বাংলাদেশে বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হবার ঘটনায় দায়ের
করা হত্যা মামলার সোমবার সাক্ষ্য দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
জাহাঙ্গীর কবির নানক।
আদালতে তিনি বলেছেন, সরকারের সময়োপোযোগী উদ্যোগের কারণেই বাংলাদেশ ২০০৯ সালে একটি গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
বিদ্রোহের দিন নানক সরকারের তরফ থেকে বিদ্রোহীদের সাথে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং এজন্য তিনি পিলখানায় গোলাগুলির মধ্যে দিয়েই একটি সাদা পতাকা হাতে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
ফলে তাকে এই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
পিলখানা হত্যা মামলার বিচার এখন চলছে ঢাকার পুরনো অংশে যে বিশেষ আদালতে, সোমবার সেই আদালতে গিয়ে জবানবন্দি দেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
প্রায় এক ঘণ্টার সেই জবানবন্দিতে ওই সময়ের ঘটনা পরম্পরা তুলে ধরেছেন মিস্টার নানক, বলছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।
এসময় আদালতে কারাগারে আটক আটশো সাতাশজন অভিযুক্তকেও নিয়ে আসা হয়। দর্শকসারিতে উপস্থিত ছিলে মির্জা আজম ছাড়াও বহু সাংবাদিক।
সকাল সাড়ে নটায় নানক জবানবন্দি দেয়া শুরু করেন। এক ঘণ্টার জবানবন্দি শেষে আরো প্রায় তিন ঘন্টা ধরে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম।
পুরো সময়টা জুড়েই আদালতে ছিল পিনপতন নিরবতা, বলছিলেন সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র সংবাদদাতা ওমর ফারুক।
ফারুক বলছিলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী মিস্টার নানকের কাছে জানতে চান, ঘটনার দিন এত দ্রুততার সাথে তিনি সাদা পতাকা কিভাবে জোগাড় করেন? এর জবাবে নানক বলেন, ওটা ছিল একটি সাদা রঙের শপিং ব্যাগ। একজন পথচারীর কাছ থেকে তিনি ওটি সংগ্রহ করেছিলেন।
জেরায় আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ করেন, ওইসময় সরকারের সমন্বয়হীনতার কারণেই বিদ্রোহ এত ব্যাপক আকার ধারণ করেছিলো। জবাবে নানক বলেন, এ অভিযোগ সঠিক নয়, বরং সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে দেশ একটি গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
সেদিন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নানকের অপর সঙ্গী মির্জা আজম এর আগেই তার সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সোমবার আরো সাক্ষ্য দেন, ঘটনার দিন পিলখানার ওপর যে সেনা হেলিকপ্টারটিকে উড়তে দেখা গিয়েছিলো সেটির পাইলট উইং কমান্ডার সৈয়দ ফখরুদ্দীন মাসুদ।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ওই বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭জন সেনাকর্মকর্তাসহ সামরিক ও বেসামরিক মোট ৭৪ জন মানুষের মৃত্যু হয়।
দ্বিতীয় দিনে বিদ্রোহ শেষ হয়ে গেলেও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী এই বাহিনীটির শৃঙ্খলা কার্যত ভেঙে পড়ে।
এক পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার সংস্থাটির নাম পরবির্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি রাখে, এমনকি বদলে ফেলা হয় সদস্যদের পোশাকের রঙও। সূত্র: বিবিসি।
আদালতে তিনি বলেছেন, সরকারের সময়োপোযোগী উদ্যোগের কারণেই বাংলাদেশ ২০০৯ সালে একটি গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
বিদ্রোহের দিন নানক সরকারের তরফ থেকে বিদ্রোহীদের সাথে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং এজন্য তিনি পিলখানায় গোলাগুলির মধ্যে দিয়েই একটি সাদা পতাকা হাতে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
ফলে তাকে এই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
পিলখানা হত্যা মামলার বিচার এখন চলছে ঢাকার পুরনো অংশে যে বিশেষ আদালতে, সোমবার সেই আদালতে গিয়ে জবানবন্দি দেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
প্রায় এক ঘণ্টার সেই জবানবন্দিতে ওই সময়ের ঘটনা পরম্পরা তুলে ধরেছেন মিস্টার নানক, বলছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।
এসময় আদালতে কারাগারে আটক আটশো সাতাশজন অভিযুক্তকেও নিয়ে আসা হয়। দর্শকসারিতে উপস্থিত ছিলে মির্জা আজম ছাড়াও বহু সাংবাদিক।
সকাল সাড়ে নটায় নানক জবানবন্দি দেয়া শুরু করেন। এক ঘণ্টার জবানবন্দি শেষে আরো প্রায় তিন ঘন্টা ধরে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম।
পুরো সময়টা জুড়েই আদালতে ছিল পিনপতন নিরবতা, বলছিলেন সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র সংবাদদাতা ওমর ফারুক।
ফারুক বলছিলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী মিস্টার নানকের কাছে জানতে চান, ঘটনার দিন এত দ্রুততার সাথে তিনি সাদা পতাকা কিভাবে জোগাড় করেন? এর জবাবে নানক বলেন, ওটা ছিল একটি সাদা রঙের শপিং ব্যাগ। একজন পথচারীর কাছ থেকে তিনি ওটি সংগ্রহ করেছিলেন।
জেরায় আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ করেন, ওইসময় সরকারের সমন্বয়হীনতার কারণেই বিদ্রোহ এত ব্যাপক আকার ধারণ করেছিলো। জবাবে নানক বলেন, এ অভিযোগ সঠিক নয়, বরং সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে দেশ একটি গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
সেদিন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নানকের অপর সঙ্গী মির্জা আজম এর আগেই তার সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সোমবার আরো সাক্ষ্য দেন, ঘটনার দিন পিলখানার ওপর যে সেনা হেলিকপ্টারটিকে উড়তে দেখা গিয়েছিলো সেটির পাইলট উইং কমান্ডার সৈয়দ ফখরুদ্দীন মাসুদ।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ওই বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭জন সেনাকর্মকর্তাসহ সামরিক ও বেসামরিক মোট ৭৪ জন মানুষের মৃত্যু হয়।
দ্বিতীয় দিনে বিদ্রোহ শেষ হয়ে গেলেও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী এই বাহিনীটির শৃঙ্খলা কার্যত ভেঙে পড়ে।
এক পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার সংস্থাটির নাম পরবির্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি রাখে, এমনকি বদলে ফেলা হয় সদস্যদের পোশাকের রঙও। সূত্র: বিবিসি।

No comments:
Post a Comment