এবার প্রেমিকাকে দিয়ে সাংবাদিককে শায়েস্তার হুমকি এসআই লতিফের
পরকীয়ায় লিপ্ত ভাষানটেক থানার এসআই আব্দুল লতিফ এবার তার প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে সাংবাদিকের নামে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন।
শুক্রবার নয়া দিগন্ত পত্রিকার অপরাধ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু সালেহ আকনকে এ হুমকি দেন তিনি। এসআই লাতিফ মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার পরে চাকরি চলে যাওয়া এবং ওপর মহল ম্যানেজ করে চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিক সালেহ আকন তথ্য জানতে চাইলে তাকে এ হুমকি দেয়া হয়।
সাংবাদিক আবু সালেহ আকন জানান, এসআই আব্দুল লতিফের কাছে উল্লিখিত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি লাভলিকে দিয়ে নারি নির্যাতন মামলার হুমকি দেন। এসময় এসআই বলেন, ‘‘চাকরি গিয়েছিল আবার ফিরে পেয়েছি। আইজিপিও আমার কিছু করতে পারবে না। আমার কিছু করার ক্ষমতা কারো নেই।’’
জানা যায় এসআই লতিফের প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে তার প্রাক্তন স্বামী আমানুর রহমান ও স্বজনদের নামে একের পর এক মামলা দিচ্ছেন। প্রত্যেক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থাকছেন লতিফ। এমনকি তিনি যখন যে থানায় বদলি হচ্ছেন সেখানেই মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
মিরপুর মডেল থানা ও ভাষানটেক থানা সূত্রে জানা যায়, আমানুর রহমানের সঙ্গে মনোয়ারা বেগম লাভলীর ২০০৬ সালে বিয়ে হয়। তারা মিরপুর মডেল থানা এলাকার কল্যাণপুরে থাকতেন। এর মধ্যে লাভলীর সঙ্গে এসআই লতিফ পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন। এর জের ধরে চলতি বছরের মে মাসে স্বামীর সঙ্গে লাভলির ডিভোর্স হয়। এর পর আমানুরের পরিবার ও তার নামে দুটি মামলা করেন লাভলী।
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসাই লতিফ। প্রায় দুইমাস আগে এসআই লতিফ ভাষানটেক থানায় বদলি হন। সেখানে ১৫ অক্টবর আমানুর ও তার স্বজনদের নামে মামলা দায়ের করেন লাভলি। এ মামলারও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লতিফ।
এ ব্যপারে এসআই লতিফ জানান, পরকীয়ার ঘটনা মিথ্যা। মামলা তদন্ত করে দেখছি। আপনি যে থানায় বদলি হচ্ছেন সে থানয় মামলা হওয়া এবং এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও আপনি থাকার কারন কী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
মিরপুর মডেল থানা সূত্রে আরো জানা যায়, লাভলি কুসঙ্গে মিশে ও প্রেমিক পুলিশ অফিসারের সহায়তায় মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তার পিতা আব্দুর রউফ মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পেরে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর মডেল থানায় মেয়ের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
আরো জানা যায়, এসআই আব্দুল লতিফ এর আগে মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা পরেন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ওপর মহলকে ম্যনেজ করে আবার চাকরিতে যোগদেন তিনি।
শুক্রবার নয়া দিগন্ত পত্রিকার অপরাধ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু সালেহ আকনকে এ হুমকি দেন তিনি। এসআই লাতিফ মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার পরে চাকরি চলে যাওয়া এবং ওপর মহল ম্যানেজ করে চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিক সালেহ আকন তথ্য জানতে চাইলে তাকে এ হুমকি দেয়া হয়।
সাংবাদিক আবু সালেহ আকন জানান, এসআই আব্দুল লতিফের কাছে উল্লিখিত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি লাভলিকে দিয়ে নারি নির্যাতন মামলার হুমকি দেন। এসময় এসআই বলেন, ‘‘চাকরি গিয়েছিল আবার ফিরে পেয়েছি। আইজিপিও আমার কিছু করতে পারবে না। আমার কিছু করার ক্ষমতা কারো নেই।’’
জানা যায় এসআই লতিফের প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে তার প্রাক্তন স্বামী আমানুর রহমান ও স্বজনদের নামে একের পর এক মামলা দিচ্ছেন। প্রত্যেক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থাকছেন লতিফ। এমনকি তিনি যখন যে থানায় বদলি হচ্ছেন সেখানেই মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
মিরপুর মডেল থানা ও ভাষানটেক থানা সূত্রে জানা যায়, আমানুর রহমানের সঙ্গে মনোয়ারা বেগম লাভলীর ২০০৬ সালে বিয়ে হয়। তারা মিরপুর মডেল থানা এলাকার কল্যাণপুরে থাকতেন। এর মধ্যে লাভলীর সঙ্গে এসআই লতিফ পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন। এর জের ধরে চলতি বছরের মে মাসে স্বামীর সঙ্গে লাভলির ডিভোর্স হয়। এর পর আমানুরের পরিবার ও তার নামে দুটি মামলা করেন লাভলী।
এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসাই লতিফ। প্রায় দুইমাস আগে এসআই লতিফ ভাষানটেক থানায় বদলি হন। সেখানে ১৫ অক্টবর আমানুর ও তার স্বজনদের নামে মামলা দায়ের করেন লাভলি। এ মামলারও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লতিফ।
এ ব্যপারে এসআই লতিফ জানান, পরকীয়ার ঘটনা মিথ্যা। মামলা তদন্ত করে দেখছি। আপনি যে থানায় বদলি হচ্ছেন সে থানয় মামলা হওয়া এবং এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও আপনি থাকার কারন কী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
মিরপুর মডেল থানা সূত্রে আরো জানা যায়, লাভলি কুসঙ্গে মিশে ও প্রেমিক পুলিশ অফিসারের সহায়তায় মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তার পিতা আব্দুর রউফ মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পেরে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর মডেল থানায় মেয়ের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
আরো জানা যায়, এসআই আব্দুল লতিফ এর আগে মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা পরেন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ওপর মহলকে ম্যনেজ করে আবার চাকরিতে যোগদেন তিনি।
No comments:
Post a Comment