‘জনমত যাচাইয়ের নামে মন্ত্রণালয় মিমাংসিত বিষয়কে বিতর্কিত করছে’
‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ নির্ধারণে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জনমত যাচাইয়ের নামে
একটি মিমাংসিত বিষয়কে বিতর্কিত করছে বলে অভিযোগ করেছে নিরাপদ সড়কের দাবিতে
আন্দোলনরত সংগঠন ‘নিড়াপদ সড়ক চাই’(নিসচা)।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের বিষয়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জনমত যাচাইয়ের উদ্যোগের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া প্রকাশের জন্য ‘নিরড়াপদ সড়ক চাই’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোক করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।
লিখিত বক্তব্য বলা হয়, “আমাদের আগে কেউ নিরাপদ সড়ক দিবসের দাবি তোলেনি। আমরাই প্রথম ২২ অক্টোবরকে নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের দাবি করি। ইতিমধ্যে দিবসটি সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের পর তা গেজেট বিজ্ঞপি আকারে প্রকাশের জন্যে দাবি করেছি। কিন্তু এরকম একটি মিমাংসিত বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে মন্ত্রণালয় নতুন করে জনমত যাচায়ের নামে পক্ষপাত দুষ্ট আচরণের মাধ্যম্যে বিষয়টিকে বিতর্কিত করছে।’’
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়,‘‘ আমরা জনমত যাচায়ের বিপক্ষে নই। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের জনমত যাচায়ের নামে একটি নির্দিষ্ট দিবসকে সুপারিশ করছে। তাছাড়া হঠাৎ করে কেনই বা নিরাপদ সড়ক দিবসের ব্যাপারে জনমত যাচায়ের প্রয়োজন পড়লো? যেখানে দেশে প্রায় সকল জনসাধারণ ২২ অক্টোবরকেই নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে জানে।
প্রসঙ্গত ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর ইলিয়াস কাঞ্চন ‘নিরাপদ সকড় চাই’ গঠন করেন। এবং তখন থেকেই তার সংগঠনের পক্ষ থেকে ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানায় এবং ২০০২ সালে নভেম্বরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্বা কাউন্সিলের ৮ম সভায় ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিসব হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তৎকালীন সময়ে মন্ত্রিপরিষদের সভায় তা অনুমোদন না হওয়ায় তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয় নি।
কিন্তু গত ২২ অক্টোবর রাতে মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ওয়েব সাইটে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালনের জন্যে ৪টি তারিখ দিয়ে ইন্টারনেটে সবার মতামত চাওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শুরুতে ফটোসাংবাদিক কাজী বিপ্লব সহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং নিহতদের স্মরণে তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের বিষয়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জনমত যাচাইয়ের উদ্যোগের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া প্রকাশের জন্য ‘নিরড়াপদ সড়ক চাই’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোক করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।
লিখিত বক্তব্য বলা হয়, “আমাদের আগে কেউ নিরাপদ সড়ক দিবসের দাবি তোলেনি। আমরাই প্রথম ২২ অক্টোবরকে নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের দাবি করি। ইতিমধ্যে দিবসটি সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের পর তা গেজেট বিজ্ঞপি আকারে প্রকাশের জন্যে দাবি করেছি। কিন্তু এরকম একটি মিমাংসিত বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে মন্ত্রণালয় নতুন করে জনমত যাচায়ের নামে পক্ষপাত দুষ্ট আচরণের মাধ্যম্যে বিষয়টিকে বিতর্কিত করছে।’’
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়,‘‘ আমরা জনমত যাচায়ের বিপক্ষে নই। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের জনমত যাচায়ের নামে একটি নির্দিষ্ট দিবসকে সুপারিশ করছে। তাছাড়া হঠাৎ করে কেনই বা নিরাপদ সড়ক দিবসের ব্যাপারে জনমত যাচায়ের প্রয়োজন পড়লো? যেখানে দেশে প্রায় সকল জনসাধারণ ২২ অক্টোবরকেই নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে জানে।
প্রসঙ্গত ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর ইলিয়াস কাঞ্চন ‘নিরাপদ সকড় চাই’ গঠন করেন। এবং তখন থেকেই তার সংগঠনের পক্ষ থেকে ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানায় এবং ২০০২ সালে নভেম্বরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্বা কাউন্সিলের ৮ম সভায় ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিসব হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তৎকালীন সময়ে মন্ত্রিপরিষদের সভায় তা অনুমোদন না হওয়ায় তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয় নি।
কিন্তু গত ২২ অক্টোবর রাতে মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ওয়েব সাইটে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালনের জন্যে ৪টি তারিখ দিয়ে ইন্টারনেটে সবার মতামত চাওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে শুরুতে ফটোসাংবাদিক কাজী বিপ্লব সহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং নিহতদের স্মরণে তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।
No comments:
Post a Comment