয়া যমুনা টেলিভিশনের বার্তা পরিচালক। এ চ্যানেল থেকেও সে সময় অনেক সংবাদকর্মী তার সাথে মাছরাঙায় চলে আসেন।
শোনা যায় বেশ কিছুদিন ধরেই চ্যানেলটির একজন শীর্ষকর্তার সাথে শাহ আলমগীরের ঝামেলা চলছিল। মূলত ওই কর্মকর্তার নেয়া নানা পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তের সাথে তিনি একমত হতে পারছিলেন না। এতেকরে ওই শীর্ষকর্তার সাথে তার সম্পর্ক শীতল হতে শুরু করে। আর এর প্রেক্ষিতেই তার এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শাহ আলমগীর বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি ব্যক্তিগত কারণে চলে এসেছি।” পদত্যাগের কারণ হিসেবে এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।
তবে তিনি বলেন, “আমি সব সময়ই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছি। এক বছর আগেই অন্য চ্যানেল থেকে আমাকে অফার দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি যাইনি। কারণ, ওই সময় চলে গেলে মাছরাঙার বার্তা বিভাগ ভেঙে পড়তো। চ্যানেলটির ক্ষতি হতো। একজন পেশাদার সংবাদকর্মী এমনটি করতে পারেন না।”
তিনি আরো বলেন, “স্কয়ার কর্তৃপক্ষ আন্তরিক। আমি কোনো অবস্থাতেই তাদের দায়ী করব না।”
আপনি কোথাও যোগদান করছেন কি না জানতে চাইলে শাহ আলমগীর বলেন, “না, আমি একমাস বিশ্রামে থাকব। এরপর ভেবে দেখব- কোথায় যোগদান করা যায়।” তিনি জানান, যোগদান করার মতো জায়গা তার আছে।
মাছরাঙা ও যমুনা টেলিভিশনের আগে শাহ আলমগীর চ্যানেল আই ও একুশে টেলিশিনের বার্তা বিভাগের প্রধান কাজ করেছেন।

No comments:
Post a Comment