সোনালী ব্যাংক-হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জড়িত: মির্জা ফখরুল
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
‘‘প্রধানমন্ত্রী কথায় কথায় বিএনপি নেতাদের দুর্নীতিবাজ বলছেন। অথচ শুধু
বাংলাদেশ নয়, সরকারের দুর্নীতির কারণে এখন সারাবিশ্বের আঙ্গুল এখন
প্রধানমন্ত্রীর দিকে । পদ্মা সেতুর পর এখন সোনালী ব্যাংক-হলমার্ক
কেলেঙ্কারির টাকা লুটের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জড়িত ।
প্রধানমন্ত্রীকে একদিন এর জবাব দিতে হবে।’’
তিনি বলেন, ‘‘প্রমাণ হয়েছে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়রা দুর্নীতিগ্রস্ত। তাই নৈতিক কারণে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।’’
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, ‘‘সরকার বিএনপিকে বাদ দিয়ে নীল নকশার নির্বাচন করতে চায়। তাই যেকোনো ত্যাগের মধ্য দিয়ে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করতে হবে।’’
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার আসার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারেননি বলে জানান মির্জা ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘সরকার দেশকে দূর্বল করতে এবং সেবাদাসে পরিনত করতে পরিকল্পিতভাবে সংসদ ও বিচার বিভাগকে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু সরকারের এ ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়া যাবে না।’’
‘‘বিএনপি আন্দোলনে পিছিয়ে পড়েছে সরকারি দলের নেতাদের এমন মন্তব্য নাকচ করে দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘বিএনপি একটি দায়িত্বশীল দল। আমরা লগি বৈঠার রাজনীতি করে নয়; জনগণকে সাথে নিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা মনে করেছিল দেশে আর কোনো গণতন্ত্রকামী মানুষ থাকবে না। কিন্তু তার যোগ্য উত্তরসূরী বেগম খালেদা জিয়া একজন গৃহবধু হয়েও তিন দশক ধরে দেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করছেন । কোনো ষড়যন্ত্রই জিয়াউর রহমানের গড়া দলকে ধ্বংস করতে পারে নাই। আগামী দিনেও পারবে না ’’
বেগম জিয়ার নেতৃত্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের জনপ্রিয় সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান মির্জা ফখরুল।
আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘সংবিধান সংশোধনের কারণে সরকার দেশকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় বসাতে হবে।’’
আ স ম হান্নান শাহ বলেন, ‘‘জিয়াউর রহমান যে স্লোগান নিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা ধারণ করে চলতে পারলে কোনো ষড়যন্ত্রই বিএনপিকে রুখতে পারবে না। কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে বিএনপির কর্মী প্রমাণ করতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।’’
এমকে আনোয়ার বলেন, ‘‘নির্দলীয় সরকার ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার এরশাদকে গৃহপালিত বিরোধী দলে রেখে যে সাজানো নির্বাচন করতে চায় সে ষড়যন্ত্র সফল হবে না।’’
মির্জা আববাস বলেন, ‘‘বিএনপি হলো সভ্য মানুষের দল। আর আওয়ামীলীগ হলো অসভ্য ও দুর্নীতিবাজদের দল ।’’
তিনি বলেন, ‘‘প্রমাণ হয়েছে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়রা দুর্নীতিগ্রস্ত। তাই নৈতিক কারণে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।’’
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, ‘‘সরকার বিএনপিকে বাদ দিয়ে নীল নকশার নির্বাচন করতে চায়। তাই যেকোনো ত্যাগের মধ্য দিয়ে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করতে হবে।’’
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার আসার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারেননি বলে জানান মির্জা ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘সরকার দেশকে দূর্বল করতে এবং সেবাদাসে পরিনত করতে পরিকল্পিতভাবে সংসদ ও বিচার বিভাগকে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু সরকারের এ ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়া যাবে না।’’
‘‘বিএনপি আন্দোলনে পিছিয়ে পড়েছে সরকারি দলের নেতাদের এমন মন্তব্য নাকচ করে দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘বিএনপি একটি দায়িত্বশীল দল। আমরা লগি বৈঠার রাজনীতি করে নয়; জনগণকে সাথে নিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা মনে করেছিল দেশে আর কোনো গণতন্ত্রকামী মানুষ থাকবে না। কিন্তু তার যোগ্য উত্তরসূরী বেগম খালেদা জিয়া একজন গৃহবধু হয়েও তিন দশক ধরে দেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করছেন । কোনো ষড়যন্ত্রই জিয়াউর রহমানের গড়া দলকে ধ্বংস করতে পারে নাই। আগামী দিনেও পারবে না ’’
বেগম জিয়ার নেতৃত্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের জনপ্রিয় সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান মির্জা ফখরুল।
আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘সংবিধান সংশোধনের কারণে সরকার দেশকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় বসাতে হবে।’’
আ স ম হান্নান শাহ বলেন, ‘‘জিয়াউর রহমান যে স্লোগান নিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা ধারণ করে চলতে পারলে কোনো ষড়যন্ত্রই বিএনপিকে রুখতে পারবে না। কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে বিএনপির কর্মী প্রমাণ করতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।’’
এমকে আনোয়ার বলেন, ‘‘নির্দলীয় সরকার ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার এরশাদকে গৃহপালিত বিরোধী দলে রেখে যে সাজানো নির্বাচন করতে চায় সে ষড়যন্ত্র সফল হবে না।’’
মির্জা আববাস বলেন, ‘‘বিএনপি হলো সভ্য মানুষের দল। আর আওয়ামীলীগ হলো অসভ্য ও দুর্নীতিবাজদের দল ।’’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আরো
বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস
চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, চেয়ারপারসনের উপদেস্টা শামসুজ্জামান দুদু,
যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু ও যুবদল সভাপতি সৈয়দ
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গণি, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, ফজলুর রহমান পটল ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও বিরোধীদলীয় চীফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুক ।
পরে জাতীয়তাবাদী সামাজিত সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন বিএনপি নেতারা।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গণি, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, ফজলুর রহমান পটল ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও বিরোধীদলীয় চীফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুক ।
পরে জাতীয়তাবাদী সামাজিত সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন বিএনপি নেতারা।

No comments:
Post a Comment