Pages

Tuesday, November 13, 2012

হলমার্ক কেলেঙ্কারি , ফেঁসে গেলেন জনতা ব্যাংকের ১৪ কর্মকর্তা

 হলমার্ক কেলেঙ্কারি , ফেঁসে গেলেন জনতা ব্যাংকের ১৪ কর্মকর্তা
হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে এবার ফেঁসে গেছে জনতা ব্যাংকের ১৪ কর্মকর্তা। সোনালী ব্যাংকের গ্যারান্টিতে হলমার্ককে টাকা দিয়ে এ  কেলেঙ্কারির সঙ্গে ফেঁসে যাচ্ছে জনতা ব্যাংক। নন ফান্ডেন্ড ১১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠায়  সোমবার বিকালে  
ব্যাংকটির  জিএম, ডিজিএমসহ ১৪ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দিয়েছে দুদক। দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত বিভাগ নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি  নিশ্চিত করেছে।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হচ্ছেন জনতা ব্যাংকের মতিঝিল লোকাল ব্রাঞ্চের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আমিনুল ইসলাম, উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জয়নাল আবেদীন, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রুহুল আমিন খান, ব্যবস্থাপক (এক্সপোর্ট) আলাউদ্দিন আকন্দ, এক্সপোর্ট ইনচার্জ আবদুল গফুর, এলিফ্যান্ট রোড শাখার  জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা একে আজাদ, শাহবাগ শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা শোয়েব কবির। এ সাত কর্মকর্তাকে ১৮ই নভেম্বর দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গেছে।
১৯ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে সাতজনকে  নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হচ্ছেন- এলিফ্যান্ট রোড শাখার এজিএম মুসতাক আহমেদ খান, জিএম আবদুস সালাম আজাদ, ডিজিএম এসএম আবু হেনা মোস্তফা কামাল,  বৈদেশিক শাখার ডিজিএম শেখ হায়দার  হোসেন ও এজিএম মিজানুর রহমান।
দুদক জানায়, সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা  হোটেল শাখা থেকে ৩৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত হলমার্ক ব্যতীত অন্য পাঁচ প্রতিষ্ঠান ও ২৬ ব্যাংকের ৬১টি শাখা জড়িত। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক জনতা ব্যাংকের ১৪ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দিয়েছে। 

No comments:

Post a Comment