এমআরপি তৈরির সময় বাড়লো
পাসপোর্ট (এমআরপি) তৈরির জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইআরআইএস
করর্পোরেশনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১৪
সাল পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর জন্য নতুন সময় বাড়ানো হয়নি।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
পরে একই স্থানে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এমআরপি তৈরির জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ চালিয়ে যাওয়ার মেয়াদ বাড়ানোসহ জনবল নিয়োগ, সফটওয়ার রক্ষণাবেক্ষণ এবং যন্ত্রপাতি কেনার প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এখন তারা কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।
তবে এতে কিছুটা ব্যয় বাড়বে। এ অনুমোদনের ফলে আগামী ২০১৪ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের জন্য এমআরপি ইস্যু করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো না হওয়ায় আইআরআইএস করপোরেশন কাজ বন্ধ করে দেয়।
মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে ৬০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি প্রকল্প বৈঠকে উপস্থাপন করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রকল্পটিতে কিছুটা পরিবর্তনের প্রয়োজন থাকায় তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তবে বিদ্যুৎ খাতের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
বিদ্যুৎ খাতের ক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির (পিএসসিডিপি) আওতায় এ প্রকল্পের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত হয়েছে থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি)।
তিনি বলেন, এতে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) তিনটি গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের সর্বনিম্ন দরদাতার আর্থিক প্রস্তাব এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রস্তাবনাও অনুমোদন দেয়া হয়।
মুহিত বলেন, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ভোলার চরফ্যাশন ও মনপুরা শহর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এসব পাইপলাইন হলো- ‘মহেশখালী-আনোয়ারা’, ‘বিবিয়ানা-ধনুয়া’ ও ‘আশুগঞ্জ-বাখরাবাদ’।
এছাড়া চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য চারটি দেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ এবং এর প্রিমিয়ামও অনুমোদন দেয়া হয় এ বৈঠকে।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার পেটকো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনোক, ভিয়েতনামের পেট্রোলিমেক্স এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে এ ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হবে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
পরে একই স্থানে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এমআরপি তৈরির জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ চালিয়ে যাওয়ার মেয়াদ বাড়ানোসহ জনবল নিয়োগ, সফটওয়ার রক্ষণাবেক্ষণ এবং যন্ত্রপাতি কেনার প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এখন তারা কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।
তবে এতে কিছুটা ব্যয় বাড়বে। এ অনুমোদনের ফলে আগামী ২০১৪ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের জন্য এমআরপি ইস্যু করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো না হওয়ায় আইআরআইএস করপোরেশন কাজ বন্ধ করে দেয়।
মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে ৬০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি প্রকল্প বৈঠকে উপস্থাপন করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রকল্পটিতে কিছুটা পরিবর্তনের প্রয়োজন থাকায় তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তবে বিদ্যুৎ খাতের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
বিদ্যুৎ খাতের ক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির (পিএসসিডিপি) আওতায় এ প্রকল্পের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত হয়েছে থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি)।
তিনি বলেন, এতে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) তিনটি গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের সর্বনিম্ন দরদাতার আর্থিক প্রস্তাব এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রস্তাবনাও অনুমোদন দেয়া হয়।
মুহিত বলেন, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ভোলার চরফ্যাশন ও মনপুরা শহর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এসব পাইপলাইন হলো- ‘মহেশখালী-আনোয়ারা’, ‘বিবিয়ানা-ধনুয়া’ ও ‘আশুগঞ্জ-বাখরাবাদ’।
এছাড়া চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য চারটি দেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ এবং এর প্রিমিয়ামও অনুমোদন দেয়া হয় এ বৈঠকে।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার পেটকো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনোক, ভিয়েতনামের পেট্রোলিমেক্স এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে এ ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হবে।
No comments:
Post a Comment